Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে এবার বিজেপি নেতার দলত্যাগ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৫:৩৬ পিএম

বিজেপি’র সঙ্গে আঠারো মাসের সম্পর্কে দাঁড়ি টেনে দল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। গত বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘মুর্শিদাবাদের মানুষ আমাকে ভালবেসে পাশে থেকেছেন। কিন্তু নাগরিকত্ব বিল তাদের স্বার্থে খাঁড়ার মতো নেমে আসছে। তাই বিজেপি-তে আর থাকব না।’ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে এনআরসি নিয়ে আতঙ্কের যোগ হয়েছে সিএবি বা নাগরিকত্ব বিলের আতঙ্ক। তারই প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন বিরোধীরা।

সেই বিরুদ্ধাচারণের তালিকায় যে বিজেপি’র কোনও নেতাও থাকতে পারেন, দলের শীর্ষ নেতারা তা ভাবতে পারেননি। দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় তাই খবরটা শুনে হুমায়ুনকে পরামর্শ দেন, ‘তাড়াহুড়ো কোর না, ভেবে দেখো!’ বিজেপি’র মুর্শিদাবাদ (দক্ষিণ) জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলছেন, ‘আমাকে এখনও দলত্যাগের ব্যাপারে কিছু তো জানাননি। আসলে হুমায়ুন বিজেপিকে বুঝতে পারেননি।’ হুমায়ুন অবশ্য বলেন, ‘না বোঝার কিছু নেই। রাজনীতিতে থাকতে হলে মানুষের স্বার্থ নিয়ে ছেলেখেলা করতে পারব না।’ তা হলে এ বার যাবেন কোথায়? সে ব্যাপারে না তিনি কিছু না বললেও রেজিনগর এলাকায় প্রাক্তন মন্ত্রীর দাপট যে অনস্বীকার্য, তা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় কংগ্রেস কিংবা তৃণমূল— দু’পক্ষই।

এক সময় অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ এবং পরে সেই অধীরের সঙ্গেই তিক্ততার জেরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে পা বাড়িয়েছিলেন হুমায়ুন। যোগ দিয়েই পেয়েছিলেন মন্ত্রিত্ব। তবে ঠোঁটকাটা হুমায়ুন দলের তদানীন্তন জেলা পর্যবেক্ষকের সম্পর্কে ‘বিরূপ’ মন্তব্য করায় দল তাঁকে ছেঁটে ফেলেছিল। ২০১৬’র বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়ে সামান্য ভোটে হেরে গিয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে। পরের বছরে পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরলেও ২০১৮ সালে আবার দল বদলে পা বাড়িয়েছিলেন বিজেপিতে। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি’র প্রার্থীও হয়েছিলেন এবং সব হিসেব উল্টে দিয়ে সংখ্যালঘু ভোটের সিংহভাগই নিজের ভোট বাক্সে টেনে এনেছিলেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। সূত্র: এবিপি।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ