Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬, ০৭ শাবান ১৪৪১ হিজরী

মোদি-অমিত কি ভারতীয় নাগরিক? মিলেনি জবাব

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ এএম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কি ভারতের নাগরিক? যদি ভারতীয় নাগরিক হন, তাহলে কোন কোন নথির ভিত্তিতে মোদি-শাহরা নাগরিকত্ব পেয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে আরটিআই করেছিলেন প্রনোজিৎ দে। অবশেষে চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তবে নরেন্দ্র মোদীর নাগরিকত্বের নথির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি প্রাপ্তিস্বীকার পত্রে। একইসঙ্গে বিশিষ্ট ১০জনের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারী জানিয়েছেন, “এরপর দু’বার আবেদন করার পর কোনও উত্তর না পেলে, আদালতের দ্বারস্থ হব’’।“জয় বাংলা সংসদ”-এর সভাপতি প্রনোজিৎ দে গত ২১ জানুয়ারি বৈধ নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ১৩টি আরটিআই করেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে। আরটিআই করা হয় প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী থেকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামেও। ওই তালিকায় রয়েছেন প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, ও সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপালের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে তার নিজের দফতরে আরটিআই করা হয়েছে। প্রনোজিৎ বলেন, “আরটিআই-এর মাধ্যমে ওই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়েছি। প্রথমত ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক কিনা? যদি ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক হন তাহলে কোন কোন কাগজপত্রের ভিত্তিতে ওঁরা এই দেশের বৈধ নাগরিক? যদি ওঁরা বৈধ নাগরিক না হন তাহলে কেন ওঁরা বৈধ নাগরিক নন?” কেন এভাবে প্রেসিডেন্ট থেকে এমপিদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইছেন? প্রনোজিৎ দের জবাব, “নাগরিকত্বের নথি নিয়ে সাধারণের মধ্যে ধোঁয়াশা আছে। নাগরিকত্ব নিয়ে মানুষ অযথা হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। দেশব্যাপী বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাই ওই বিশিষ্ট ব্যক্তিরা কীসের ভিত্তিতে দেশের নাগরিক তা জানা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছি। যাঁরা নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছেন তারা আদৌ নাগরিক কিনা তা জানা প্রয়োজন।” যদি শেষমেশ নাগরিকত্ব নথি সংক্রান্ত তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়ে দিলেন প্রনোজিৎ। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত


আরও
আরও পড়ুন