Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৬ জামাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

ভারত থেকে ভূমধ্য সাগর পর্যন্ত প্রতিরক্ষাক্ষেত্র গড়ে তুলছে তুরস্ক

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৫:৪৪ পিএম

ভূমধ্য সাগর থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত একটি প্রতিরক্ষা ব্যুহ তৈরির মাধ্যমে তুরস্ক এক নতুন ভূরাজনেতিক কৌশল অনুসরণ করে যাচ্ছে। পররাষ্ট্র নীতির বিশ্লেষক মেহমেত এ কানচি মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ব আনাদুলু এজেন্সির জন্য এক লেখায় বিষয়টি তুলে ধরেন।

নতুন কৌশলে তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্কে নির্দেশ প্রতিপালন করা হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো বলে কানচি উল্লেখ করেন। সাকারিয়া যুদ্ধ চলার সময় ১৯২১ সালে আতাতুর্ক নির্দেশ দেন যে ‘কোন প্রতিরক্ষা রেখা নেই, তবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আছে। এই ক্ষেত্রটি হলো পুরো মাতৃভূমি।’ তুরস্ক ও গ্রিক বাহিনীর মধ্যে এই যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধগুলোর একটি।

কানচি বলেন, তুরস্কের সেই মন্তব্য আজকে ইংগিত দিচ্ছে যে আরো বৃহৎ এলাকায় তুরস্কের ভূরাজনৈতিক প্রতিরক্ষা রেখা সম্প্রসারণ জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ গোলযোগের ক্ষেত্রগুলোতে আনুপাতিক হারে পৌছার জন্য বিশ্বব্যাপী সংগ্রাম চলছে। তিনি বলেন, পশ্চিম ও দক্ষিণে তুরস্কের নতুন প্রতিরক্ষা ভূখণ্ডের সীমা একদিকে গ্রিক দ্বীপ ক্রিট এবং তুরস্ক-কাতার কম্বাইন্ড জয়েন্ট ফোর্স কমান্ড হেডকোয়ার্টারস, যা পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালীর মুখে অবস্থিত এবং ভারত মহাসাগরের তীরে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে সোমালি-টার্কিশ টাস্ক ফোর্স কমান্ড ও অন্যান্য অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত।

তার মতে, লিবিয়ার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে তুরস্ক তার প্রতিরক্ষা রেখা শক্তিশালী করতে চাচ্ছে বলে এ বিশ্লেষক মনে করেন। ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের সঙ্গে একটি নতুন সামরিক সহযোগিতা চুক্তি তুরস্কের পক্ষে লিবিয়ায় স্থল ও নৌ সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্ভব হবে। নতুন এই উদ্যোগের ফলে তুরস্কের নতুন প্রতিরক্ষা ভূখণ্ডের আওতায় আসবে সাইপ্রাস, লিবিয়া ও কাতার। ফলে তুরস্কের পক্ষে ভূমধ্যসাগরসহ তিনটি মহাদেশে প্রতিরক্ষা স্বার্থ রক্ষা সম্ভব হবে বলে কানচি মনে করেন। সূত্র: এসএএম।



 

Show all comments
  • Mahbub ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:৩৫ পিএম says : 0
    আমি তুর্কীর এ আদেশকে সহমত পোসন করি।
    Total Reply(0) Reply
  • MD.mahabur alam ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:৩১ এএম says : 0
    মুসলিম বিশ্বের উচিত তুরস্ককে সহায়তা দেওয়া
    Total Reply(0) Reply
  • MD.mahabur alam ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:৩২ এএম says : 0
    মুসলিম বিশ্বের উচিত তুরস্ককে সহায়তা দেওয়া
    Total Reply(0) Reply
  • MD.mahabur alam ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:৩৩ এএম says : 0
    মুসলিম বিশ্বের উচিত তুরস্ককে সহায়তা দেওয়া
    Total Reply(0) Reply
  • Jahurul Islam ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৮:৪৬ এএম says : 0
    Not only turkey but also all Muslim countries should devolved their navey sector, military sector,air Force, nuclear
    Total Reply(0) Reply
  • Lot of thanks for the article. ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৯:৩১ পিএম says : 0
    So good & desirable
    Total Reply(0) Reply
  • Lot of thanks for the article. ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৯:৩১ পিএম says : 0
    So good & desirable
    Total Reply(0) Reply
  • Abdul khalek ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১০:১৬ এএম says : 1
    Turkey is a muslim country.The other countries of the world those who are envious,may take it as their obstruc. So the Turkish should consider the matter seriously.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: তুরস্ক

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন