Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী

ইমাম খুতবা দেয়ার সময় মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মাসজিদ নামাজ পড়বে, নাকি বসে খুতবা শুনবে? খুতবার আগের আজানের জওয়াব দিতে হবে কি?

মোহিদ কাদের
ই-মেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২৯ মার্চ, ২০২০, ৭:১১ পিএম

উত্তর : আরবী খুতবা শুরু হয়ে গেলে তাহিয়্যাতুল মাসজিদ পড়বে না। খুতবা শুনতে বসে যাবে। সুন্নাতও নামাজের পরে পড়বে। খুতবার আগের আজানের জওয়াব দিতে হয় না। কারণ, এটি নামাজের আজান নয়। জুমার খুতবা শুরুর বিশেষ আজান। এর জবাব দেয়া সুন্নাত নয়। জুমার প্রথম আজানের জওয়াব দেয়া সুন্নাত।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ই-মেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • md.ataur rahman ৩০ মার্চ, ২০২০, ৬:২৬ এএম says : 0
    You have to take two rakat tahiatul odu.
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Shamsul Hasan ৩০ মার্চ, ২০২০, ১১:১৯ এএম says : 0
    বিশ্বের বহু দেশে পৃথকভাবে আরবীতে খোৎবা পড়া হয় না আমাদের দেশের মত। এমতাবস্থায় কি করবে?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ