Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার , ১৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৪ মাঘ ১৪২৬, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

খ্যাতির বিড়ম্বনায় টিকটক তারকাকে রাখতে হলো দেহরক্ষী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৫:৪৭ পিএম

ব্রিটিশ তরুণী হোলি হর্নের নাম হয়তো অনেকেই শুনেন নি। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বা কিম কার্দাশিয়ানের মতো সর্বজনবিদিত তিনি নন। কিন্তু যাদের টিকটকের দুনিয়ায় নিত্য যাতায়াত, তারা এই নামটির সঙ্গে ভালমতোই পরিচিত। এই তরুণী একজন টিকটক স্টার। শুধু স্টার বললে ভুল হবে। ইনি সুপারস্টার। কারণ এই খ্যাতির বিড়ম্বনায় বছর তেইশের এই তরুণীকে রাখতে হয়েছে দেহরক্ষী।

টিকটক দিয়েই কোটিপতি হয়ে গেছেন হোলি হর্ন। কিন্তু এজন্য তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে হয় না। তার কাজের সময় মাত্র ১৫ সেকেন্ড। তবে তার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় প্রচুর। সেজেগুজে টিকটক ভিডিও শুট করেন তিনি। আর তারপর সেটি ছেড়ে দেন সোশ্যাল সাইটে। তার সাজেরও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গ্লসি পাউটেড ঠোঁট, বাদামি চোখ আর ম্যনিকিয়োর করা রঞ্জিত নখ তার ট্রেডমার্ক।

ইন্টারনেটে হোলি হর্নের অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ছয় লাখ। গত বছর টিকটকে একটি ভিডিও আপলোড করেছিলেন হর্ন, যার ভিউয়ার্স ৭ কোটি ৭২ লাখেরও বেশি। টিকটকে হর্নের প্রচুর ভিডিও রয়েছে তার মধ্যে কোনওটিতে দেখা গিয়েছে পপ গানে লিপ দিচ্ছেন হর্ন। কোথাও আবার তার নাচ মন কেড়েছে দর্শকের।

এক শ্রেণির মানুষের কাছে টিকটক মানে ছেলেমানুষি। কিন্তু সেই দলে পড়েন না হর্ন। মন দিয়ে তিনি কাজটি করে যান। আর তাতেই বাজিমাত। একাগ্র চিত্তে কাজ করার ফলে জনপ্রিয়তাও দিন দিন বাড়ছে তার। ব্রিটেনের সীমা ছাড়িয়ে তাই তার জনপ্রিয়তা এখন বিশ্বজুড়ে।

এমন একজন সুপারস্টার তারকাকে তাই ঢালাও পারিশ্রমিক দেয় টিকটক। ব্রিটেনের একাধিক ব্র্যান্ড তার সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। বিজ্ঞাপনের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে হর্ন। প্রতি মাসে তার আয় ছুঁয়েছে ছয় অঙ্ক। মেয়ের আয়ের দিকে তাকিয়ে চাকরি ছেড়েছেন মা। হর্নের জীবনযাপনেও এসেছে পরিবর্তন। মধ্যবিত্তের মেয়ে হর্ন এখন বড়লোকেদের মধ্যে গণ্য হন। পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে এখন তিনি ওয়েস্ট সাসেক্সের এক অভিজাত এলাকার বাসিন্দা। জনপ্রিয়তা এতটাই যে নিরাপত্তার জন্য তাকে রাখতে হয়েছে দেহরক্ষী। সূত্র: ডেইলি মেইল।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: যুক্তরাজ্য

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ