Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৭ মাঘ ১৪২৭, ০৭ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : প্রতিষ্ঠিত কোনো সুদখোর বা ঘুষখোর যদি নামাজের ইমামতি করে, তার পেছনে নামাজ পড়া যাবে কি? এক্ষেত্রে কি করণীয়?

সুজন আলী
ই-মেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১১ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:২৫ পিএম

উত্তর : শরীয়তে ওয়াজিব হুকুম তরককারী কিংবা কোনো হারাম কাজ সম্পাদনকারী, বিশেষভাবে যদি মুসল্লীদের মধ্যে তার এ প্রবণতা প্রসিদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তাকে ইমামতিতে না দেওয়াই উত্তম। জেনে শুনে এমন ব্যক্তির ইমামতিতে নামাজ পড়া মাকরুহ। যদি অধিকাংশ মুসল্লী এ ব্যক্তির দোষত্রুটি না জানে তাহলে তাদের নামাজ পড়তে কোনা অসুবিধা নেই। যারা জানেন, আর কোনোরূপ ফেতনা ছাড়া তাকে নামাজ পড়ানো থেকে বিরত রাখতে পারেন। তারা এর পেছনে নামাজ পড়বেন না। যদি এমন ব্যক্তি ইমাম হয়েই যান, তাহলে একান্ত ইচ্ছা করলে কেউ তার পেছনে নামাজ নাও পড়তে পারেন। না জানা অবস্থায় কিংবা শৃংখলার খাতিরে, অপরাগ অবস্থায় যে কেউ তার পেছনে নামাজ পড়লে নামাজ হয়ে যাবে।

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি একটা মসজীদে থাকি। সেখানে মক্তবের ছেলেমেয়েদেরকে পড়ানোর জন্য আমি একটা ব্ল্যাকবোর্ড কিনতে চেয়েছিলাম। সেজন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা চাঁদা তুলি এবং বাকি টাকা আমার থেকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি ওই টাকাটা খরচ করে ফেলি। এবং এখন আর ব্ল্যাকবোর্ড কিনার প্রয়োজনও নাই। এটা আরো ৪-৫ বছর আগের কথা। আমি যাদের কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম তারা এখন আর মসজীদে পড়ে না। এবং আমার সঠিকভাবে মনেও নাই কার কার কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম। এখন আমি সেই টাকাটা কী করবো?

উত্তর : আপনার এটি একটি সমস্যা। কারণ যে জন্য টাকা তুলেছিলেন, সেটি না হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত ছিল। এখন যদি আপনি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ