Inqilab Logo

ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৮ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

হিমেল হাওয়ায় শীত তবে বাঘ পালায় না

শফিউল আলম | প্রকাশের সময় : ৩১ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম

মাঘ মাস এখন মাঝখানে। ঘোর শীতের সময়। তবে বাঘ পালানো কিংবা বাঘ কাঁপার মতো ‘স্বাভাবিক’ তীব্র নয়। মেঘলা আবহাওয়ার সঙ্গে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা হিমেল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এটি শীতের অনুভ‚তির বড় কারণ। এছাড়া সারাদেশে সার্বিকভাবে মাঘের শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। তবে পশ্চিমা লঘুচাপের সাথে আসা মেঘমালা আর পূবালী বায়ুর সংযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে গতকালসহ দুই দিন যাবৎ যে বিক্ষিপ্ত হালকা ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে তা কেটে গেলে শীত আরেক দফা কামড় বসাতে পারে।
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। পারদ কমে গিয়ে ফের বাড়তে পারে। মেঘলা হিমেল বাতাসের সঙ্গে ধূলিদূষণের কারণে সর্দি-কাশি, ভাইরাস জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পেটের পীড়ায় ভুগছেন অনেকেই। এবারের দীর্ঘতম শীতের কারণে রোগব্যাধির প্রকোপ ব্যাপক।
প্রায় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা মৌসুমের বর্তমান সময়ের স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রয়েছে। কুয়াশার ঘোর আপাতত কম। গতকাল (বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় পারদ সর্বোচ্চ ২৪.৯ এবং সর্বনিম্ন ১৬.১ ডিগ্রি সে.।
দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কক্সবাজারে ২৮.৮ ডিগ্রি সে.। চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২৫.৮ এবং সর্বনিম্ন ১৪.৮ ডিগ্রি সে.। গতকাল দেশের বেশিরভাগ এলাকায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ২২ থেকে ২৬ এবং ভোর বা সকালের পারদ ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সে.।
গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় মংলায় ৫ মিলিমিটার। এছাড়া চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বিক্ষিপ্ত গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে।
আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানা গেছে, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় বিক্ষিপ্ত-বিচ্ছিন্নভাবে হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল অবধি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
দেশের পশ্চিমাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকারই সম্ভাবনা।
পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় রাতের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। এ সময় দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরের ৫ দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক একটি লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজ করছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শীত

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৮ জানুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ