Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

যুক্তরাষ্ট্রের নার্সিংহোমে ১৭ মরদেহ উদ্ধার

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৯ এপ্রিল, ২০২০, ৭:২০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ পুনর্বাসন কেন্দ্র অ্যান্ডোভার রেহাবিলিটেশন সেন্টারের মর্গ থেকে ১৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ওই নার্সিংহোমে অন্তত ৩৬ জন করোনাভাইরাস সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন।
বর্তমানে নার্সিং হোমগুলো করোনা মহামারির কারণে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে থাকা ৭০ শতাংশেরই কোন পরিবার-পরিজন নেই। তারা আমেরিকার সরকারের সহায়তায় তাদের বাকি জীবন পার করে দেন। আমেরিকার এসব নার্সিংহোমে যারা থাকেন তাদের প্রায় অর্ধেকই ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সের। বাকিদের বয়সও ৬৫ বছরের চেয়ে আশপাশে। তাদের বেশিরভাগই নারী।
গত সপ্তাহে মার্কিন কর্মকর্তারা অ্যান্ডোভার রেহাবিলিটেশন সেন্টারে পৌঁছে দেখতে পান, ১৭টি মরদেহ পৃথক পৃথক ব্যাগে ভরা ছিল এবং মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য ট্যাগ দেওয়া ছিল। স্থানীয় পুলিশ প্রধান এরিক ড্যানিয়েলসন বলেন, নার্সিংহোমের কর্মীরা এত মরদেহ দেখে হতবাক, তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। সেখানকার ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীর সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই নার্সিংহোমের দুইটি ভবন। প্রথম ভবনে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৮ জন ও দ্বিতীয় ভবনে ২৮ জন মারা গেছেন।
নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সে মর্গে কেবল চারটি মরদেহ রাখার ধারণ ক্ষমতা ছিল। তাই চারটি মরদেহ তাদের নিজস্ব মর্গে রেখে অন্য ১৩ জনকে নিউটন মেডিকেল সেন্টারের একটি হিমাগারে স্থানান্তর করা করেছে। ড্যানিয়েলসন বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের শনাক্তকারী কোনও আত্মীয়স্বজন যোগাযোগ করেনি। তারা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। না পাওয়া গেলে নিজেরাই মরদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবেন।
নার্সিংহোমের কর্মীরা জানিয়েছে, সেখানকার ডাক্তার-নার্স সবাই অসুস্থ। তারা প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক কর্মী নিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ