Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৯ মার্চ ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬, ০৩ শাবান ১৪৪১ হিজরী

যানবাহন শূন্য ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়ক

কামাল আতাতুর্ক মিসেল : | প্রকাশের সময় : ২৭ মার্চ, ২০২০, ১২:০৭ এএম

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ সারা দেশে গণপরিবহন লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যার ফলে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যানবাহন শূন্য হয়ে পড়ে। প্রতিদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৩০ হাজার বাস-মিনিবাস, ট্রাক, লরি ও কভার্ডভ্যান চলাচল করলেও করোনাভাইরাসের কারণে এখন তা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে গেছে।
বিভিন্ন পণ্যবাহী ও জরুরি শিশু খাদ্য পরিবহনে গাড়ি চলাচলের সুযোগ থাকলেও তাও চলছে একবারে কম। অভ্যন্তরীণ সড়কে যাত্রাবাহী পরিবহনের সংখ্যা কমে গেছে। বেশিরভাগ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া জেলার বাইরে যাচ্ছেন না। সেই সাথে জনসমাগমও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসের আতঙ্কের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা অস্বাভাবিক হওয়ার ফলে শহরসহ গ্রামে মানুষজনের চলাচল কমে গেছে। যানবাহনও চলছে সীমিত আকারে। ভাইরাস আতঙ্কে ঢাকার সাধারণ বাসিন্দারাও এখন প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হচ্ছেন না।

এর ফলে ফাঁকা হয়ে গেছে রাজধানী ঢাকাও। দূরপাল্লার গাড়িগুলোও বন্ধ হয়ে যাওয়া চরম হতাশায় চালকরা। ট্রাফিক জ্যাম, গাড়ির অনবরত হর্ন, কিংবা প্রতিদিন সকালে স্কুল-অফিসে যাওয়ার জন্য সাধারণ নাগরকিদের যে ব্যস্ততা তার সবই এখন বদলে গেছে। করোনার প্রভাব পড়েছে রাজধানীসহ সারাদেশের নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর ওপরে, তাদের আয়ও অর্ধেকে নেমে এসেছে ।

কুমিল্লা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, ইতিমধ্যেই মানুষের চলাচল কমে গেছে। এতে বাসে যাত্রীও কম হচ্ছে। এতে তেলের খরচও উঠছে না। এসব বিষয় বিবেচনা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: যানবাহন

১১ অক্টোবর, ২০১৬
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ