Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

সেন্সরে যাচ্ছে ডিপজলের তিন সিনেমা

বিনোদন রিপোর্ট: | প্রকাশের সময় : ১ মার্চ, ২০২০, ১২:০১ এএম

একসঙ্গে বেশ কয়েকটি সিনেমার নির্মাণ কাজ শেষ করেছেন চলচ্চিত্রের মুভিলর্ড খ্যাত মনোয়ার হোসেন ডিপজল। এর মধ্যে রয়েছে সৌভাগ্য ও এ দেশ তোমার আমার এবং এক কোটি টাকা। প্রথম দুটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন এফ আই মানিক। সিনেমা দুটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন সেন্সরবোর্ডে জমা দেবেন। এর মধ্যে সৌভাগ্য সিনেমাটি রোববার জমা দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ দেশ তোমার আমার জমা দেয়া হবে। তারপর এক কোটি টাকা জমা দেয়া হবে। সৌভাগ্য সিনেমাটিতে ডিপজলের সাথে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন কাজী মারুফ, তমা মির্জা, সাদেক বাচ্চু, আফজাল শরীফসহ অন্যান্য তারকারা। পারিবারিক ও সামাজিক গল্পের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। এর গল্প ভাবনায় রয়েছেন ডিপজল নিজে। শুধু এ সিনেমাই নয়, ডিপজলের প্রত্যেকটি সিনেমায়ই তার নিজস্ব মৌলিক গল্পের চিন্তাভাবনা থাকে। তার সিনেমার ভিত্তিই গড়ে ওঠে মৌলিক গল্পের ওপর। ডিপজল বলেন, একটি সিনেমার প্রাণ গল্প। এ প্রাণকে সজীব ও জীবন্ত করে তোলে এর চরিত্র। আমাদের এখনকার সিনেমায় ভাল গল্পের সিনেমা খুব কম হয়। অথচ চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে গল্প সমৃদ্ধ সিনেমার বিকল্প নেই। একটি সিনেমায় যদি ঠিকভাবে গল্পই তুলে ধরা না হয়, তবে দর্শক তা দেখবে কেন? শুধু নায়ক-নায়িকা দেখতে দর্শক হলে যায় না। গল্প যদি ভাল হয়, তবে গল্পের চরিত্রে যেই অভিনয় করুক না কোনো দর্শক তাকেই মনে রাখে। পরীক্ষিত ও দক্ষ অভিনেতা-অভিনেত্রী হলে গল্পটি আরও ভালভাবে ফুটে ওঠে। সৌভাগ্য সিনেমাটিতে দর্শকের মনে রাখার মতো একটি গল্প তুলে ধরা হয়েছে। দর্শক সিনেমাটি দেখে ঠকবেন না। এ দেশ তোমার আমার সিনেমাটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে। সিনেমাটির পেছনে অনেক শ্রম দেয়া হয়েছে। অনেকবার গল্পের সংশোধন ও পরিমার্জন করতে হয়েছে। এ কারণে সিনেমাটির নির্মাণ কাজ শেষ হতে সময় লেগেছে। এ সিনেমাটি দেখেও দর্শক মুগ্ধ হবেন। এছাড়া এক কোটি টাকার গল্পও অন্যরকম। তিনটি সিনেমার গল্প তিন ধরনের। আমি বরাবরই সিনেমার গল্পের ওপর জোর দেই। গল্প ভাল না হলে তা করি না। প্রয়োজনে সিনেমা বানানো বন্ধ করে দেই। দর্শকের চাহিদার সাথে আমার চিন্তা-ভাবনার সম্মিলনের মাধ্যমে সিনেমা নির্মাণ করতে পছন্দ করি। যে তিনটি সিনেমা রেডি হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেব। তবে সৌভাগ্য ঈদের আগে মুক্তি দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিপজল বলেন, সিনেমার এ সংকটকালে একের পর এক ভাল গল্পের সিনেমা দর্শকদের দিতে পারলে তারা আবার হলমুখী হবে। আমি সেই চেষ্টাই করছি। ২০০৬ সালে কোটি টাকার কাবিন, চাচ্চু, মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবিসহ পরপর কয়েকটি সিনেমা নির্মাণ করে মুক্তি দিয়েছিলাম। এ সিনেমাগুলো দর্শকদের আকৃষ্ট করে। ফলে অশ্লীল সিনেমার বাজার সুষ্ঠু সিনেমার বাজারে পরিণত হয়। এখন আবার সেই উদ্যোগ নিচ্ছি। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দর্শকের মনের মতো গল্প ও প্রযুক্তি নিয়েই সিনেমাগুলো নির্মাণ করছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সেন্সর


আরও
আরও পড়ুন