Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

আশরাফুলের বাড়িতেই খতমে তারাবির ব্যবস্থা

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ এপ্রিল, ২০২০, ১১:৫২ পিএম

লকডাউনের কারণে ক্রিকেট থেকে দ‚রে ক্রিকেটাররা। এখন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে মাশরাফি বিন মুর্তজাদের সাথে অনুশীলন আর খেলায় বুঁদ হয়ে থাকার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে পুরো ক্রিকেট পাড়াই এখন থমকে আছে।

আশরাফুলকে তাই বাড়িতেই কাটাতে হচ্ছে আয়েশি সময়। তবে লকডাইনের এই দিনগুলোতেও নিজেকে ও নিজের আশপাশের মানুষকে ফুরফুরে রাখতে চেষ্টার কমতি নেই তার। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিচ্ছেন, বাড়িতেই খেলছেন ক্রিকেট ও অন্যান্য ইনডোর গেম। বাড়িতেই সবাই মিলে জামাতে নামাজ আদায় করছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দ‚রত্ব এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। মসজিদ বা অন্যান্য উপাসনালয়ে বিভিন্ন জায়গার মানুষ একত্রিত হন বলে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে বেশি। এ কারণে উপাসনালয়গুলোতে জনসমাগম করতে মানা। তবে আশরাফুল তার পরিবারের সদস্য ও ভাড়াটিয়াদের নিয়ে বাড়িতেই জামাতের সাথে নামাজ আদায় করছেন। এতে নিরাপত্তাও নিশ্চিত হচ্ছে, মানসিক প্রশান্তিও পাচ্ছেন। লকডাউনে কীভাবে সময় কাটান- জানতে চাইলে আশরাফুল বলেন, ‘সময় ভালোই যায়। ঘুম থেকে উঠতে দুপুর হয়ে যায়, এরপর বাড়ির মানুষ মিলে জামাতের সাথে নামাজ পড়ি। আসরের পর বাড়ির আঙিনাতেই ক্রিকেট খেলি। এশার নামাজের পর ক্যারাম খেলি। কখনো লুডুও খেলি। এভাবেই সময় কাটে।’

আশরাফুল মনে করেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শীঘ্রই দূর হবে না। আর তাই সবাইকে ধৈর্য ধরার আহবান তার, ‘আমার মনে হচ্ছে ভাইরাস আরও অনেক দিন থাকবে। রাতারাতি শেষ হবে না। সবাই যেন ধৈর্য রাখেন। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সবাইকে মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।’ সামনেই পবিত্র রমজান মাস। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পাশাপাশি নফল এবাদতে মশগুল থাকবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। তারাবির নামাজ আদায় করতে এই সময়ে মসজিদে ভিড় বাড়ে। তবে করোনাভাইরাসে সৃষ্ট মহামারীর কারণে মসজিদে সবাই মিলে নামাজ পড়া ঝুঁকিপূর্ণ। আশরাফুল তাই রমজান মাসে নিজ বাড়িতেই খতমে তারাবির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: খতম-তারাবি
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ