Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

বছরজুড়েই অস্থিরতা

ফিরে দেখা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান-২০১৯

ফারুক হোসাইন | প্রকাশের সময় : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতন, চাঁদাবাজী, ভিসির অনিয়ম-দুর্নীতি, অপকর্ম, নিয়োগ ও উন্নয়ন কাজের কমিশন, স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বছরজুড়েই অস্থিরতা ছিল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যাকান্ড। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির উন্নয়ন কাজে কমিশন, ছাত্রলীগকে চাঁদা প্রদান, গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কথায় কথায় শিক্ষার্থী বহিষ্কার এবং আন্দোলনের মুখে ভিসির পদত্যাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ভিসির পদত্যাগ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন এবং নির্বাচিত ভিপির ওপর ছাত্রলীগের বার বার হামলার ঘটনা।
ছাত্রলীগের হাতে সাধারণ শিক্ষার্থী খুন, ভিসিদের নির্লজ্জ কর্মকান্ডের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভেঙে পড়ে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম। দিনের পর দিন বন্ধ থাকে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ বাধ্য হয়েছেন কয়েকজন ভিসি, আবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগকে দিয়ে হামলার ঘটনাও ঘটিয়েছেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি।
দীর্ঘ ২৯ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে নুরুল হক নুর ডাকসুর ভিসি নির্বাচিত হওয়ার পর ছাত্রলীগের হাতে বার বার হামলার শিকার হয়েছেন যার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বারবারই উত্তপ্ত হয়েছে। বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দীর্ঘ ৯ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় হয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। সবমিলিয়ে ২০১৯ সালের পুরো বছরই সারাদেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছিল অস্থিরতা। বুয়েটে আবরার হত্যা : বছরের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটে। ভারতের সাথে বর্তমান সরকারের চুক্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। তার এই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতারা গত ৬ অক্টোবর রাতভর নির্যাতন করে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনার পর থেকেই আন্দোলনে নামেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের মুখে বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধসহ দোষীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে হত্যা মামলার অভিযোগপত্র ও বুয়েটের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ না করা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দুই মাস বন্ধ ছিল বুয়েট। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করাসহ শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিলে বুয়েটে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংসহ বিভিন্ন কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের চিত্র সামনে আসে।
ডাকসু নির্বাচন ও ভিপির ওপর হামলা : দীর্ঘ প্রায় ২৯ বছর পর এ বছরের মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন হওয়া ছিল একটি বড় ঘটনা। ভোটের ফলে ডাকসুতে মোট ২৫টি পদের মধ্যে জিএস-এজিএসসহ ২৩টি পদে জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সরকার সমর্থক ছাত্রলীগ। তবে ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদকের পদে জিতে যান সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের দুই নেতা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার এই নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও ভোটের দিন থেকে শুরু হয় অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন। শেষ হওয়ার আগেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয় বাম সংগঠনগুলোর জোট, ছাত্রদল, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দুই মোর্চা স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ ও স্বতন্ত্র জোট এবং ছাত্র ফেডারেশন।
প্রশ্নবিদ্ধ ওই ভোটের পর ডাকসু ভোট বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালিত হতে থাকে। সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে অনশনেও বসেন শিক্ষার্থীরা, অনিয়ম খতিয়ে দেখা ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাসে এই কর্মসূচি থেকে সরে আসেন তারা। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর ছাত্রলীগ কয়েক দফা হামলা করে। সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর ভিপি নুরুল হক ও তাঁর সহযোগীদের ডাকসুর কক্ষে আলো নিভিয়ে বেদম পেটান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের কর্মীরা। এ নিয়ে এখন ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।
উন্নয়ন কাজের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন : বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের টাকার ভাগ ছাত্রলীগকে দেয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভিসির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গত ২৩ আগস্ট শুরু হওয়া এ আন্দোলন ২ অক্টোবর মোড় নেয় ভিসিকে অপসারণের দাবিতে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পরে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই নির্দেশনাকে উপেক্ষা করেই আন্দোলন চলতে থাকে জাহাঙ্গীরনগরে। একারণে গত ৫ নভেম্বর থেকৈ ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম।
রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস ছাড়া শেমুবিপ্রবি ভিসি : ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া নিয়ে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ডেইলি সানের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফাতেমা তুজ জিনিয়াকে এক সেমিস্টারের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে ভিসির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, নারী কেলেঙ্কারি, স্বেচ্ছাচারিতা, কথায় কথায় বহিষ্কারসহ নানা অভিযোগ এনে পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। টানা আন্দোলনের মুখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করে রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। এখন দুদক তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে।
পাবিপ্রবি ভিসির ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ : গত ২৪ অক্টোবর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার নিয়োগে ভিসি রোস্তম আলীর ৮ লাখ ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, অবকাঠামো নির্মানে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশন আদায়সহ বেশ কয়েকটি অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন সেখানকার শিক্ষার্থীরা। ভিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনিক ভবনের অবকাঠামো নির্মানে ঠিকাদারের কাছ থেকে অধিক হারে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা। এরই মধ্যে নিয়োগে ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর শুরু হয় আন্দোলন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোনালাপ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা লঙ্ঘন করে নিয়োগের ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে লেকচারার পদে চাকরি না পাওয়া স্বর্ণপদকধারী নুরুল হুদা নামের এক ছাত্রের স্ত্রীর সঙ্গে প্রো-ভিসি চৌধুরী মো. জাকারিয়ার টাকা-পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত ফোনালাপও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির একটি বক্তব্য নিয়েও আন্দোলন হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিদায় নিতে বাধ্য : শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু সমঝোতার পথে না হেঁটে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে বসেন ভিসি। এর পর থেকে তাকে অপসারণের দাবিতে টানা আন্দোলন হয় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। এক মাসেরও বেশি সময় ছাত্র আন্দোলনের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এসএম ইমামুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম থেকে ছুটি নেন। আন্দোলন স্তিমিত করতে ২৮ মার্চ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে হল ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল শিক্ষার্থীদের। কিন্তু এর পরও আন্দোলন বন্ধ করতে পারেনি প্রশাসন। পরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিনকে নিয়োগ দেয়া হয়।
সিলেট ভিসির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ : সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধেও ইউজিসি অনুমোদন না করা সত্তে¡ও ৫ কোটি টাকায় ঢাকায় লিয়াজোঁ অফিসের নামে ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ উঠে। এর চেয়ে বড় অভিযোগ, নিজস্ব ফ্ল্যাট থাকার পরও ভাড়া কাটা হচ্ছে লিয়াজোঁ অফিসের নামে। এছাড়া আছে বিনা টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকার এসি কেনা ও নিয়োগ যোগ্যতা প‚রণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নিয়োগের অভিযোগ। ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও এডহক ভিত্তিতে অসংখ্য নিয়োগ দেয়া হয়।
কুয়েট : খেলার মাঠে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের জের ধরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : প্রথম বর্ষে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের হলে অবস্থান, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি না করা এবং বিতর্কিত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত না রাখার দাবিতে আন্দোলনে নামে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বেশির ভাগ সময় ক্যাম্পাসে না থাকা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা আছে।
গত ১৩ জুন থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চলেছে নিয়মিত ভিসি ছাড়াই। ফলে তখন গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত আটকে গিয়েছিল। পরে গত ৩ নভেম্বর প্রো-ভিসি শিরীণ আখতারকে নিয়মিত ভিসি হিসেবে নিয়োগ দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন হয়েছে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, আমরা চাই না একে অপরের দ্বিমত প্রকাশের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হোক। সবার নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে যেন কেউ আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। অচলাবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্বশাসিত, সেখানে নিজস্ব প্রশাসন আছে, মহামান্য প্রেসিডেন্ট ভিসি নিয়োগ দেন, সিন্ডিকেট আছে সেখানকার বডিগুলো ভিন্ন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি হস্তক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে করি না। সেখানে কোনও ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া সরাসরি হস্তক্ষেপ করব, আইনি কাঠামোতে সেটা সম্ভব নয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির আইনি কাঠামোর মধ্য থেকেই আমাদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।##



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডাকসু

১৪ মার্চ, ২০২০
২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন