Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ২০ চৈত্র ১৪২৬, ০৮ শাবান ১৪৪১ হিজরী

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে মস্তিষ্কে ক্ষত সমস্যায় ১০৯ মার্কিন সেনা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৪৫ পিএম

গত ৮ই জানুয়ারিতে ইরাকে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আইন আল-আসাদ সামরিক ঘাঁটিতে চালানো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রেনে আঘাতপ্রাপ্ত মার্কিন সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বিলম্বে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
এর আগে পেন্টাগন থেকে বলা হয়েছিল ওই হামলায় আহত হয়েছেন ৬৪ জন। আর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে বলেছিলেন, কোনো মার্কিনিই আহত হননি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
উল্লেখ্য, ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে ইরাকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা জবাব দিতে ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। কাসেম সোলাইমানি হত্যাকে কেন্দ্র করে এ সময় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে।
যেকোনো সময় যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে এ আশঙ্কায় কাঁপতে থাকে মধ্যপ্রাচ্য। ঠিক এ সময় ৮ই জানুয়ারি ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এখন ওই হামলায় আহতের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে অনেক বেশি বলে স্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলছে, আহত ১০৯ জন বেশ দুর্ভোগ পোহান ব্রেনের ক্ষতে।
ওদিকে আহতদের শতকরা প্রায় ৭০ ভাগই যার যার দায়িত্বে ফিরে গেছেন। এক বিবৃতিতে একথা বলেছে পেন্টাগন। তবে এ বিষয়ে আরো বেশি বিস্তারিত জবাব চেয়েছেন রিপাবলিকান দলের জোনি আর্নস্ট। তিনি বলেছেন, দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের চিকিৎসায় একটি পরিকল্পনা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইরাকে বোমা হামলায় আহত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন যেসব সেনা কর্মকর্তা তাদের নিরাপত্তা ও দেখাশোনা নিশ্চিত করতে পেন্টাগনের প্রতি আহ্বান জানাই আমি।
“আইন আল-আসাদ সেনাঘাঁটিটি কৌশলগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখান থেকে ড্রোন উড্ডয়ন করা হয়”, যোগ করেছে সূত্র। ঘাঁটিটির ২০টিরও বেশি স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত হেনেছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। এতে বেশ কিছু ড্রোন ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
সূত্র বলছে, “যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকা সত্তে¡ও, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক্ষেত্রে কেনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি।”



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র


আরও
আরও পড়ুন