Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১ হিজরী

ঈদের আগে সাশ্রয়ে সন্তুষ্টির কেনাকাটা

প্রকাশের সময় : ৪ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ঃ সন্তুষ্টির কেনাকাটার জন্য ক্রেতাদের অন্যতম পছন্দ রাজধানীর চাঁদনীচক মার্কেট। ভালো মানের পণ্য, সাশ্রয়ী দাম এবং পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা থাকায় সকল শ্রেণীর ক্রেতারা ভিড় করেন এই মার্কেটে। নারীদের পোশাক ও পণ্যের আধিক্যের কারণে নারীরাই মূলত এই মার্কেটের ক্রেতা।
নিউ মার্কেটের বিপরীতে ও গাউছিয়া মার্কেটের পাশে দুইটি ভবনে চারতলাবিশিষ্ট চাঁদনীচক মার্কেটে দোকান সংখ্যা ৯৭৫টি। প্রথম ভবনের নিচতলায় স্বর্ণালঙ্কারের দোকান। এ ছাড়া জুতা ও প্রসাধনী সামগ্রীর কিছু দোকান রয়েছে। দোতলা ও তৃতীয় তলায় রয়েছে দেশী-বিদেশী কাপড় ও পণ্যের সমারোহ।
চতুর্থ তলায় থান কাপড়ের গোডাউন। চাঁদনীচকে দেশীয় পোশাকের আধিক্য থাকলেও ঈদের সময় ক্রেতাদের চাহিদার কথা ভেবে বিদেশী পোশাক ও পণ্য আমদানি করা হয় বলে জানান মিনহাজ বস্ত্র বিতানের কর্ণধার আফজাল করিম।
সরেজমিন চাঁদনীচক মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে থ্রি পিসের কাপড়। দেশীয় থ্রি পিসের কাপড়ের মধ্যে প্রিন্টের থ্রি পিসের দাম পড়বে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, বøক ও বাটিকের ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ডিজাইনকৃত থ্রি পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। বিদেশী পোশাকের মধ্যে ভারতীয় বুটিকস আইটেমের থ্রি পিস ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা এবং লন, ভয়েল ও শার্টিনের থ্রি পিস ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ঈদকেন্দ্রিক পোশাকের দোকানগুলোতেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বৃষ্টি বলেন, চাঁদনীচকে ভালো মান ও ডিজাইনের দেশী-বিদেশী পোশাকের বিপুল সংগ্রহের কারণে বাছাই করা যায় খুব সহজে। আর দামটাও সাধ্যের মধ্যে থাকায় সন্তুষ্টি নিয়ে বাসায় ফেরা যায়।
তবে চাঁদনীচকের স্বর্ণালঙ্কারের দোকানগুলোতে বিক্রি কমে গেছে বলে জানান স্বপন জুয়েলার্সের নির্বাহী পরিতোষ দাস। তিনি বলেন, স¤প্রতি কয়েক দফা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতারা স্বর্ণালঙ্কার কম নিচ্ছেন। স্বর্ণের কানের দুল, নাকফুলসহ কিছু পণ্য ভালো বিক্রি হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমা শাহীন বলেন, ঈদের সময় সাশ্রয়ী দামে ভালোমানের প্রসাধনী কিনতে এখানে আসা হয়। স্বর্ণের দাম অনেক বেশি হওয়ায় ইমিটেশনের পণ্যই বেশি কেনা হয়।
চাঁদনীচক মার্কেটের সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, আধুনিক ডিজাইন ও ভালোমানের দেশী-বিদেশী পণ্য কিনতে এই মার্কেটে আসেন ক্রেতারা। এ ছাড়া পণ্যের দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় সকল শ্রেণীর ক্রেতার সমাগম হয় এই মার্কেটে। আর পার্কিং ব্যবস্থা থাকায় অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের বাজার করতে আসেন এখানে। এ ছাড়া ক্রেতাদের কোনো ধরনের অভিযোগ থাকলে উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ