Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ০২ রজব ১৪৪১ হিজরী

করোনাভাইরাস ঠেকাও

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিরোধ প্রস্তুতি

হাসান সোহেল | প্রকাশের সময় : ২৮ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ এএম

চীনের উহান শহর থেকে সংক্রমিত নতুন (২০১৯-হঈড়ঠ) করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরই অংশ হিসাবে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে বিশেষ করে আটটি বিভাগের সকল জেলাসদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কমপক্ষে ৫ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হচ্ছে। তিনটি বিমানবন্দর, দুটি সমুদ্রবন্দরসহ দেশের ২৪টি প্রবেশপথে নেয়া হয়েছে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা, খোলা হয়েছে হলেথ ডেস্ক। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইতিমধ্যে চীন ফেরত ২ হাজার ৪৭০ জন যাত্রীকে স্ক্যান করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া আজ সচিবালয়ে চীন ভ্রমনসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য একটি আন্ত:মন্ত্রনালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নির্দেশে দেশের সব হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট চালু করতে গত রোববার রাতেই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষ থেকে বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনসদের সঙ্গে নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সব ধরনের নির্দেশনা দিয়েছি। স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ বিশেষ করে মাস্ক, টুপি, হ্যান্ড গ্লোবস, চশমা, এ্যপ্রোন, রেইনকোর্ট ইত্যাদি প্রয়োজন মতো সংগ্রহে রাখতে বলেছি। দেশে নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া না গেলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রোববার রাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এই রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়। আমরা দেরি না করে, সেগুলো সব সিভিলসর্জনদের এবং বিভাগীয় পরিচালকদের পাঠিয়েছি এবং ওইসব নির্দেশনা মেনে বিভাগীয় ও জলো পর্যায়ের কর্মরত চিকিৎকদের প্রশিক্ষণ দিতে নির্দেশনা প্রদান করেছি। পাশপাশি তিনটি বিমান, দুটি সমুদ্র বন্দরসহ দেশের ২৪টি প্রবেশপথে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও স্বাস্থ্য কর্মীসহ হেলথ ডেক্স স্থাপনে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। স্থলবন্দরে আপাতত বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের হেলথ কার্ডের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর পরিমাপের মাধ্যমে নজরদারীতে রাখতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ‘হেলথ ইমার্জেন্স অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম’ ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, ২৭ জানুয়ারি বেলা ১২টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার ও হ্যান্ড স্ক্যানিং মেশিনের মাধ্যমে দুই হাজার ৪৭০ জন যাত্রীকে স্ক্যান করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত দেশে কোনো ২০১৯-হঈড়ঠ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি।
এদিকে চীনে ভ্রমন সংক্রান্ত কোন নিষেধজ্ঞা আরোপ করা হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আন্ত:মন্ত্রনালয় বৈঠক হবে আজ। এরআগে গত রোববার এ রোগ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের একটি সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এই বৈঠক করতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুসারে আজ বলো ১২টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
করোনাভাইরাসে মৃত ৮১ আক্রান্ত পৌনে তিন হাজার : গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলের উহান শহরে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর আসে। এরপর এই ভাইরাস চীনের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি ইতোমধ্যে বিশ্বের এক অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে ৮০ জন প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আরও দুই হাজার ৭৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত রোববার পর্যন্ত এই সংখ্যাটি ছিল ১ হাজার ৯৭৫ জন। চীনের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত তিন শতাধিক মানুষ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছে। চীনের হুবেই প্রদেশে ৫০ হাজারের বেশি মেডিকেল স্টাফ এই ভাইরাস প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসায় অংশ নিয়েছেন। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়া রোধে চন্দ্র নববর্ষের ছুটি বৃদ্ধি করেছে দেশটি। পাশাপাশি বেশ কিছু বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে অথবা কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করতে বলেছে সরকার। সোমবার দেশটিতে এ ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮১ জনে দাঁড়িয়েছে- বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং নতুন করোনাভাইরাসের উৎসস্থল হিসাবে চিহ্নিত মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ হুবেইয়ের রাজধানী উহান পরিদর্শন করেছেন। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে উহান পরিদর্শনে যাওয়া সবচেয়ে সিনিয়র নেতা লি। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দুই হাজার ৭৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে সোমবার নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেক হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। ফ্লু-জাতীয় এই ভাইরাসটির সংক্রমণে হুবেইতে ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত বাকি পাঁচ জন চীনের অন্যান্য অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন। তাদের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ হাইনানের এক বাসিন্দা রয়েছেন। নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যুর কথা সোমবার নিশ্চিত করেছে প্রদেশটির কর্তৃপক্ষ।
নতুন এ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে চীন শাসিত হংকং আট জনের আক্রান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। বিগত ১৪ দিনের মধ্যে যারা হুবেই গিয়েছেন তাদের হংকং প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে নগরটির স্থানীয় সরকার। তবে হংকংয়ের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না বলে জানিয়েছে। চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া নতুন করোনাভাইরাসটি ইতোমধ্যেই সে দেশের রাজধানী বেইজিংসহ ২৯টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশপাশি গত কয়েকদিনে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাস চীনের সীমানা ছাড়িয়ে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।
ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে চীন সরকার নববর্ষের সপ্তাহব্যাপী ছুটি তিন দিন বাড়িয়ে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে। নববর্ষের ছুটিতে চীনজুড়ে উৎসব ও ভ্রমণের ধুম পড়ে যায়। কোটি কোটি লোক ভ্রমণে বেরিয়ে পড়ে। তবে ভাইরাসের আতঙ্কে এবার তাদের অনেকেই পরিকল্পনা বাতিল করে ঘরে বসে আছেন। সরকারও বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠান বাতিল, সীমিত করে এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। বিমান চলাচল, ট্রেন ও অন্যান্য গণপরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে উহান কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। চীনের অন্য কয়েকটি শহরেও চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সোমবার থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত উহানের ভিসা ও পাসপোর্ট সেবা বন্ধ থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে এসব বিধিনিষেধ সত্তে¡ও শহরটির এক কোটি ১০ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৫০ লাখ ছুটি ও অন্যান্য কারণে শহর ত্যাগ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে উহানের মেয়র।
আগ্রহী বাংলাদেশীদের চীন থেকে ফেরানো হবে : চীনে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে সেদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সোমবার এক ফেইসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, আগ্রহীদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিক যারা চীন থেকে ফিরতে চাইবেন তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার জন্য, পোস্টে লিখেছেন শাহরিয়ার আলম। চীন সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, ‘কি প্রক্রিয়ায় এটি করা হবে তা বাস্তবতার নিরিখে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সম্মতির ভিত্তিতে করা হবে। চীন থেকে দেশে ফিরতে আগ্রহীদের তালিকা করতে সোমবার একটি প্রাথমিক নির্দেশনা জারি করা হবে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। চীনের যে শহর থেকে প্রাণঘাতি এ ভাইরাস ছড়িয়েছে সেই উহানেই ৩০০ থেকে ৪০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে গত শনিবার বাংলাশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। তবে এখনো বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস একটি হটলাইন চালু করেছে। শিক্ষার্থী ও গবেষকরা সপ্তাহের সাতদিন হটলাইনের +৮৬ ১৭৮-০১১১-৬০০৫ নম্বরে ফোন করে চব্বিশ ঘণ্টা সহায়তা নিতে পারবেন বলে জানানো হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
কলকাতায় করোনা সংক্রমিত রোগীর সন্ধান : এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কয়েকটি দেশ সফর শেষে কলকাতায় ফেরা ওই চীনা নারীকে রোববার রাতে বেলেঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ২৪ ঘণ্টার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ জানায়, জো হুয়ামিন নামের ২৮ বছর বয়সী ওই নারী ছয় মাস আগে ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। নামিবিয়া, মরিসাস, মাদাগাস্কার হয়ে গত ২৪ জানুয়ারি ভারতে ফেরেন তিনি। এরপরই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার রাতে ওই হাসপাতাল থেকে তাকে বেলেঘাটা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ইতিপূর্বে ভারতের অন্য চারটি রাজ্যে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গে জো হুয়ামিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী।
করোনা আতঙ্কে বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে দিল ভারত : দুই মাস আগে চীন ভ্রমণ করায় শওকত আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে ভিসা থাকা সত্তে¡ ভারতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। করোনাভাইরাস আতঙ্কে গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে আগরতলা ইমিগ্রেশন থেকে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তার পাসপোর্ট নাম্বার (ইঔ০৯২৮০৪৯) ও ভারতীয় ভিসা নম্বর (ঠখ৫৩২৫০২)। যদিও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার শরীরে নতুন করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। শওকত আহমেদ জানান, এক সপ্তাহ ভ্রমণ শেষে গত নভেম্বর মাসের শেষ দিকে চীন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। কেনাকাটা ও বেড়ানোর জন্য গতকাল সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন শওকত। এরপর পাসপোর্টে চীনের ভিসা দেখতে পেয়ে আগরতলা ইমিগ্রেশনে তাকে আটকে দেয়া হয়। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে বলেন, চীনে করোনাভাইসারের ছড়িয়ে পড়েছে। আপনি মাত্র দুই মাস আগে চীন ভ্রমণ করেছেন। সেজন্য আপনাকে ঢুকতে দেয়া যাবে না। আপনি এক মাস পরে আসেন। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোর্শেদুল হক জানান, শওকতের শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ নেই। চেকপোস্টে খোলা স্বাস্থ্য ডেস্কে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন। শুধুমাত্র চীন ভ্রমণের কারণেই তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।#



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনা

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ