Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : আমি ফিলিপাইনের রাজধানীতে বসবাস করি। এখানে মুসলমানের সংখ্যা খুবই কম, তবে সব শহরেই মসজিদ আছে। এখানকার মুসলমানদের সুন্নাতের ওপর আমল অনেক কম। প্রশ্ন হলো, নামাজের নিষিদ্ধ কোনো সময় আছে কি? দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, হাদীসে পেয়েছি, মসজিদে প্রবেশের পর দু’রাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করার কথা। এখন জুমার দিন খুতবা চলাকালীন সময়ে কি ওই দু’রাকাত নামাজ পড়া যাবে?

শামছুল হাসান
ম্যানিলা, ফিলিপাইন

প্রকাশের সময় : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:২১ পিএম

উত্তর: সুন্নাতের ওপর সুযোগ মতো আমল করবেন। পরিবেশ ধীরে ধীরে তৈরি হবে। বাঁধা থাকলে হিকমতের সাথে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। নামাজের নিষিদ্ধ সময় অবশ্যই আছে। এক. সূর্য উঠতে থাকার সময়। দুই. সূর্য ঠিক মধ্য গগনে থাকার সময়। তিন. সূর্য ডুবতে থাকার সময়। এর ঘড়ির সময় স্থায়ী ক্যালেন্ডারে থাকে। দেখে নিবেন। এ ছাড়াও কিছু সময় এমন আছে, আমাদের সমাজে প্রচলিত ও গৃহীত সুন্নাহ অনুযায়ী তখন নামাজ পড়া ঠিক নয়। আপনি এসবও মেনে চলতে পারেন। যেমন, ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত। জুমার খুতবা চলাকালীন মসজিদের প্রবেশের নামাজ না পড়া উত্তম। কারণ নামাজটি নফল, খুতবা শোনা ওয়াজিব। খুতবা ছাড়া অন্য আলোচনার সময় ইচ্ছা করলে মূল মজলিসের আদব বজায় রেখে আশেপাশে নামাজ পড়া যায়। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৮ আগস্ট, ২০২০
২১ আগস্ট, ২০২০
১৪ আগস্ট, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ