Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬, ০১ রজব ১৪৪১ হিজরী

মার্কিন সেনারা আশ্রয় নেয় বাঙ্কারে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ এএম

ইরাকের আল আসাদ বিমানঘাঁটিতে হামলা শুরুর আগেই মার্কিন সেনারা জানতে পারে। গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) ইরান হামলা চালাবে জানতে পারলেও তার প্রকৃতি কেমন হবে সেসম্পর্কে ধারণা ছিলো না তাদের। সেকারণে হামলা শুরুর আড়াই ঘণ্টা আগে বিমানঘাঁটির ভ‚গর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান নেয় সেনারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিনিধি ওই বিমানঘাঁটি ঘুরে এসে ইরানি হামলার ভয়াবহতার বিবরণ দিয়েছেন। গত ৩ জানুয়ারি স্থানীয় সময় রাত দেড়টায় ইরাকের আল আসাদ বিমানঘাঁটিতে আঘাত করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। প্রথম ধাপে চারটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের আড়াইঘণ্টা আগে রাত ১১টার মধ্যেই বেশিরভাগ সেনা হয় বাঙ্কারে অবস্থান নেয়, নয়তো ঘাঁটির বাইরে বেরিয়ে যায়। চরম প্রতিশোধ হিসেবে চালানো ওই ইরানি হামলা প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আল আসাদ বিমানঘাঁটির যেসব এলাকায় মার্কিন সেনা অবস্থান রয়েছে শুধুমাত্র সেসব স্থানেই হামলা চালানো হয়। ঘাঁটিটির এক চতুর্থাংশ এলাকায় মার্কিন সেনাদের অবস্থান রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, বাঙ্কারের মাত্র কয়েক মিটার দ‚রে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার সময়েও কোনও কোনও জরুরি কর্মী বাইরে থেকে গিয়েছিল। তারপরেও ইরানি হামলায় কেউ হতাহত না হওয়াটা এক আশ্চর্য ঘটনা। আরবের এক ক‚টনীতিক সিএনএনকে জানিয়েছেন, মার্কিন অবস্থানে হামলা চালানোর আগেই ইরাককে সতর্ক করে দেয় ইরানি কর্মকর্তারা। তবে কোন কোন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হবে তা জানায়নি তারা। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আল আসাদ বিমানঘাঁটিতে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত করে রাত একটা ৩৪ মিনিটে। পরে হামলা শুরুর আগে প্রায় ১৫ মিনিট বিরতি দেওয়া হয়। এছাড়া আরও দুই দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আল আসাদ বিমানঘাঁটি সফর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সফরে মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখানে আসতে পেরে আমরা খুবই নিরাপদ বোধ করছি। পরের বছর ঘাঁটিটি সফর করে দেড়শো কর্মীকে থ্যাঙ্কসগিভিং ডে’র শুভেচ্ছা জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। সিএনএন, রয়টার্স।



 

Show all comments
  • Jahangir Alom Ansary ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১১ এএম says : 0
    সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলার আড়াই ঘণ্টা আগে বাঙ্কারে আশ্রয় নেয় মার্কিন সেনারা। ঘাটির ভবনগুলো ধ্বংসের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সিএনএন। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম কোনো মার্কিন সেনা নিহত হয়নি। কিন্তু, হামলার ভয়ে বাঙ্কারে ঢুকে যাওয়াতো মার্কিন সেনাদের বড় অসহায়ত্বের প্রকাশ। এখন বড় প্রশ্ন হলো-ইরানের হামলা ঠেকানোর মতো কোনো অত্যাধুনিক অস্ত্র কি মার্কিন সেনাদের নেই? তাহলে ট্রাম্প কি বাধ্য হয়েই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন?
    Total Reply(0) Reply
  • Mokbul Hossain ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১১ এএম says : 0
    এটা আরেকটা বাটপারি তথ্য। আড়াই ঘন্টা নয়, ১২ ঘন্টা আগেই ইরাকি সৈনিকদেরকে ঘাটি থেকে এক মাইল দূরে সরে যেতে বলা হয়েছিল। তা তো স্পস্ট ইংগিত । বাকি এভিডেন্সগুলি এবার নেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Mokbul Hossain ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১২ এএম says : 0
    বিখ্যাত ইহুদী পত্রিকা হারেতজ এর সাংবাদিক এর টুইট! ওনি দাবী করেছেন, ক্লিনিকের মালিকের সাথে কথা বলে আহতদের সংখ্যা নিশ্চিত হয়েই ক্লিনিকের ঠিকানা এবং আহত সৈন্যের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • মোহাম্মদ কাজী নুর আলম ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১২ এএম says : 0
    সিএনএসের এই বার্তা সঠিক হলে ১. মার্কিন সেনাবাহিনীকে ভীরু ও পলাতক সেনাবাহিনী বলা ছাড়া উপায় কি? কেননা, ইরানী হামলার দুই ঘণ্টা আগে হামলার খবর জানতে পেরেও তা প্রতিরোধের নূন্যতম চেষ্টা না করে কাপুরুষের মতো বাঙ্কারে পলায়ন করেছে তারা। ২. ইরানকে মার্কিন সেনাবাহিনী কতোটা ভয় পায় এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তা প্রকাশ পেয়েছে। অথবা ৩. সরকারী সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় তাদের কাছে কোনো গত্যন্তর ছিলো না।
    Total Reply(0) Reply
  • Sirajul Islam ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 0
    এমন একটা ঘটনা ঘটছে সেখানে সরকারি সিদ্ধান্ত থাকে না...সেটা কী কোনো যুক্তির কথা?? এই সেনা দিয়ে আমেরিকা যুদ্ধ করবে!!! ইরানি হামলা প্রতিহত করার কোনো উপায় ছিল না বলেই এই অবস্থা। এ ঘটনার পর ইসরাইল অনেক বড় টেনশনে। মর্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মডেলের ওপর ভিত্তি করেই ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। ইসরাইলের DEBKAFILE জানিয়েছে, মার্কিন সেনাদের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় ত্রুটি ছিল অথবা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রকে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করতে পারে নি অথবা এর দুটোই।
    Total Reply(0) Reply
  • Tareque Shamsur Rehman ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 0
    I think it was well known to both of the parties involved ! Conspiracy theory ! Where was the Anti Missile equipment ?
    Total Reply(0) Reply
  • Md Sohel ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 0
    এটা হয়তো আল্লাহ পাকের রহমত আল্লাহ কাফেরদের মনে ভীতি সৃষ্টি করে দেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Rezaul Hasan ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১:১৩ এএম says : 0
    এটাই ছিল তাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া।"আমি দাঁড়াইয়া যাব, আপনি আমারে বসাইয়া দিবেন; সবাই মনে করব আমাদের মধ্যে কোন ভাব নাই" অনেকটা এইরকম টাইপের।।
    Total Reply(1) Reply
    • tictoc ১৪ জানুয়ারি, ২০২০, ১:৩৯ এএম says : 0
      iran and usa are secrete alies.
  • Md. Abdur Razzak ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ১০:২৩ এএম says : 0
    It is False news, More than 80 US army killed by that attack and 200 US army injured. CNN bishes technique kore sotto lukacche.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মার্কিন

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ