Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ২৬ জানুয়ারী ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৬, ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠার ৪৩ বছরেও হয়নি জাতীয়করণ

প্রকাশের সময় : ২০ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি কলেজ ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে কুড়িগ্রাম জেলায় শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত হলেও রহস্যজনকভাবে জাতীয়করণে বঞ্চিত হয়েছে। এতে জনমনে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারের শর্তানুযায়ী উপজেলার মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ সকল শর্তপূরণ করেছে। এদিকে ১৯৭৩ সালে মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অঞ্চলে দরিদ্র পরিবারে আলো ছড়াতে শুরু করে। এখানের কোনো পরিবার দারিদ্র্যর কারণে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়নি। অনেক হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানরা বিনা বেতনে পড়ে এ কলেজের গন্ডি পেরিয়ে দেশের নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুরু থেকে ভালো ফলাফল, খেলাধুলা, স্কাউটিং, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে সমুজ্জ্বলভাবে এগিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠান। কলেজটির শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় জেলার সদর, ফুলবাড়ি, উলিপুরপুর, চিলমারী উপজেলার ছাত্রছাত্রীরা এ কলেজে লেখাপড়া করছে যা অন্য কলেজে নেই। কলেজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেকগুলো স্কুল, ব্যাংক, বীমা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ মো. সফিকুল ইসলাম রানা জানান, কলেজে উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতকসহ ৬টি বিষয়ে অর্নাস কোর্স চালু রয়েছে। কলেজে যথেষ্ট অবকাঠামো ও প্রায় ৭ একর জমি রয়েছে। শিক্ষা বান্ধব সরকারের সুদৃষ্টির কারণে ৪ তলা ভবন নির্মাধীন। কলেজের বর্তমান ছাত্রছাত্রী সংখ্যা তিন হাজার ও শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ৯০ জন। উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত হওয়ায় জেলা সদরসহ অন্যান্য উপজেলার যোগাযোগ অত্যন্ত ভালো। তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু ম-ল, সাধার সম্পাদক মো. জাফর আলী, স্থানীয় সরকারে প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমার রাঙ্গা, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সপুরা বেগমের সুপারিশক্রমে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সংসদে বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ আলহাজ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই একটি ডিও লেটার প্রধানমন্ত্রী বরাবরে দাখিল করেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের স্মারক নং-৬২৪০। এদিকে জাতীয়করণে মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এলাকার জনগণ, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গত ১২ জুলাই কলেজটি জাতীয়করণের লক্ষে রাজারহাট শহরে মানববন্ধন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন