Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫, ১৭ রজব ১৪৪০ হিজরী।

হুমকির মুখে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধ

প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

নীলফামারী থেকে মোশাররফ হোসেন : ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় থেকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫২ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার)। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জল কপাট খুলে রাখা হয়েছে।
তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ ও হাতিবান্ধা উপজেলার নদী বেষ্টিত চরগ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।
এদিকে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার উজানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডিমলা উপজেলার ৯নং টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত যৌথ বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। গত দু’দিনে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে তিস্তা পাড়ের ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে। তাইতো এলাকাবাসি মাইকিং করে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করছেন।
বাঁধটি নির্মাণের মূল উদ্যোক্তা ময়নুল ইসলাম জানায়, এলাকার সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাঁধটির নির্মাণের কাজ দেড় মাস আগে সম্পন্ন করা হয়। এখন বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতার বাজার, চরখড়িবাড়ী, ঝিঞ্জির পাড়া, লালমনিরহাটে হাতিবান্ধা  উপজেলার সানিয়াজান, গুড্ডিমারী ও বাউরা ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার পরিবার এ বর্ষায় তিস্তার বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়বেন। তাই এলাকায় মাইকিং করে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটি রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন