Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

মাটিরাঙায় বিজিবির ৬ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ মার্চ, ২০২০, ১২:০১ এএম

খাগড়াছড়িতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর একই পরিবারের তিনজনসহ ৪ জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে বিজিবির ৬ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।
মামলা গ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের টানাপড়েনের পর গতকাল রাত ৭টার দিকে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনকে হত্যার অভিযোগে বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। বিজিবির হাবিলদার মো. ইসহাক আলীসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা করেন বিজিবির গুলিতে নিহত মো. মফিজ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া।
মামলা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দিন ভ‚ঁইয়া বলেন, নিহত মফিজ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৩ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে মো. মফিজ মিয়াসহ অন্যদের মারধর, জখম ও সামনে থেকে গুলি করে চারজনকে হত্যা করেন বিজিবির হাবিলদার মো. ইসহাক আলীসহ বিজিবির অন্য সদস্যরা। গ্রামবাসীকে গুলি করার সময় বাধা দেন বিজিবি সদস্য শাওন খান। এ সময় তাকেও গুলি করে হত্যা করেন বিজিবির হাবিলদার মো. ইসহাক আলী।
গুলিতে নিহত মফিজ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাবিলদার ইসহাক মিয়াসহ বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। পুলিশ মামলা না নেয়ায় বিক্ষুব্ধ হন সাধারণ মানুষ।
এর আগে মঙ্গলবার চান মিয়ার বাগানের চার টুকরা কাঁঠাল গাছ পরিবহনকালে মাটিরাঙ্গার গাজিনগরে বাধা দেয় বিজিবি। একসময় গাছগুলো বিজিবি নিজেদের ক্যাম্পে নিয়ে যেতে চাইলে উভয়ের মধ্যে বাগবিতÐা হয়। বাগবিতÐার একপর্যায়ে বিজিবি এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
এ সময় ঘটনাস্থলে নিহত হন সাহাব মিয়া ও তার ছেলে মো. আকবর আলী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বিজিবি সদস্য শাওন খান, স্থানীয় বাসিন্দা আহাম্মদ আলী, মো. মফিজ মিয়া এবং মো. হানিফ মিয়াকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই মারা যান সাহাব মিয়ার আরেক ছেলে আহাম্মদ আলী ও বিজিবি সদস্য শাওন খান।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান আহাম্মদ আলীর শ্বশুর মো. মফিজ মিয়া। এ ঘটনায় মো. মফিজ মিয়ার ছেলে হানিফ মিয়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিজিবি


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ