Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৭ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ২৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:০০ পিএম


দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
প্রশ্ন : আমার বাবা অতি বৃদ্ধ ও অসুস্থ। ভবিষ্যতে রোজা রাখার শক্তি আর হবে বলে মনে হয় না। কাফফারাহ দিতে চাই। কাফফারাহ কীভাবে দেব? একজনকে বা বহুজনকে দেওয়া যায় কি না? যিনি কাফফারাহ নিবেন তাকে কি দ্বিগুণ রাখতে হবে? যাকে বদলি রোজা বলে।
আব্দুল হামিদ, ভৈরব।
উত্তর : আপনার বাবার যে অবস্থা এমন মানুষ কাফফারাহ দিতে পারে। কাফফারাহ অর্থ নিজে রোজা না রাখতে পারায় প্রতি রোজার বদলে একটি ফিতরার সমান টাকা গরীবকে দান করা। এটি একজন রোজাদারকে ইফতার ও সাহরী বা দু’বেলা খানা খাওয়ানোর বিধান। কাফফারাহ একজনকেও দেওয়া যায়, বহুজনকেও দেওয়া যায়। তবে কাফফারাহ গ্রহণকারী শুধু নিজের রোজাগুলিই রাখবেন। দ্বিগুণও রাখবেন না, অন্যের বদলি রোজাও না। উদাহরণ স্বরূপ চলতি বছর ৭০ টাকা ফিতরার সর্বনি¤œ মূল্য। ৩০ রোজার জন্য কাফফারাহ হবে ৭০দ্ধ৩০=২১০০ টাকা। এ হচ্ছে সর্বনি¤œ, কেউ ইচ্ছে করলে আরও বেশিও দিতে পারে বা খরচ যতই হোক একজন রোজাদারকে একমাস দু’বেলা খানা খাইয়ে দিতে পারে।
প্রশ্ন : আমরা অনেকেই মোবাইলে বিভিন্ন ইসলামী পোস্ট শেয়ার করি। এবং মনে করি এটি শেয়ার করলে অনেক নেকী পাওয়া যাবে। এ ধারণা কতটুকু সত্যি?
রাবেয়া বসরী, বরিশাল।
উত্তর : মোবাইলে ইসলামী পোস্ট দেওয়া বা শেয়ার করা যদি মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে জানানোর উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে এতে নেকী পাওয়া যাবে। তবে শর্ত হলো, এতে কোনো নাজায়েজ বিষয়ের মিশ্রণ থাকতে পারবে না। নিছক দীন প্রচারের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার উলামায়ে কেরাম জায়েজ বলেছেন। আইটি ইসলামের খেদমতে ব্যবহার করা অবশ্যই নেকীর কাজ।
-আল্লামা মুফতী উবায়দুর রহমান খান নদভী

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ