Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ভারতে বহু বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল পাস

মোহাম্মদ আবদুল গফুর | প্রকাশের সময় : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:২৬ এএম

অবশেষে ভারতের লোকসভায় পাশ হলো বহু বিতর্কিত ভারতীয় নাগরিকত্ব বিল। লোকসভার পর রাজ্য সভাতেও বিলটি পাশ করা হয়েছে। ভারতে এনআরসি বিল পাশ হওয়ার ফলে যে কোনো অমুসলিম শরণার্থী ভারতে বেশ কিছু দিন অবস্থান করলে তাকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে। তবে তাদের অমুসলমান হতে হবে। মুসলমান ছাড়া হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, ইহুদী, শিখ প্রভৃতি যে কোনো শরণার্থীর বেলায় এই আইন প্রযোজ্য হবে।

শরণার্থী সমস্যা মূলত একটি মানবাধিকার সমস্যা। ভারতের সাম্প্রদায়িকতাবাদী বিজেপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের এখন দ্বিতীয় মেয়াদ চলছে। প্রথম মেয়াদ শেষে দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিজেপির নেতাকর্মীরা এই বলে ভোটারদের ভোট বিজেপির স্বপক্ষে প্রদান করতে একথা বলতে এতটুকু লজ্জা বা সংকোচ অনুভব করেননি যে ভারতে মুসলমানদের দুর্বল ও নিশ্চিহ্ন করতে হলে বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদীকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে।

বিজেপি নেতাকর্মীদের সে প্রচারণায় প্ররোচিত হয়ে হিন্দু-প্রধান ভারতের ভোটাররা বিজেপি নেতাকর্মীদের সে দুরাকাংখা পূরণে এগিয়ে আসে। ফলে বর্তমানে সাম্প্রদায়িক নেতা নরেন্দ্র মোদীর দ্বিতীয় মেয়াদের শাসন সম্ভব হয়।

সংবাদপত্রের নিয়মিত পাঠকদের মনে থাকার কথা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার আগে মোদী প্রথমে নিজ রাজ্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সে রাজ্যে মুসলিম বিরোধী গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি (মোদী) ‘গুজরাটের কশাই’ আখ্যায় আখ্যায়িত হন।

এককালের সেই ‘গুজরাটের কশাই’ আখ্যায় আখ্যায়িত হওয়ার পর তিনি তাঁর এই আখ্যার যৌক্তিকতা প্রমাণ করেন তার নিজের কর্মকা-ের মধ্যদিয়ে। এসব কর্মকা-ের মধ্যে ছিল ভারতের একমাত্র মুসলিম-প্রধান রাজ্য কাশ্মীরকে দু’ভাগে বিভক্ত করে দুর্বল করে দেওয়া এবং পরবর্তীকালে ঐ রাজ্যের বহুদিন ধরে প্রচলিত স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করে নেয়া। তাছাড়া তার আর এক কীর্তি কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাঠিয়ে কাশ্মীরীদের উপর ধর্ষণ এবং অন্যান্য নির্যাতন চালিয়ে কাশ্মীরীদের জীবন অসহনীয় করে তোলা।

এরপর দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়ে নরেন্দ্র মোদী মুসলিম বিরোধী অন্যায় ও নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর অন্যতম প্রমাণ মেলে অমুসলিমদের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার মধ্যদিয়ে। এ সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার ফলে মুসলমান ছাড়া অন্য যে কোনো ধর্মের অনুসারী যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, ইহুদী, শিখ প্রভৃতি ধর্মের শরণার্থীরা ভারতে একটা নির্দিষ্টকাল অবস্থান করলে তাদেরকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে।

এ বিল ভারতে পাশ হয় এমন এক সময় যখন এককালের ‘গুজরাটের কশাই’ নামে কুখ্যাত নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত আছেন। অবশ্য নরেন্দ্র মোদীর নিজের দল বিজেপির সা¤্রাজ্যবাদী বৃটেন কর্তৃক ভারত দীর্ঘকাল শাসিত হওয়ারকালে সেই সা¤্রাজ্যবাদী শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেনি। পৌনে দু’শ বছরের সা¤্রাজ্যবাদী বৃটেনের শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামে যে দলটি ভারতের বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে সেই দলটির নাম ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। এই কংগ্রেসের সুপ্রিমো ছিলেন মহাত্মা গান্ধী এবং কংগ্রেসের রাজনৈতিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দান করেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ, প-িত জওহরলাল নেহরু প্রমুখ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্বাধীনতা সংগ্রামের সুপ্রিম লিডার হওয়ায় কারণে মহাত্মা গান্ধীকে স্বাধীন ভারতের জাতিরজনক বিবেচনা করা হতো। তিনি উভয় সম্প্রদায়ের জনগণের মিলন কামনা করতেন। উৎকট সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল বিজেপি বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না রাখলেও হিন্দু মুসলমান মিলনের আন্তরিক সমর্থক হওয়ার অপরাধে মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করার অপকর্মে এগিয়ে যান এমন এক সাম্প্রদায়িক নেতা, যার নাম নাথুরাম বিনায়ক গডসে। এই নাথুরামের বন্ধু ছিলেন বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদী।

স্বাভাবিকভাবেই নরেন্দ্র মোদী যে ভয়ংকর মুসলিম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক নেতা হবেন, তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। তাই আজ দেখা যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর শাসনকালে ভারতের একমাত্র মুসলিম প্রধান রাজ্য কাশ্মীরে চলছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে কাশ্মীরীদের ধর্ষণ, হত্যা প্রভৃতি অন্যায় অমানুষিক নির্যাতন।

ভারতের মুসলমানদের উপর যেসব অন্যায় অবিচার নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার স্বপক্ষে সম্প্রতি যে আইনটি পাশ হয়েছে তার নাম নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)। এ সম্পর্কে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্রে বিস্তারিত বিবরণী প্রকাশিত হয়েছে। যে ভারত একদা বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র নামে আখ্যায়িত ছিল তার অন্যতম বৈশ্লিষ্ট্য ছিল তার অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষতা। এর কারণে ভারতের যে দলটির সংগ্রামের মাধ্যমে সা¤্রাজ্যবাদী বৃটেনের পরাধীনতার শৃংখল ভেঙ্গে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে তার নেতৃত্বে ছিলেন গান্ধী, নেহরু, মওলানা আবুল কালাম আজাদ, হুমায়ূন কবির প্রমুখ হিন্দু-মুসলমান খৃস্টান প্রভৃতি সকল সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। এই সেই দিনও ভারতে এ ধরনের অসাম্প্রদায়িক সেকুলার নেতৃবৃন্দ ভারতের শাসনকর্তৃত্বে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
কিন্তু এখন সেই এককালের বিশ্বের বৃহত্ততম সেকুলার গণতন্ত্র ভারতে চলছে এককালের ‘গুজরাটের কশাই’ নামে কুখ্যাত নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপির দুঃশাসন। মোদী সরকারের আমলে সম্প্রতি ভারতে এমন একটি আইন পাশ হয়েছে যার মাধ্যমে ভারতে বেশ কিছুদিন ধরে বাস করা হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, ইহুদী, শিখ প্রভৃতি ধর্মের অনুসারী শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে, কিন্তু কোনো মুসলমান শরণার্থীকে কোনভাবেই ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে না।

শরণার্থী সমস্যা একটি মানবিক সমস্যা। এ নিয়ে আলোচনাও চলছে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ১০ ডিসেম্বরের কাছাকাছি সময়ে। অথচ মুসলিম-বিদ্বেষী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদীর কারণে সেই মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের সনদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইন পাশ করা হয়েছে। এর ফলে ভারতকে যে এককালে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে আখ্যায়িত করা হতো তার যৌক্তিকতাও ক্ষুণœ হয়েছে সঙ্গত কারণে।

এককালের বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে পরিচিত ভারতে কট্টর সাম্প্রদায়িক দল বিজেপি নেতৃত্বাধীন শাসনামলে ভারতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক নির্যাতনের পর এবার আমরা আসছি বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারের যুগ যুগ ধরে বাস করা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের শাসকদের বর্বর নির্যাতন প্রসঙ্গে। মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করা রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে। এই সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের অপরাধ এরা ধর্ম বিশ্বাসে মুসলমান। মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন) অঞ্চলে সমুদ্র-উপকূলবর্তী এলাকায় বসবাসরত এই রোহিঙ্গারা শুধুমাত্র ধর্মবিশ্বাসে মুসলমান হবার অপরাধে এদের বহিরাগত বলে এদের উপর অমানুষিক নির্যাতন করে তাদের জন্মভূমি (আরাকান) ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

মিয়ানমার থেকে এভাবে নির্যাতিত হয়ে বিতাড়িতদের মানবিক কারণে বাংলাদেশ সাময়িকভাবে আশ্রয় দিলেও এর ফলে এমনিতে জনসংখ্যার আধিক্যে ভারাক্রান্ত বাংলাদেশের পক্ষে এ শরণার্থীরা বাংলাদেশের জন্য নতুন বোঝা সৃষ্টি করেছে একথা বলাই বাহুল্য। মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয় কর্র্তৃপক্ষ দাবি করছে, মিয়ানমার একটি বৌদ্ধ প্রধান রাষ্ট্র। তাই এখানে মুসলমানদের থাকার কোনো অধিকার নেই।

এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এখানে বাস করছে বহু অমুসলমান নাগরিক, যাদের মধ্যে রয়েছে বহু হিন্দু, খৃস্টান, এমনকি বৌদ্ধ নাগরিক। (বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে)। কিন্তু তারা অমুসলমান হওয়া সত্ত্বেও তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কখনো কেউ কোন প্রশ্ন তোলেনি। এমন কথা কেউ বলেনি যে, মুসলমান প্রধান বাংলাদেশে কোনো বৌদ্ধ নাগরিকত্বের অধিকার পাবে না।

এখানে আরেকটি কথা ইতিহাসের খাতিরে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় যে, বৌদ্ধ ধর্মের আদি প্রবর্তক মহামতি গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয় ভারতে। ভারতে তাঁর জন্ম হওয়ার কারণে ভারত একদা প্রধানত: বৌদ্ধদের বাসভূমি ছিল। একথা আমরা জানতে পারি খ্যাতিমান বৌদ্ধ গবেষক বিশ্বেশ্বর চৌধুরীর ‘খাইবার থেকে টেকনাফ’ নামক গ্রন্থ থেকে। তিনি সেখানে লিখেছেন, সমগ্র উপমহাদেশের যে এক সময় প্রধানত: বৌদ্ধদের বাসভূমি ছিল তার বড় প্রমাণ, উপমহাদেশে যততত্র মাটি খুঁড়লেই যেখানে সেখানে বৌদ্ধ মূর্তি পাওয়া যায়, এটাই তার বড় প্রমাণ।

তিনি আরো লিখেছেন, পরবর্তীকালে এই উপমহাদেশে আর্যদের আগমনের ফলে এবং তাদের হিন্দু (সনাতন) ধর্ম প্রচারের ফলে বৌদ্ধদের সঙ্গে তাদের সংঘাত শুরু হয়ে যায়। এই সংঘাতের এক পর্যায়ে এক উগ্র হিন্দু ধর্ম শাসক দেশে বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দেন। বৌদ্ধবিরোধী এই অভিযানের সুযোগে এক শ্রেণীর হিন্দু ধর্ম প্রচারক এমন ধর্মীয় বিধান জারী করেন যে, কোনো বৌদ্ধকে দেখা মাত্র তাকে যে হত্যা করবে, সে অনন্তকাল স্বর্গবাসের সৌভাগ্য লাভ করবে। অন্যদিকে যে কোনো বৌদ্ধকে দেখা সত্ত্বেও তাকে হত্যা করবে না, তাকে অনন্তকাল ধরে নরক বাসের অভিশাপ ভোগ করতে হবে। এভাবেই শুরু হয় বৌদ্ধ বিরোধী গণহত্যা অভিযান।

এ সময়ে নিজেদের প্রাণ রক্ষার উদ্দেশ্যে বৌদ্ধরা তাদের ধর্মপ্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের জন্মভূমি ভারত ত্যাগ করে পূর্বে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড প্রভৃতি অঞ্চলে, উত্তরে তিব্বত প্রভৃতি অঞ্চলে এবং দক্ষিণে সিংহল (শ্রীলঙ্কা) প্রভৃতি অঞ্চলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। যারা সেভাবে প্রাণ রক্ষার্থে দেশ ত্যাগ করতে সক্ষম হননি, তারা ঐ সময়ে সমুদ্র পথে আরব ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আগত ইসলাম প্রচারকরদের মাধ্যমে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে প্রাণে রক্ষা পান। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, প্রায় ঐ সময়ই বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয়ের ফলে এদেশে মুসলিম শাসনের যাত্রা শুরু হয়। মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে সমুদ্র পথে আগত ইসলাম প্রচারকদের ইসলাম প্রচারের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়ে ওঠে। এসময়ে সমুদ্রপথে আগত ইসলাম প্রচারকরা শুধু ইসলাম প্রচারের মধ্যেই তাদের এই ধর্ম প্রচার সীমাবদ্ধ রাখেনি। এ অঞ্চলের জনগণের মাতৃভাষা বাংলা শিখে নিয়ে বাংলাভাষার উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। এসব তথ্য আমরা জানতে পারি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্য গবেষক ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচিত ‘আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্য’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে। ড. এনামুল হকের গবেষণা থেকেই আমরা আলাওল, দৌলত কাজী প্রমুখ সেকালের কবি সাহিত্যিকদের কথা প্রথম জানতে পারি।

শুধু তাই নয়, সমুদ্র পথে বাংলাদেশে ইসলামের প্রচারকদের আগমনের ফলেই উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের পর বিশাল হিন্দু প্রধান জনপদের পর ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলে মুসলিম প্রধান জনপদ এখন স্বাধীন বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হতে পেরেছে। এই ঐতিহাসিক পটভূমি ভুলে গিয়ে আমরা কিছুতেই বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস বুঝতে সক্ষম হব না।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন