Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

প্রশাসনে নারীদের সাফল্যের ধারা

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

পঞ্চায়েত হাবিব | প্রকাশের সময় : ৮ মার্চ, ২০২০, ১২:০০ এএম

উন্নত বিশ্বে তথা আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ নারীদের হাতে কল্পনাও করা যায় না। সে জন্যই ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং বেশি ভোট পেয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন বিজয়ী হতে পারেননি। কিন্তু ৯২ ভাগ মুসলমানের বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন। পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থায় দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছেন নারীরা। দেশের সর্ববৃহৎ দুই দল আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাঠের বিরোধী দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাদের হাতেই রাজনীতির জিয়নকাঠি। এ ছাড়াও সংসদের স্পিকার, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জাতীয় সংসদের উপনেতা সবাই নারী। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব নারীদের হাতে থাকায় দেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই। রাজনীতির মতোই বর্তমানে রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রশাসনেও নারীদের দাপট বাড়ছে। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয় থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের ‘নির্বাহী পদে’ নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। বর্তমান সরকারের আমলেই প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদায় ১১ জন নারী কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উন্নত বিশ্বের দেশ আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে নারীদের এই সুযোগ দেখা যায় না। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। এর পরে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং গত বছরের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। তার আমলে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আগে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল সাত থেকে আটশ ডলার, বর্তমানে তা বেড়ে ১৯০০ ছাড়িয়েছে ডলার। এ সময়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে। যাদের কর্মকান্ড ঘরকন্যার বাইরে কল্পনাই করা যেত না, সেই নারীরা সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বিজিপিতে এবং র‌্যাবে চাকরি করছেন। বিমান পরিচালনা এবং রেলগাড়িও চালাচ্ছেন পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। শুধু এই সব কঠিন কাজই নয়, প্রশাসনে নারীরা মর্যাদার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিকল্পনা কমিশনে সচিব, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে সচিব, ভূমি আপলি বোর্ডে নারী সচিব, বাংলাদেশ সিভিল সাভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে নারী সচিব। বিসিএস ক্যাডারে পাস করেই তারা চাকরিতে প্রবেশ করেন। তবে ২০১৮ সালের তুলনায় প্রশাসনে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা কমছে কর্মকর্তার সংখ্যা কমছে।

আজ ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে দিনটি উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। চলতি বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- প্রজন্ম হোক সমতার, সকল নারীর অধিকার। এ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। ১৯১০ সালের ৮ মার্চ নিউ ইয়র্কের সেলাই কারখানার নারী শ্রমিকদের নারী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার প্রতি সম্মান জানাতে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ইনকিলাবকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে নারীদের নিয়ে আসেন। উনি ৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন প্রথম প্রতি ক্ষেত্রে নারীদের ক্ষমতায়নের অগ্রযাত্রা শুরু করেন। তারমধ্যে অন্যতম যে তিনি সচিব করেন। এখন ৯/১১ জন সচিব। অনেক অতিরিক্ত সচিবও নারী। প্রশাসনে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আনতে হলে- কে নারী, কে পুরুষ সেটা বিবেচনা করে আনা যায় না, সিভিল সার্ভিসে টপ পজিশনে দিতে হলে টপ ক্লাসেই লাগে। দক্ষতা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা- সবকিছুই লাগে। টপ ক্লাসে বা শীর্ষে যারা আছে তারা নারী হিসাবে যায়নি, তারা মানুষ হিসাবে যোগ্যতা নিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে প্রশাসনের শীর্ষপদ সচিব ও সমপর্যায়ের ৮৭ জনের মধ্যে নারী রয়েছেন ১১ জন। প্রশাসনে মোট সচিব ৮৩ জন এর মধ্যে নারী সচিব ১০ জন, ৫১০ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে নারী ৮৩ জন, ৬৩৫ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে নারী ৮১ জন, এক হাজার ৬৯৪ জন উপসচিবের মধ্যে নারী ৩৪৯ জন, এক হাজার ৫৪৮ জন সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে নারী ৪৫৪ জন ও এক হাজার ৫২৭ জন সহকারী সচিবের মধ্যে নারী ৪৭২ জন। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে এখন আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ১৫ জন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন। ১১ জন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের মধ্যে কোনো নারী না থাকলেও স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪৫ জন উপ-পরিচালকের ১২ জন, ২৫০ জন এসিল্যান্ডের (অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার-ল্যান্ড) মধ্যে ১১৫ জন, ৪৮৩ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে ১২৫ জন নারী দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে প্রশাসনে পুরুষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়ম করে থাকে সে তুলনায় নারীরা দুর্নীতি কম করে। সে কারণে নারীদের সংখ্যা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বাড়ানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট স‚ত্র নিশ্চিত করেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশকে এখন পৃথিবীতে উদাহরণ হিসেবেই দেখা হয়। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, জাতীয় সংসদের স্পিকার- তিনজনই নারী। কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দিক থেকে নয়, শিক্ষা, প্রশাসন, চাকরি- সব ক্ষেত্রেই নারীর অগ্রগতির প্রশংসা করছে সারা বিশ্ব।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষ ও শক্তিশালী প্রশাসন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে নতুনরূপে সাজানোর কাজ শুরু করেছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একাধিক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী সরকারের আস্থাভাজন কয়েকজন কর্মকর্তাকে কয়েকটি গুরুত্বপ‚র্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে বসানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। উপ-সচিব থেকে যুগ্মসচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া মাঠ প্রশাসনের ডিসি ও ইউএনও পদেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিসি ফিটলিস্টের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী মাসে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদকাল রয়েছে দেড় বছর। অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এ রকম উত্তোরণকালে একদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি রাজপথ গরম করে, অন্যদিকে প্রশাসনের ভেতর থেকে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ধরনের চাপ ও অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়। এসব বিষয়ে সরকার সচেতন। প্রশাসনের কয়েকটি পর্যায়ে রদবদলের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রশাসনে ১১ নারী সচিব : বর্তমান সরকারের আমলে প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদায় কাজ করছেন মোট ৮৩ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ১১ জননারী সচিব। সিনিয়র সচিব ২ জন, এই ১১ নারী সচিবের একজন ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম সিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের সভাপতি এবং সরকারের একজন সচিব। সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য বেগম সাহিন আহমেদ চৌধুরী, তিনি সরকারের সিনিয়র সচিব। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তার। এছাড়া বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) জুয়েনা আজিজ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে হোসনে আরা বেগমকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এছাড়া অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদায় পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছেন বেগম শামীমা নার্গিস।

খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম সিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের সভাপতি ইনকিলাবকে বলেন, নারী বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তারা কাজের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ফেইস করছে কিনা কাজের ক্ষেত্রে, এসডিসির জন্য তারা কতটুকু প্রস্তুত। অন্যান্য ক্যাডারের নারীরা উন্নয়নের সাথে কতটুকু খাপ খাইয়ে নিতে পারে; আমরা চাই নারীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে। তারা যেন সমানভাবে এগিয়ে থাকে। যাতে তারা নিজেদের প্রিয়ারড করতে পারে, ভবিষ্যতে বড় পদে যেতে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। যোগ্যতা, দক্ষতা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে- সেজন্য আমরা মোটিভেশন করি। আমরাও চাই নারীরা এই ক্যাডারে আসুক, বিভিন্ন হলে মোটিভেশন মিটিং করি। বিসিএস দিতে উৎসাহ দেই। তারাও ভালো রেরপন্স দিচ্ছে ভালো। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএনডিপির সহায়তায় এই ফোরাম। প্রধানমন্ত্রীর একটি সিড মানি দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকার চায় নারীরা এগিয়ে যাক। ৮২ সালে প্রথম বিসিএসে মেয়েরা এডমিন ক্যাডারে এসেছে, এরআগে এডমিনে আসতে পারত না। এখন সেনাবাহিনী, বিজিবিতে নারীরা এগিয়ে আসছে। নারীরা এখন ভিসি, প্রিন্সিপাল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, বিচারপতি হচ্ছে। সব ক্ষেত্রে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাও তাই। এখন স্কুলেও ইনরোলমেন্ট ৫০ শতাংশের বেশি। মেয়েরা পিছিয়ে থাকলে দেশও এগোতে পারবে না।

৯ জেলায় নারী ডিসি : বাংলাদেশের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে রাজিয়া বেগমকে রাজবাড়ীতে নিয়োগ দিয়েছিল বিএনপি সরকার। এরপর বিভিন্ন সময়ে নারীদের জেলা প্রশাসক হিসেবে শুভ স‚চনা সৃষ্টি হয় প্রশাসনে। পরে বর্তমান সরকার জেলা প্রশাসক হিসেবে একদিনেই নিয়োগ পেলেন চার নারী। ৬৪ জেলায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে এখন নারীর সংখ্যা ৯। জেলা প্রশাসক হিসেবে একসঙ্গে এত নারী কখনো কাজ করেননি। রক্ষণশীল বাঙালি সমাজে নারীদের বাইরে কাজ করতেই বাধা দেয়া হতো তিন দশক আগেও। কিন্তু কোনো কোনো পরিবার আবার উৎসাহ দিয়েছে, তাদের সাফল্য দেখে আবার অনুপ্রাণিত হয়েছে অন্যরা। দিনে দিনে পড়ালেখা আর চাকরিতেও বাড়ছে নারীর সংখ্যা। ২০০১ সালের ২৮ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন রাজিয়া বেগম রাজবাড়ীতে। এরপর বিভিন্ন সময়ে নারী জেলা প্রশাসক হয়েছেন। নারী জেলা প্রশাসকরা হলেন- নরসিংদীতে সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, গোপালগঞ্জে শাহিদা সুলতানা,মানিকগঞ্জে দিলসাদ বেগম মৌলভীবাজারে নাজিয়া শিরিন, নড়াইলে আনজুমান আরা, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, পঞ্চগড়ে সাবিনা ইয়াসমিন, কুড়িগ্রামে মোছা. সুলতানা পারভীন।

গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ইনকিলাবকে বলেন, ডিসি হওয়ার আগে আমি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কাজ করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবেও কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি মেয়েদের স্বপ্ন দেখাতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে আগের চেয়ে অনেক নারী কর্মকর্তাদের ডিসি করেছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ও সাবেক ডিসি সায়লা ফারজানা ইনকিলাবকে বলেন, মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপারের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পদগুলোতে মেয়েরা কাজ করছে। তার প্রভূ করতে পারলে পুরুষ কলিগদের সাথে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভালো করছে। সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নসহ সবকিছুতেই নারীরা যেভাবে গুছিয়ে বা সিনসিয়ারলি কাজ করতে পারে সেটার প্রতি সরকারের আস্থা আছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নারী দিবস


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ