Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭, ০৬ সফর ১৪৪২ হিজরী

ল্যাবএইড বেআইনীভাবে শপিংমলে হাসপাতাল বানাচ্ছে

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলের অভিযোগ

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলেরর দোকান কিনে হাসপাতাল বানাচ্ছে ল্যাবএইড। গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শপিংমলটির ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সানাউল হক নীরু।
তিনি বলেন, ২০০২ সালে কনকর্ড আর্কেডিয়া চালুর পর একে একে এর শতাধিক দোকান কিনে নেয় ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষ। কেনার পর মার্কেটের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় হাসপাতালের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করে তারা। রাজউকের নকশা অমান্য করে মার্কেটে হাসপাতাল বানাচ্ছে ল্যাবএইড। মার্কেটের বড় অংশ হাসপাতালে রূপান্তর এবং কিনে রাখা অনেক দোকান মাসের পর মাস বন্ধ রাখায় সেখানে কেনাকাটা করতে ক্রেতারা আগ্রহ হারাচ্ছেন। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। এভাবে ব্যবসায়ীদের বেকায়দার ফেলে বাকি দোকানগুলো কিনে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষ।

সানাউল হক বলেন, রাজউকের লে-আউট প্ল্যান ও ডেভেলপারের ঘোষণা অনুযায়ী শপিংমলটির একটি বেইজমেন্ট, নীচতলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনড মার্কেট এবং ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা অফিসের জন্য বরাদ্দ ছিল। শপিংমল চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে ২০৪টি দোকানের মধ্যে নীচতলার ৪১টি, দ্বিতীয় তলায় ২৪টি, ৩য় তলার ১২টি এবং ৪র্থ তলার ৩১টি দোকান এবং ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলায় অফিস, ডাঃ চেম্বার, কোচিং সেন্টার ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ দেয়া হয়।

তিনি বলেন, হঠাৎ করে ২০০৫ সালে আমরা জানতে পারি মার্কেটের ৩য় তলার (৩০১-৩৫১) এবং ৪র্থ তলার (৪০১-৪৫১) মোট ১০২টি দোকান ও ৫ম তলার ৭০০০ বর্গফুট অফিস স্পেস কিনে নিয়েছে ল্যাবএইড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা এ.এম. শামীম। দোকানগুলো কিনে নেয়ার পর মার্কেটের ৩য়, ৪র্থ তলা ও ৫ম তলার ল্যাবএইডের পাশের অংশ ভেঙ্গে হাসপাতালের সঙ্গে এক করে দেয়। এবং ওই ফ্লোরগুলোতে সাধারণ ক্রেতা ও মার্কেটের সংশ্লিষ্ট লোকজনের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। রাজউক চতুর্থ তলা পর্যান্ত মার্কেটের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু ল্যাবেএইড জোর করে হাসপাতাল বানিয়ে ফেলছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, শপিংমলের সহ-সভাপতি আল আমিন ও শাহীদ আহমেদ বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদুর রহমান, সদস্য ফরিদা রিফায়ার, সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, মো. শাহীন ও খোরশেদ আলম প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: হাসপাতাল


আরও
আরও পড়ুন