Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার , ২১ জানুয়ারী ২০২০, ০৭ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

দক্ষ কর্মজীবী তৈরি জরুরি সেমিনারে বিশেষজ্ঞদের অভিমত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০২ এএম

 

ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে শিক্ষিত-অশিক্ষিত সব ধরণের তরুণদের ভালো করতে হলে দক্ষতার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তরুণদের দক্ষ করে তুলতে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগ অপরিহার্য। সাধারণ বাংলা ও ইংরেজি শিক্ষার চেয়ে কারিগরি শিক্ষার প্রতি বেশি জোড় দিতে হবে বলেও তারা মতামত দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সেমিনারে এসব বলা হয়।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন স্কিলস অ্যান্ড ফিউচার অব ওয়ার্ক’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নেন বিশিষ্টজনেরা। সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন একসেস টু ইনফরমেশনের (এটুআই) পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী। এটুআই, একশন এইড এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বক্তৃতা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। এ ছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বক্তৃতা করেন।

ইয়াফেস ওসমান বলেন, আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর ভিশন থেকে এসেছে। যা বাস্তবায়নে সামনে থেকে কাজ করছেন তার পুত্র এবং যোগ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এই ভিশনের পর দেখেন আমরা কতখানি এগিয়ে গেছি। আজ যে আলোচনা হচ্ছে, তা কিন্তু ১০ বছর আগে হতো না। এখন পর্যন্ত যে অর্জন হয়েছে, তা অনেক। বাকিটুকুও আমাদের অর্জন করতে হবে। আর এতে নেতৃত্ব দেবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম। তাই তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য নারী ও পুরুষ সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা যখন কর্মসংস্থানের কথা বলছি, তখন উভয়ের কর্মসংস্থানের কথা বলতে হবে।

মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ জনসাধারণকে বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রশিক্ষণ দেয়। প্রায় ১৯ ধরনের কর্মের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য আছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী আদেশ দিয়েছেন, এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ উভয়কে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজকের আয়োজনের অন্যতম সার্থকতা হচ্ছে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ এবং দক্ষতা নিয়ে যেসব সমস্যার সম্মুখীন আমাদের হতে হবে, সেগুলো চিহ্নিত করা গেছে। একইসঙ্গে সেগুলোর সম্ভাব্য সমাধানও এখানে উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এক লাখ ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা আছে। তিনি বলেন, একেক রোগের একেব ওষুধ, সবার শিখতে চাওয়ার আগ্রহের বিষয় আলাদা। একই শিক্ষা দিয়ে হবে না। একইসঙ্গে তরুণদের নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমির মাঝে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাচ্ছি আমরা। এভাবেই ভবিষ্যৎ তরুণদের দক্ষ করে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ