Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ আশ্বিন ১৪২৭, ০৩ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

পারস্য উপসাগরে ব্রিটিশ নৌবাহিনী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০৫ এএম

ইরানের শীর্ষ জেনারেল ও কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে ব্রিটেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ’র খবরে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে নিজেদের জাহাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সেখানে রয়্যাল নেভি মোতায়েন করা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস ইরানি জেনারেলকে হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছেন। ইরাকে ইরান সমর্থিত মিলিশিয়াদের হামলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গত কয়েক মাস ধরে ইরাকে মার্কিন সেনারা বারবার হামলার মুখে পড়েছে। প্রতিবেশী ও ইরানের শত্রু রাষ্ট্রে ছায়াযুদ্ধ পরিচালনার মূল ব্যক্তি ছিলেন জেনারেল সোলাইমানি। আন্তর্জাতিক আইনে নিজেদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। সোলাইমানির মৃত্যুতে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালীতে রয়্যাল নেভি মোতায়েন করতে যাচ্ছে ব্রিটেন। ইরানের পাল্টাঘাত থেকে ব্রিটিশ পতাকাবাহী জাহাজকে সুরক্ষিত রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নভেম্বর থেকে হরমুজ প্রণালীতে টহল দিচ্ছে না রয়্যাল নেভি। এর আগে ইরান ও ইরাকের সামরিক কমান্ডাররা নিহত হওয়ার পর ওই দুই দেশে ব্রিটিশ নাগরিকদের ভ্রমণে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা মারাত্মক বৃদ্ধি পাওয়ায় ইরাকে কুর্দি অঞ্চল বাদে অন্যান্য এলাকায় ব্রিটিশ জনগণকে ভ্রমণ না করার অনুরোধ করছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতর। একই সঙ্গে ইরানে অতি প্রয়োজনে ভ্রমণ করলেও খুবই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’ উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রকেট হামলা চালিয়ে ইরানের সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরানের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল মুহানদিসকে হত্যা করা হয়। এই হামলার প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে তেহরান। দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টেলিগ্রাফ।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ব্রিটিশ নৌবাহিনী
আরও পড়ুন