Inqilab Logo

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

শাওমি এই প্রথম বাংলাদেশে আয়োজন করলো মি পপ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:৫০ পিএম

গ্লোবাল টেকনোলজি লিডার শাওমি, গত ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উদযাপন করেছে মি পপ। মি পপ হচ্ছে শাওমির একটি বিশেষ অনুষ্ঠান, যেখানে সারা দেশের মি ফ্যানরা শাওমির কর্মকর্তাদের সাথে একত্রিত হয়ে আনন্দ উৎসবে মাধ্যমে একটি দিন উৎযাপন করে। শাওমি ২০১২ সাল থেকে সাড়াবিশ্বে এই ইভেন্টটি আয়োজন করে আসছে।

এই অনুষ্ঠানে শাওমির উচ্ছ্বাসিত মি ফ্যানরা শাওমি দলের সাথে বেশ কিছু কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করে। যেখানে মি ফ্যানরা তাদের কার্য়ক্রম সর্স্পকে আলোচনাসহ কুইজ থেকে শুরু করে লাকি ড্র-এর মত কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করে থাকে যা থেকে মি ফ্যানরা শাওমির বিভিন্ন পণ্য সহ আরো অনেক আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ পেয়ে থাকে। শাওমির এই মেগা ইভেন্টে মি কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য শাওমির পক্ষ থেকে মি ফ্যানদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

দর্শনীয় এই সন্ধ্যাকে আরো আকর্ষনীয় করে তুলেছিলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী-গীতিকার তানজির তুহিনের গান। তুহিনের পাখি এবং বন্ধ জানালা গানগুলো শুনে মি ফ্যানরাসহ পুরো অনুষ্ঠানের দর্শক যেন আনন্দ ও উল্লাসে মেতে ওঠে।

উচ্ছ্বাসিত একটি দল হচ্ছে মি ফ্যানরা, যারা শাওমির ব্র্যান্ডের প্রতি নিবিড়ভাবে অনুগত এবং সক্রিয়ভাবে কোম্পানির পণ্য উন্নয়নে অবদান রাখে। বর্তমানে বাংলাদেশে মি কমিউনিটিটির প্রায় এক লাখেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে। যারা দেশের মধ্যে শাওমিকে অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে তৈরি করা জন্য একটি শক্তিশালী কমিউনিটি হিসেবে কাজ করছে। শাওমি তাদের মি ফ্যানদের জন্য অনলাইন এবং অফলাইনে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যার মাধ্যমে মি ফ্যানরা শাওমির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারে এবং অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, ফ্যান মিট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টগুলিতে অংশ নিতে পারে। অফিসিয়াল ভাবে বাংলাদেশে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মি ফ্যান ক্লাব রয়েছে এবং শীঘ্রই অন্যান্য শহরে মি ফ্যান ক্লাব করার জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়া উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা আমাদের মি ফ্যানদের জন্য এই প্রথম বাংলাদেশে মি পপ আনতে পেরে খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ্বাসিত। মি ফ্যানরা আমাদের ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়েছে এবং তাদের সার্বক্ষণিক সমর্থন ও মূল্যবান প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হতে উলেবলখযোগ্য অবদান রেখেছেন তারা। এধরনের অনুষ্ঠানগুলো তাদের সাথে একত্রিত হওয়ার জন্য আমাদের জন্য দুর্দান্ত সুযোগ। তারা আমাদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা প্রকাশ করার জন্যই আমাদের এই মি পপ এর মতো আয়োজন যা অত্যন্ত সফল হয়েছে বলেই আমি মনে করি। আমরা আমাদের ৫ শতাধিক মি ফ্যানকে ধন্যবাদ জানাই, যারা মি পপ এ অংশ নিয়েছিলেন এবং এই অনুষ্ঠানকে সফল করেছেন”।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শাওমি

২৫ অক্টোবর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন

ঘরে বসেই হবে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ

img_img-1635055783

ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ এখন অনলাইনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ  করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল। বাসায় বসেই নেয়া যাবে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সেবাও। আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজতর করতে ডিজিট্যাক্স নামক এমন একটি ওয়েব অ্যাপলিকেশন নিয়ে এসেছে দেশ ইউনিভার্সেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান। শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের এ অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপলিকেশনটি উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় পেশাধার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সেক্রেটারি এসএম রাশিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ডিজিট্যাক্সের মূল ফিচার বর্ননা করে প্রতিষ্ঠানটির টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন লেভেলের টেক্স পেয়ার রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশন এর নিয়মাবলী ও আইন কানুন যথাযথভাবে জানেন না। ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাতে ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন সে ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি। আমাদের সিস্টেমে রয়েছে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে, বাংলা ভাষায়ও সফটওয়ারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে। করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ডিজিট্যাক্সের সিস্টেমটি এনবিআরের সাথে ইন্টিগ্রেট করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের মাধ্যমেই করদাতারা অনলাইনে তার রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। এতে করে মেনুয়াল পেপার বেইজ সাবমিশন প্রয়োজন হবে না এবং সরকারও ডাটা এন্ট্রি ছাড়াই রিয়েল টাইম আপডেট পাবে বলে জানান তিনি। করদাতার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সেইভ করে রেখে যেকোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন। তিনি বলেন, সরকার একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আয়করের আওতায় আনার জন্য এরইমধ্যে অনেক ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের সাথে ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে আমরা এই সফটওয়্যার টি ডেভলপ করেছি। ভবিষ্যতে সরকারের সাথে ইন্টিগ্রেটেড হয়ে একসাথে কাজ করতে পারবো এটাই আমাদের লক্ষ। আয়কর আইনজীবিরাও এর মাধ্যমে তাদের ক্লায়েন্টদের কর সেবা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। অ্যাপলিকেশনটি উদ্ভোধন করে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে করসেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই। এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছি। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্সের এগিয়ে আসা কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরো সহজতর হবে। তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিজিট্যাক্সের এডভাইজার ও দেশ ইউনিভা্র্সেল নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা বলেন, ডিজিট্যাক্স একটি স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিটার্ন ফরম পূরণের ওয়েব অ্যাপলিকেশন। রেজিট্রেশন করার পর করদাতা তার আয়ের তথ্য দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর গণনা হয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ