Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৭ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

বাজি ধরে সাঁতার কাটতে গিয়ে দুর্গাসাগরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিখোঁজ

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২০ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:৪০ পিএম

বুধবার দুপুরে বরিশালের দূর্গাসগর দীঘিতে বাজি ধরে সাঁতার কাটতে গিয়ে হৃদয় আহমেদ (২০) নামে আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। বন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরে সাঁতার কেটে দিঘির মাঝে থাকা দ্বীপে যাওয়ার সময় সে নিখোঁজ হয়। তার সলিল সমাধি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিকাল ৫টা পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি। 

হৃদয় বরিশাল নগরীর নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার মো. শাহআলমের ছেলে এবং ঢাকা আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সে তার বন্ধু একই এলাকার হৃদয় খান এবং বান্ধবী মুলাদী উপজেলার কলেজ ছাত্রী রাকিনকে নিয়ে দুর্গাসাগরে ঘুরতে গিয়েছিল।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার ওসি এস.এম জাহিদ বিন আলম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিখোঁজ থাকার সত্যতা নিশ্চিত কওে জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল ওই তরুনের সন্ধানে দিঘিতে জাল টানা সহ বিভিন্ন কৌশলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

দুর্গাসাগরে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মচারী মো. অলি জানান, ২ তরুন ও ১ তরুনী দর্শনার্থী বুধবার সকালে একসঙ্গে দুর্গাসাগরে ঘুরতে আসে। তারা দিঘির দক্ষিণ পাড়ে অবস্থান নেয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুই তরুন-তরুনী এসে জানায়, তাদের সঙ্গে থাকা হৃদয় আহমেদ সাঁতরে দিঘির মাঝখানে থাকা দ্বীপে যাচ্ছিল। এখন তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা। মো. অলি বলেন, এ খবর জেনে অন্যন্য কর্মচারীরা নৌকা নিয়ে দ্বীপে পৌঁছে তার সন্ধান পায়নি। ধারনা করা হচ্ছে, দ্বীপে পৌঁছার আগেই তার সলিল সমাধি ঘটেছে।

তরুন-তরুনীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে মো. অলি বলেন, হৃদয় তার সঙ্গীদের সঙ্গে ২০০ টাকার বাজি ধরেছিল, সে সাঁতার কেটে দিঘির মাঝে থাকা দ্বীপে যাবে। এরপর সে প্যান্ট-সার্ট খুলে লুঙ্গি পড়ে দক্ষিণ পাড় থেকে সাঁতার কাটা শুরু করে। পাড় থেকে দিঘির দূরত্বের ৫ ভাগের ৩ ভাগ সাঁতার কাটার পরই তাকে দেখতে পাচ্ছিলনা সঙ্গে থাকা তরুন-তরুনী। প্রথমে তারা ধারনা করেছিল হৃদয় সাঁতার কেটে দ্বীপে পৌছে গেছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তাকে আর দেখতে না পেয়ে তারা দুর্গাসাগরের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীকে বিষয়টি অবহিত করে। তারা ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশের পাশাপাশি ফায়ার ব্রিগেডের ডুবুরিরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ