Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৭ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ৫:২৭ এএম

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
প্রশ্ন : আমরা রোজা রেখে শপিং করি, পর পুরুষের সাথে কথা বলি। এতে কি রোজার ক্ষতি হয়? শপিংয়ের সময় নামাজের ওয়াক্ত চলে যেতে থাকলে আমরা কি নামাজ কক্ষে নামাজ পড়ে নেব? না কি কাযা করবো?
তানিয়া আহমেদ
গুলশান, ঢাকা
উত্তর : খুব প্রয়োজন ছাড়া শপিং না করাই ভালো। প্রয়োজনে রোজা রেখে শপিং করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। পর পুরুষের সাথে শরীয়ত সম্মত প্রয়োজনে অনাকর্ষনীয় ভঙ্গিমায় কথা বলা যায়। এটা রোজা রেখেও করা যায়। নামাজের সময় শেষ হয়ে যেতে থাকলে যে মসজিদ বা নামাজ কক্ষেই হোক নামাজ পড়ে নিতে হবে। সুবিধা নেই বলে কাযা করা যাবে না। প্রসঙ্গত আমাদের দেশে নারীরা নানা কারণে বাইরে বের হন। নামাজের নিরাপদ জায়গা না থাকায় তাদের নামাজ কাযা হয়ে যায়। এটি ঠিক নয়। যারা বাইরে যান, দুনিয়ার সব কাজ করেন, তাদের দায়িত্ব সুবিধাজনক স্থানে সময়মতো নামাজ সেরে নেওয়া। সমাজেরও উচিত মহিলাদের নামাজে যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখা।
প্রশ্ন : সফর বা রোগের কারণে যদি রোজা কাযা হয় তাহলে অন্য সময় এ রোজাগুলি রাখার বেলায় কি রাতে তারাবী পড়তে হবে? তারাবী সঠিক ওয়াক্ত কোনটি?
মনির উদ্দীন
মাগুরা।
উত্তর : শরীয়ত সম্মত কারণে রোজা রাখতে না পারলে রমজানের পর অন্য সময় তা কাযা করলে তারাবী পড়তে হবে না। কেননা, তারাবী মহানবী সা. কেবল রমজানের জন্যই সুন্নত করেছেন। তারাবী পড়ার উত্তম সময় ইশার পর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত। কেউ যদি ইচ্ছে করে তাহলে সেহরীর শেষ সময় পর্যন্তও পড়তে পারে। অবশ্য রাতের শেষ অংশটি তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইলের জন্য উত্তম।
-আল্লামা মুফতী উবায়দুর রহমান খান নদভী

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ