Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭, ১৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

শান্তি নিকেতনে মাইজভান্ডারি অনুসারি খুন

মতাদর্শিক বিরোধ ও অর্থ লুটের জের ধরে হত্যা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

হত্যায় সরাসরি জড়িত দু’জন শনাক্ত

অর্থ লুট ও মতাদর্শিক বিরোধের জের ধরে খুন করা হয়েছে বাসায় ব্যবসায়ী শাহ মো. তবারক হোসেনকে। এমনটাই সন্দেহ করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দু’জনকে শনাক্ত করেছেন তারা। হত্যাকান্ডের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক সাইফুলসহ অন্যদের কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে হত্যায় জড়িত কয়েকজকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি জড়িত দুজনকে গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।
এর আগে গত বুধবার ভোরে ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢুকে তাকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। তিনি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন শান্তিনিকেতন এলাকার মসজিদ গলির ১৭৮ নম্বর বাসার চতুর্থ তলায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকতেন। তাকে উদ্ধার করে মহাখালীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত তবারক মহাখালীর মামা প্লাজা নামে একটি মার্কেটের মালিক। চট্টগ্রামের শফি মাইজভান্ডারির অনুসারী ছিলেন তিনি। খুনের ঘটনায় তার ভাই মোবারক হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা করেছেন। মামলাটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ছায়া তদন্ত করছে।
মামলার বাদী মোবারক হোসেনের ধারণা, বাসায় রাখা টাকা-পয়সা লুটের জন্যই তার ভাইকে হত্যা করা হয়। সাইফুল এতে জড়িত থাকতে পারে। তিনি তবারকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ‘বাবা’ ডেকে, হাত-পা টিপে দিয়ে ও নানাভাবে সেবা-শুশ্রুষা করে তবারকের বিশেষ প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেছিলেন। এ কারণে তাকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর সুযোগ নিয়ে তিনি টাকা লুটপাট করে থাকতে পারেন। মহাখালীর মার্কেটটি নিয়ে মামলা চলমান থাকলেও সে কারণে হত্যার ঘটনা ঘটে বলে মনে করেন না তিনি।
এদিকে বুধবার খুনের পরপরই পুলিশ সাইফুল ও দুই নিরাপত্তাকর্মীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তবে গতকাল পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।
ডিবির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মুহাম্মদ হাবীবুন নবী আনিছুর রশিদ বলেন, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। শিগগিরই হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

নুরের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আইনি নোটিশ
স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গতকাল এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর এ নোটিশ পাঠানো হয়।
সাতদিনের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। নোটিশে তিনি বলেন, ডাকসু ভিপির উপর হামলার ঘটনায় প্রত্যেকেই উদ্বিগ্ন। এখন অবিলম্বে তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া খুবই প্রয়োজন। সবার জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কর্তব্য। ভিপি নুরুল হক নুরু কেবল রাষ্ট্রের একজন নাগরিকই নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। সাধারণ ছাত্রদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। বারবার তিনি এ ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তাই অবিলম্বে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মাইজভান্ডারি
আরও পড়ুন