Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

মাদরাসা শিক্ষকের পা ভেঙে দিলো লালমোহন পুলিশ

ভোলা জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১০ এপ্রিল, ২০২০, ১১:৫০ পিএম

ভোলার লালমোহনে পুলিশের লাঠির আঘাতে শাহে আলম (আলী হুজুর) নামে এক মাদরাসা শিক্ষকের পা ভেঙ্গে তিন খন্ড হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, লালমোহন থানার ফরাসগঞ্জ ইউনিয়নের মহেশখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ফজর আলী দাখিল মাদরসার শিক্ষক।

মাদরাসার সভাপতি, স্থানীয় ও আহতের পরিবার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আহত শাহে আলম মাগরিবের নামাজ শেষে তার বাসার সামনে অবস্থান করছিলেন। এমন সময় দেখেন কিছু ছেলে বিভিন্ন দিকে ছোটাছুটি করছে। এমন দৃশ্য দেখতে না দেখতে হঠাৎ করে তার বাসার সামনে লালমোহন থানার কয়েকজন পুলিশ দেখতে পান। তাদের মধ্যে একজন পুলিশ কোন কথা না জিজ্ঞেস করেই শাহে আলমের পায়ে আঘাত করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে ঐ শিক্ষক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

এ ঘটনার পর পরিবার ও স্থানীয়দের সহায়তায় শাহে আলমকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে জরুরি বিভাগে থাকা চিকিৎসক আহতকে এক্সরে করালে রিপোর্টে দেখা যায় শাহে আলমের পায়ের মধ্যখানের হাঁড় ভেঙ্গে তিনটি টুকরো হয়ে গেছে ।

এ বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শাহে আলমের পায়ের হাঁড় খুব বেশিই ভেঙে গেছে। আমরা সাময়িক যে চিকিৎসা দেয়ার তা দিয়েছি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া প্রয়োজন।

আহতের ভাতিজা হাসনাইন আল মুসা জানান, আমার চাচাকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ভোলা সদরে নেয়া হয়েছে। সারাদেশে লকডাউন থাকায় লঞ্চ ও গাড়ি চলাচল বন্ধ। তাই এখন প্রশাসন যদি সহায়তা না করে তাহলে তাকে রাজধানীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া যাচ্ছে না। সকলের সহযোগিতা কামনা করছে সামান্য বেতনে চাকরি করা পরিবার।



 

Show all comments
  • Md.ashraful.rahman ১১ এপ্রিল, ২০২০, ১০:২২ এএম says : 0
    .........der Chakri theke Baat Dewa uchit
    Total Reply(0) Reply
  • আ,ম,ম,শিহাবুদ্দীন ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৩:৩৩ পিএম says : 0
    পুলিশ যদি জনগণের ট্যাক্সের টাকায় তাদের সেবকই হয়ে থা, তাহলে তাদের এ ডাকাত সুলভ আচরণ অবশ্যই পাল্টাতে হ, অথবা তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি বিধান করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Affia Tasnim ১১ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০২ পিএম says : 0
    পুলিশ ভায়েরা জনসেবার মহান কজে নিয়োজিত আছেন ।কিন্তু মাঝে মাঝে তাদের কেউ কেউ একটু বেশি নির্মম হয়ে যান।তাদেরকে আর একটু সহিষ্ণু হওয়া উচিত ।একজন ইমাম সাহেব আলিম এরাও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিছু গরিব ।
    Total Reply(0) Reply
  • Abu bakkar ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৫:২৬ পিএম says : 0
    This is no good news.
    Total Reply(0) Reply
  • shah alam kabir ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৬:০৯ পিএম says : 0
    over good is not a good(should be punished police).
    Total Reply(0) Reply
  • Md Golam Azam ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৬:১৭ পিএম says : 0
    Can you please take action against the police who hit our respected teacher From United Kingdom
    Total Reply(0) Reply
  • Md Golam Azam ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৬:১৮ পিএম says : 0
    Can you please take action against the police who hit our respected teacher From United Kingdom
    Total Reply(0) Reply
  • ELEYAS MIA ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৭:১১ পিএম says : 0
    পুলিশ ভাইদের বলছি, ঠাণ্ডা মাথায় দায়িত্ব পালন করবেন। যেন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ালেও কোন দোষ পাওয়া না যায়। আপনারা কিন্তু আইনের ঊর্ধে নন । তাই কাণ্ডজ্ঞানহীনের মত কাজ করবেন না ।
    Total Reply(0) Reply
  • জোহেব শাহরিয়ার ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৮:৫৬ পিএম says : 0
    দেশের জনগণ তাদের ট্যাক্সের টাকায় পুলিশ পোষে যাতে ওরা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশের পুলিশ ভুলে যায় যে, তারা জনগণের চাকর (Public Servant) আর জনগণ হলো তাদের মনিব। তাই তো আমাদের দেশের পুলিশের আচরণ নাৎসিদের গেস্টাপো বাহিনীর চেয়েও খারাপ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকের কি তার নিজ বাড়িত সামনে বসারও অধিকার নেই? এই কি বাংলাদেশ নামক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটির জনসেবক পুলিশ বাহিনীর চিত্র?
    Total Reply(0) Reply
  • Miron ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৮:৫৬ পিএম says : 0
    রাষ্ট ভাইংগা গেছে বহুত আগে. আমি মনে করিনা আপনারা আবার ঘঠন করতে পারবেন. আমাদের এলাকাবাসী বলে, ইসলামী দল গুলো আর কখনো এই দেশ নিয়ে খথা বলবেনা.
    Total Reply(0) Reply
  • আনোয়ার ১১ এপ্রিল, ২০২০, ৯:২২ পিএম says : 0
    পুলিশের বেতন প্রতিমাসে ৬০০ কোটি টাকা, অন্য খরচ ১০০ কোটি টাকা. প্রতি মাসে টোটাল খরচ ৭০০ কোটি টাকা.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মাদরাসা-শিক্ষক
আরও পড়ুন