Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২০, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

এলজিইডির কাজে থাকতে হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কুমিল্লায় প্রধান প্রকৌশলী

সাদিক মামুন, কুমিল্লা থেকে : | প্রকাশের সময় : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম

এলজিইডির কাজের গুণগত মান নি:সন্দেহে অনেক ভালো হতে হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেছেন, এলজিইডি সমাজের জন্য কাজ করে। তাই আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। অধিকতর স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজের অগ্রগতি ও মানের বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রোডম্যাপ তৈরি করে গত ১১ বছর দেশ পরিচালনার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। সেই দৃষ্টিকোন থেকে এলজিইডি সরকারের উন্নয়নের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর ধীরেন্দ্রনাথ সড়কের পাশে অবস্থিত কুমিল্লা এলজিইডি ভবনে অনুষ্ঠিত কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প-কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা ও পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় প্রধান প্রকৌশলী এসব কথা বলেন। কর্মশালার প্রথম পর্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি ও সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকার লক্ষ্যে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. এবিএম আহসান। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান। দিনব্যাপী কর্মশালার দ্বিতীয় পর্বে আলোচনায় অংশ নেন এলজিইডি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীদের মধ্যে আবদুর রশিদ মিয়া (প্রশাসন), আবদুল ওয়াদুদ (মনিটরিং ও প্রকল্প মূল্যায়ন), বিপুল চন্দ্র বণিক (রক্ষণাবেক্ষন), নোয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার আবদুল আদদাদ প্রমুখ।
দেশকে এগিয়ে নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রকৌশলীদের উল্লেখ করে প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আরও বলেন, এলজিইডির সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারি এবং এ সংস্থার উন্নয়ন কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক থেকে শুরু করে সবাই একটা টিম। আর তাই এলজিইডির কাজে থাকতে হবে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
গ্রামীণ জনপদে শহরের সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে গৃহীত সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে উল্লেখ করে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুষ্ক মৌসুমে দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। কুমিল্লার মুরাদনগরের পায়ব গ্রামের সন্তান প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, পল্লী-নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্ষুদ্র পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও ভৌম অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এলজিইডি। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ছাড়াও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি, জাইকা, সউদী ফান্ড, ড্যানিডা, জলবায়ু ট্রাষ্টফান্ড ও ড্যাচের অর্থায়নে কৃষি, মৎস্য, ক্ষুদ্রসেচ প্রকল্পসহ নগর, গ্রামীণ ও পানি সম্পদ উন্নয়নে কাজ করছে। কুমিল্লা এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী এএসএম রাশেদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবদুস সালাম মোল্লা (বৃহত্তর কুমিল্লা), মো. সোহরাব আলী (আরটিআইপি-২), আবদুল বাসেত (সিবিসি), আবদুল ওহাব (বৃহত্তর নোয়াখালী) ও আক্তার হোসেন। এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলীদের মধ্যে কুমিল্লার খন্দকার আসাদুজ্জামান, চাঁদপুরের মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিরাজুল ইসলাম, নোয়াখালীর ইকরামুল হক, ফেনীর শাহআলম পাটোয়ারি ও লহ্মীপুরের একেএম রশিদ আহমেদসহ ছয় জেলার উপজেলা পর্যায়ের শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: এলজিইডি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ