Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২১ মে ২০১৯, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৫ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

দেশে প্রথম সিএসআইসি উন্মোচন করল হুয়াওয়ে

প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার ঃ রিয়েল টাইমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘কাস্টমার সল্যুশন ইনোভেশন এন্ড ইন্টিগ্রেশন এক্সপিরিয়েন্স সেন্টার’ (সিএসআইসি) স্থাপন করল হুয়াওয়ে। এ উপলক্ষে গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর গুলশানে ‘হুয়াওয়ে বাংলাদেশ সিএসআইসি সেন্টার’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ডাক ও টেলিযোগযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বিশ্বের বেশ কয়েকটি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে অবস্থিত হুয়াওয়েতে কর্মরত বাংলাদেশী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইসিটি ও টেলিকম বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে কথা বলেন। এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের ইকোনমিক ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর অফিসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লিঙ্গুয়ানজুন।
আইসিটি সল্যুশনস এবং এপ্লিকেশন রিয়েল টাইমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নকশা এবং যথার্থতা প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে গেøাবাল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত পেশাদার ও অভিনব স্টেট-অব-দ্যা-আর্ট অভিজ্ঞতা নেয়ার ল্যাবই হচ্ছে সিএসআইসি। হুয়াওয়ের গ্রাহক এবং গবেষণা ও উন্নয়ন ল্যাবের তৈরি করা ফোরকে ভিডিও, আইওটি, ন্যাশনাল ব্রডব্যান্ড এ্যান্ড মোবাইল ব্রডব্যান্ডসহ ১২০টিরও বেশি গেøাবাল রেফারেন্স বা সহায়ক এপ্লিকেশন ও সেবা পাওয়া যাবে নতুন প্রতিষ্ঠিত এই সিএসআইসি-তে। গ্রাহক ও অংশীদারদের আইসিটি ও টেলিকম বিষয়ক পেশাদার সল্যুশন এবং সম্পূর্ণ নতুনত্বের অভিজ্ঞতা দেয়াই সিএসআইসি-এর লক্ষ্য। তৃতীয় পক্ষের সহায়তায় প্রচলিত প্রদর্শনী হলের পরিবর্তে সিএসআইসি সাজানো হয়েছে ক্লাউড সেবার মাধ্যমে যেখানে রাখা হয়েছে হুয়াওয়ের গেøাবাল রিসোর্স এবং গবেষণা ফলাফলের বিভিন্ন তথ্য। অত্যাধুনিক অবকাঠামো স্থাপন এবং হুয়াওয়ের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারণা আদান-প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের বিশ্বসেরা সেবা পাওয়া যাবে সিএসআইসি হলে।
হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাও হাওফু বলেন, “হুয়াওয়ে বাংলাদেশ সিএসআইসি এমন একটি স্থান যেখানে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে একসঙ্গে মিলে ‘বিল্ডিং অ্যা বেটার কানেক্টেড বাংলাদেশ’-এর দিকে এগিয়ে যেতে পারব। বিশ্বের সেরা প্রযুক্তিগত চর্চার সঙ্গে মিলে ধারণা আদান-প্রদান এবং ব্যবসায়িক সল্যুশনে নতুনত্ব আনার মাধ্যমে আইসিটির ক্ষেত্রে উভয়পক্ষের জন্য সিএসআইসি ফলপ্রসূ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমি মনে করি।”
তারানা হালিম বলেন, “ইনোভেটিভ আইসিটি সল্যুশনসের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সিএসআইসি সেন্টার ব্যাপক সহায়ক ভ‚মিকা পালন করবে ফলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন ২০২১’ অর্জন সহজ হবে।” সিএসআইসি সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লিঙ্গুয়ানজুন বলেন, “বাংলাদেশের গর্ব করা উচিৎ যে বিশ্বের ২০তম হুয়াওয়ে সিএসআইসি এক্সিপিরিয়েন্স ল্যাব বাংলাদেশে স্থাপন করা হয়েছে।” দর্শনার্থীরা সিএসআইসি-তে এসে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে যেখানে আছে বিশ্বসেরা আইসিটি চর্চা, ধারণা আদান-প্রদান ও বিজনেস সল্যুশন ইনোভেশন এবং আইসিটির ক্ষেত্রে যথার্থ প্রযুক্তিগত পদ্ধতির উন্নয়ন। এছাড়া নিরাপদ নগরায়ন এবং হুয়াওয়ের পি নাইন ও মেট এইটসহ অন্যান্য স্মার্টফোন পণ্য এবং এন্টারপ্রাইজ বিজনেস সল্যুশনসের অভিজ্ঞতা নেয়া যাবে সিএসআইসি-তে। বাংলাদেশের আইসিটি বাজার এবং ডিজিটাল অর্থনীতি হুয়াওয়ের জন্য ব্যাপক অর্থবহ। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিকে সহায়তা করবে সিএসআইসি। এক্ষেত্রে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সহায়তা পাচ্ছে হুয়াওয়ে। বর্তমানে সারাবিশ্বে হুয়াওয়ের ২০টি সিএসআইসি চালু রয়েছে এবং আরো ৩০টি সিএসআইসি স্থাপনের কাজ চলছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ