Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা বিরতি কেন, প্রশ্ন তামীমের

প্রকাশের সময় : ৩০ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে তিন ভার্সনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক তামীম। প্রতিটি ভার্সনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসও তার। ক্যারিয়ারে এক দশকের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পেরিয়ে যে উচ্চতায় নিজেকে দেখতে চেয়েছিলেন, সেই অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছুঁতে পারেননি তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ম্যাচের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় বলেই ওয়ানডেতে দেশের প্রথম ৫ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদে অপেক্ষা করতে হচ্ছে এই বাঁ হাতি ওপেনারকে। ওয়ানডেতে ১০ হাজারী ক্লাবের সদস্য পদের লক্ষ্যটা এখনও আছে তার। তবে পর্যাপ্ত টেস্ট খেলার সুযোগ না পাওয়ায় টেস্টে ১০ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদ এখন নিজের কাছেই কল্পিত মনে হচ্ছে তামীমের। ২০১৫ সালে অন্য এক তামীমকে দেখেছে বিশ্ব। খুলনা টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ইনডিভিজ্যুয়াল ২০৬ রানের ক্লাসিক ইনিংস কিংবা এ বছর টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিয়েও উল্লসিত নন তামীম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা বিরতিতে হতাশ তামীম।
গত বছর যেখানে মার্চ থেকে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততায় কেটেছে বাংলাদেশ দলের, সে বছর ৫ টেস্ট, ১৮ ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ দল, সেখানে ফর্মের তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশ দল এ বছর এখন পর্যন্ত ৬ মাস কেটে গেলেও কোন টেস্ট কিংবা ওয়ানডে খেলতে পারেনি! জিম্বাবুয়ের সঙ্গে জানুয়ারীতে এফটিপিতে থাকা তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ পর্যন্ত ক্রিকেট ক্যালেন্ডার থেকে গেছে হারিয়ে। মার্চে টি-২০ বিশ্বকাপ মিশন শেষ করার পর টানা তিন মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটহীন কেটেছে বাংলাদেশ দলের! আগামী অক্টোবরের আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার কোন সুযোগ নেই বাংলাদেশের। টেস্টে প্রতিদ্ব›দ্বী দলে আত্মপ্রকাশ এবং ওয়ানডেতে সেরাদের কাতারে উঠে আসার পরও কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা লম্বা বিরতি কাটাবে বাংলাদেশ দল? এখানেই প্রশ্ন তামীমের। ক্রিকইনফোকে দেয়া সাক্ষাতকারে সে আক্ষেপের কথাই জানিয়েছেন তামীমÑ ‘এতো চমৎকার একটা মৌসুম শেষে ছয় মাস আমরা ক্রিকেট খেলছি না। এটা অবশ্যই আমাদের ক্রিকেটকে ক্ষতি করবে। সবার আমাদের বিপক্ষে খেলার আগ্রহ দেখানোর প্রয়োজন, সেখানে আমরা সাইডলাইনে বসে আছি। জানি না ছয় মাস পর আমরা কেমন ক্রিকেট খেলবো। জিম্বাবুয়ে ছাড়া আর কোন দল এতো দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে কাটায় না।’
স্বপ্নের মত কাটানো ২০১৫ সালের পর ২০১৬ সালে লম্বা বিরতিতে হতাশ তামীমÑ ‘ছয় মাস বসে থাকা কোনভাবেই সঠিক বিচার নয়। পাঁচ বছর আগের অবস্থানে আমরা থাকলে হয়তবা আগে থেকেই ম্যাচের ফলাফল বলে দেয়া যেত, তখন না হয় মেনে নিতাম। কিন্তু এতো ভালো পারফর্ম করার পর তারা আমাদের বিপক্ষে খেলতে কেন চায় না, তা বোধগম্য নয়। যে কোন বড় দলও যদি ছয় মাস বসে থাকে, তাহলে তারাও যেভাবে খেলছিল সেভাবে খেলতে পারবে না।’ টি-২০ বিশ্বকাপের বছরে শুধুই গুরুত্ব পেয়েছে সংক্ষিপ্ত ভার্সনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ খেলেছে ১৬টি টি-২০। তারপরও তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে পারছেন না তামীম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা বিরতি কেন
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ