Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১০ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

কষ্টের জয়ে শুরু শেখ রাসেলের

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:৪১ পিএম

দেশের ফুটবলে স্বীকৃত শক্তি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। ক’মৌসুম ঘরোয়া আসরে ট্রেবল জিতেছিল তারা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ আসরেও সেরা তিনে ছিল দলটি। স্বাভাবিকভাবেই তাদের কাছে ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্য্শাা অনেক। কিন্তু নতুন মৌসুমের শুরুটা সুখকর হলো ২০১২-১৩ মৌসুমের ট্রেবলজয়ীদের। কষ্টের জয় দিয়েই তারা শুরু করলো এবারের মৌসুম। শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে টিভিএস ফেডারেশন কাপে ‘ডি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শেখ রাসেল ১-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ (বিসিএল) থেকে উঠে আসা নবাগত উত্তর বারিধারা ক্লাবকে। বিজয়ী দলের হয়ে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড রাফায়েল ওদুউইন।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে নবাগত বাংলাদেশ পুলিশকে বিধ্বস্ত করেছিল ঢাকা আবাহনী লিমিটেড। বিসিএলের শিরোপা জয়ীদের তারা হারিয়েছিল ৪-০ গোলে। কিন্তু বিসিএলের রানার্সআপ অপেক্ষাকৃত দূর্বল উত্তর বারিধারার বিপক্ষে গোলউৎসব করতে পারেনি শেখ রাসেল। বারিধারা দু’মৌসুম আগে পেশাদার লিগে খেললেও নবাগত রূপে ফের ফিরে এসেছে বিপিএলে। ফিরে এসেই জায়ান্টদের প্রায় রুখেই দিয়েছিল দলটি। নাইজেরিয়ান রাফায়েলের মামুলী গোলটি না হলে হয়তো বারিধারা কাছে পয়েন্ট জমা রেখেই মাঠ ছাড়তে হতো শেখ রাসেলকে। তবে ম্যাচ শেষে রাসেল কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেন, ‘আমরা জয়ের জন্যই মাঠে নেমেছিলাম। জিতেছি এটাই বড় কথা। বড় মার্জিনে জিততে হবে এমন কোন কথা নয়। ছেলেরা তিন পয়েন্ট এনে দিয়েছে, এতেই খুশী আমি।’ অন্যদিকে উত্তর বারিধারার কোচ আলফাজ আহমেদ বলেন, ‘আমার স্ট্রাইকার ও অধিনায়ক সুমন এবারই প্রথম খেলছে বড় কোনো আসরে। স্থানীয়দের মধ্যে সাইদুল ছাড়া দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই নতুন। কোচ হিসেবে আমিও নতুন। সেইদিক বিবেচনায় আমরা এ ম্যাচে তেমন খারাপ খেলিনি। এই টুর্নামেন্ট লিগের প্রস্তুতিমূলক বলেই খেলোয়াড়দের যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছি। আশাকরি লিগে আমরা আরো ভাল করবো।’ তিনি যোগ করেন, ‘ফেডারেশন কাপের জন্য আমরা এক মাসের প্রস্তুতি নিয়েছি। এই লিগে আমাদের লক্ষ্য মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা। আগামী ক’দিনের মধ্যে আমাদের আরেকজন বিদেশী ফুটবলার আসার কথা। ওই ফুটবার এলে দলটা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে।’

শুক্রবার ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাতœক ফুটবল উপহার দেয় শেখ রাসেল। তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে উত্তর বারিধারা। সেই সুযোগে প্রথম গোল করে এগিয়ে থাকে শেখ রাসেলই। ম্যাচের ১৭ মিনিটে রাফায়েল গোল করলে এগিয়ে যায় রাসেল (১-০)। পিছিয়ে পড়ে বারিধারও বেশ ক’টি সুযোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবে তাদের ফরোয়ার্ডরা গোল করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চললেও আর কোন গোল হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত কষ্টের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে শেখ রাসেল।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শেখ রাসেল

৬ নভেম্বর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ