Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৩ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

রাজশাহীতে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেলেন ৩,৬৭৩ জন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩১ মার্চ, ২০২০, ৯:৪৪ পিএম

রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সকাল পর্যন্ত মোট ৩,৬৭৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য বলেন, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সামাজিক সংক্রমণ রোধে গত ১০ মার্চ থেকে বিভাগে মোট ৬,৯৬৮ জনকে হোম-কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়েছিল। বর্তমানে ৩,২৯৫ জন হোম-কোয়ারেন্টিনে আছেন।

বিভাগের আট জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় মোট ১০৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়েছে এবং ৩৬১ জন রোগীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

জেলাগুলোতে নতুনদের মধ্যে ৫৭ জন রাজশাহীতে, নাটোরে নয়জন, জয়পুরহাটে চারজন, বগুড়ায় ৩২ জন, সিরাজগঞ্জে চারজন এবং পাবনায় একজনকে হোম-কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়েছে।

ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য জানান, বিভাগে মোট নয়জন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ রোধ করতে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নির্দেশাবলী যেমন-বাড়িতে থাকা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার প্রচারণাসহ প্রবাসী কিংবা যে কোনো সন্দেহভাজনদের কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনার জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এটি নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের তৎপরতা জোরদার করেছে।

সব জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা মাইক ব্যবহার করে ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তারা মাস্ক এবং স্যানিটাইজারও বিতরণ করছে।

বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শ্রমিক এবং দিনমজুরদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করছে।

সরকার করোনভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে বিভাগের আটটি জেলায় খেটে খাওয়া প্রায় ১০ দশমিক ৪ লাখ দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেছে।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির খন্দকার জানান, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দিনমজুর ও দরিদ্রদের সৃষ্ট অর্থনৈতিক কষ্ট লাঘবে সরকার ইতোমধ্যে ৯১৩ দশমিক ১৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে। সরকারের তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাচ্ছে। তিনি জানান, বিতরণের জন্য আরো ১,৬৫৭ দশমিক ৩৫ টন চাল মজুদ রয়েছে।

রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, রাজশাহী নগরীতে প্রায় ২০ হাজার স্বল্প আয়ের পরিবার আছেন।

তারা কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে খাদ্য সহায়তা পেতে শুরু করেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে মাথাপিছু ১০ কেজি চাল ও ৫০০ গ্রাম করে ডাল পাচ্ছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ