Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

গ্রামীণফোন সংক্রান্ত জটিলতা : নরওয়ে সন্তোষজনক সমাধান চায়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ মার্চ, ২০২০, ১২:০১ এএম

 গ্রামীণফোনের বকেয়া পাওনা সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সন্তোষজনক উপায়ে সমাধানে আসতে চায় নরওয়ে। বিষয়টি নিয়ে নরওয়ের মধ্যে কিছু উদ্বেগ রয়েছে, সেটা বাংলাদেশকে জানিয়েছে দেশটি।
গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। অন্যদিকে নরওয়ের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র সচিব তোরে হাটরেম নেতৃত্ব দেন। বৈঠক শেষে দুই সচিব সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেন। নরওয়ের পররাষ্ট্র সচিব তোরে হাটরেম বলেন, বৈঠকে গ্রামীণফোন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সন্তোষজনক উপায়ে এই সমস্যার সমাধান চায় নরওয়ে। বিষয়টি এখন কোর্টে রয়েছে। এই বিষয়ে আমাদের কিছু উদ্বেগ রয়েছে, সেটা আমরা বৈঠকে জানিয়েছি। গত বছরের ২৪ নভেম্বর দেশের সর্বোচ্চ আদালত বিটিআরসির নীরিক্ষা দাবির ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে গ্রামীণফোনকে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) এক হাজার কোটি টাকা জমা দিয়েছে গ্রামীণফোন।

এ প্রসঙ্গে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমরা গ্রামীণফোনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে কোর্টের নির্দেশে তারা এক হাজার কোটি টাকা জমা দিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও এক হাজার কোটি টাকা জমা দেবে। এরপরে কী হবে সেটি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

বৈঠকে নরওয়ে বাংলাদেশের কাছে আদালতের রায়ের পূর্ণ কপি চেয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলেও জানান সচিব।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, টেলিনর কোম্পানিতে নরওয়েজিয়ান কোম্পানির শেয়ার আছে। আমরা চাইব এটার সমাধান হোক। এটার সমাধান হলে দুই দেশের জন্য ভালো হবে। আর এতে করে নরওয়ে থেকে আরও বিনিয়োগ আসবে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গ্রামীণফোন


আরও
আরও পড়ুন

ব্যাংকগুলোর দ্রুত রফতানি আয় নগদায়নের নির্দেশ

খোলাবাজারে ডলারের দাম যখন সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় ঠেকেছে। তখন সংকটে লাগামহীন বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংক প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে বৈঠকে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে চলমান সংকট নিরসনে ব্যাংক প্রধানদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দিক নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভাশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় শিগগিরই ডলারের বাজারে স্বস্তি ফিরবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোকে রফতানি আয়ের দ্রুত নগদ আদায়ের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি দামে ডলার বেচাকেনা করছে, তার রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার কথা জানান ব্যাংকাররা।   এ দিকে রোববার (১৪ আগস্ট) খোলাবাজারে ডলারের দাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমানে কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকায়। মতিঝিলের কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে তারা ১১০ থেকে ১১১ টাকা দরে ডলার কিনছে এবং বিক্রি করছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকা দরে। তবে ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমায় বলা যাবে না বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। যতদিন না টাকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়ছে, বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ডলারের বাজার দোদুল্যমান থাকার শঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরা।  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ