Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

সালথায় আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১০, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাংচুর

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৬ এপ্রিল, ২০২০, ২:০৭ পিএম

ফরিদপুরের সালথায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। দোকানপাট, বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে সংঘর্ষকারীরা। সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদি বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রবিবার রাতে কাগদি বাজারে মুরগী কেনা-বেচা নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনের সমর্থক কাগদি গ্রামের খায়ের মোল্যার সাথে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফছার উদ্দিন মাতুব্বারের সমর্থক বাতাগ্রামের রকি মাতুব্বারের সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর রাতে বাজারের কয়েকটি দোকাপাট ভাংচুর করে। এরই সুত্রধরে সোমবার সকালে আফছার উদ্দিন মাতুব্বারের সমর্থকদের সাথে গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকদের সংঘর্শের সৃষ্টি হয়। দেশিয় অস্ত্র ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে দুই ঘন্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। এসময় সংঘর্ষকারীরা কাগদি বাজারের ২০/২৫টি দোকান ও কাগদি-বাতাগ্রামের ১০/১২ টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে মাসুদ মিয়া, সৈয়াদ মিয়া, সাকিব শেখ, পিকুল মাতুব্বার, বতু শেখ সহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফছার উদ্দিন মাতুব্বারের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমূল হোসেন বলেন, মুরগী কেনা-বেচা নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের সমর্থক খায়ের মোল্যার সাথে আমাদের সমর্থক রকি মাতুব্বারের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এনিয়ে রাতেই গিয়াস উদ্দিনের সমর্থক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি তার লোকজন নিয়ে আমার লোকের ৪/৫ টি দোকান ভাংচুর চালিয়ে লুটপাট করে নিয়ে যায়। এছাড়া কাগদি বাজারের আওয়ামী লীগ অফিসও ভাংচুর করে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান, মুরগী কেনা-বেচা নিয়ে রকি ও খায়েরের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমার লোক খায়ের মোল্যাকে আফছার মাতুব্বারের সমর্থক বাতাগ্রামের পিকুল মাতুব্বার মারধর করে। এনিয়ে রাতেই বাজারে সংঘর্ষ বাধে। এরই সুত্রধরে আফছার মাতুব্বারের লোকজন সকালে কাগদি বাজারের আমার সমর্থকদের ২০/২৫টি দোকান ও বসতঘর ভাংচুর চালিয়ে লুটপাট করে নিয়ে যায়।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শর্টগানের রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকা শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আ.লীগ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ