Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

৩০ লাখ নেতাকর্মী ও অস্ত্র এনেছে আওয়ামী লীগ

সংবাদ সম্মেলনে ড. মোশাররফ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩১ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০২ এএম

আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ঢাকা শহরে ৩০ লাখ নেতাকর্মী ও অস্ত্র-শস্ত্র এনেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বহিরাগতদের ঢাকায় জড়ো করছে। তার এ বক্তব্য অত্যন্ত হাস্যকর। কে না জানে যে বিএনপির প্রার্থীরা, সাধারণ কর্মীরা তারা বাড়িতে থাকতে পারছে না পুলিশের বিভিন্ন ধরনের কর্মকাÐের কারণে। আমাদের পক্ষে বাইরে থেকে লোক আনা বা কোনো অস্ত্র-শস্ত্র যোগাড় করা-এটা অসম্ভব বিষয়। এটা আমাদের দ্বারা করা সম্ভবও নয়, এটা আমরা করিও নাই। জনগণ আমাদের সাথে আছে, জনগণই আমাদের শক্তি। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ এটা আসলে করছে। তারা বাইরে থেকে নেতা-কর্মীদের ঢাকা শহরে সয়লাব করে ফেলেছে, ৩০ লক্ষ নেতা-কর্মী ঢাকা শহরে এনেছে এবং অস্ত্র-শস্ত্রসহ এনেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা দক্ষিণে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের গোপীবাগের বাসায় বিএনপির ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্র্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আসতে আওয়ামী লীগের কর্মীরা সাহস পায় কারণ পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না। এই কাজটি তারা করেছে, এই কাজটি করবে বলেই আগে থেকে বিএনপির ওপরে দোষ চাপানোর জন্য ওবায়দুল কাদের সাহেব এই উদোর পিন্ডি বুঁদোর ঘাড়ে নেয়ার যে তাদের সবসময়ের অভ্যাস সেটা করার জন্য এই কথা উনি বলেছেন।
ড. মোশাররফ দক্ষিণ সিটিতে হামলা-মামলা, গ্রেফতারের কথা তুলে ধরে বলেন, কোন ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন থেকে নূন্যতম কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। উপরন্তু, আমাদের দলের প্রায় দুই শত দেনা-কর্মীর নামে উল্টা মামলা দিয়ে তাদেরকে বাসা-বাড়ি ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, একচোঁখা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের ন্যক্কারজনক আচরণ ও ভূমিকায় এই নির্বাচনকেও যদি গতানুগতিক প্রহসন ও কারচুপির নির্বাচনে পরিনত করা হয় তাহলে জনগণ তা বরদাশত করবে না। উদ্ভুত পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকার ও একচোঁখা নির্বাচন কমিশনকেই বহন করতে হবে।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, নিতাই রায় চৌধুরী, আবদুস সালাম, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, কাজী আবুল বাশার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সিটি করপোরেশন নির্বাচন

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন