Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ০৮ সফর ১৪৪২ হিজরী

সারাদেশে সাড়ে ৪ হাজার ইউপি সচিবরা করোনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ৮:০৩ পিএম

করোনাভাইরাস ঝুঁকিতে দায়িত্ব পালন করছেন সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের সাড়ে ৪ হাজার সচিব। গ্রামাঞ্চলের তৃণমূল পর্যায়ে ইউপি সচিবরা এই দূর্যোগকালীন মুহুর্তে দুঃস্থ, অসহায়, দিনমজুর ও বিভিন্ন ভাতাভোগীদের তালিকা তৈরিতে জন প্রতিনিধিদের সহায়তা করছেন।
এছাড়া জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম ভিজিএফ, ভিজিডি, জি.আর, জেলেদের বিশেষ ভিজিএফ চাল উত্তোলন, গুদামজাতকরণ ও বিতরণে ইউপি সচিবরা সরাসরি মাঠে কাজ করেন। বতর্মান প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে প্রবাসীদের তালিকা, হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করা, মাইকিং করা, জনগণকে সচেতনসহ সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করে আসছেন।
বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতি (বাপসা) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন ইনকিলাবকে বলেন, ৬৪টি জেলার ৪৫৭১ জন ইউপি সচিব জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোন রকম সুরক্ষা ছাড়াই মানবতার সেবায় নিরলসভাবে করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তারা মাঠে কাজ করার সময় তাদের করোনা ভাইরাস থেকে নিজেদের প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার যেসব সামগ্রী রয়েছে-তার কিছুই নাই। বিশেষ করে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড সেনিটাইজার কিছুই দেওয়া হয়নি। তাদের সুরক্ষার জন্য এসব সামগ্রী প্রদান করা এবং ঝুঁকি নিয়ে যারা কাজ করবেন, তাদের পুরষ্কৃত করাসহ স্বাস্থ্য বীমা প্রদান ও প্রণোদনা দেওয়া হলে তাদেও সেবামূলক কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।



 

Show all comments
  • Good.. ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ১০:১৫ পিএম says : 0
    Asha kori Inshallah pabo
    Total Reply(0) Reply
  • Good.. ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ১০:১৫ পিএম says : 0
    Asha kori Inshallah pabo
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ১১:৩৯ পিএম says : 0
    বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ন কারন এখন করোনার পরিস্থিতির জন্যে সারা দেশে উপহার (দলীয় বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাক্তি বিশেষের দান) ও সরকারি ত্রাণ, প্রণোদনা এসব গ্রামগঞ্জে পৌছানোর উৎসই হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ যার নিয়ন্ত্রন করে থাকে ইউনিয়ন পরিষদের সেক্রেটারীরা। কারন এনাদেরকে ভোটে আসতে হয়না এনারা সরকারের কাছ থেকে যতসামান্য বেতন পান আর পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উপহারেই এনাদের সংসার চলে। এনারা প্রতি ৫ বছর পর পরিবর্তন হন না তাই এনাদের কাছে ইউনিয়নের প্রকৃত চিত্র খুবই পরিষ্কার ভাবে থাকে। কাজেই ইউনিয়নের যেকোন কাজেই এনাদের গুরুত্ব অনেক বেশী। এনাদের কাজের কোন সীমাব্ধতা নেই সবসময়ই এনারা কাজে ব্যাস্ত থাকেন এটাই দেখা যায়। এনারা যত বেশী কাজ করেন এনাদের তত বেশী উপার্জন হয় সেজন্যে রাত নেই দিন নেই এনারা চেয়ারম্যান, মেম্বার বা এলাকাবাসীর বিভিন্ন কাজ করা নিয়েই ব্যাস্ত থাকেন। এদেরকে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা থাকার জন্যে সরঞ্জাম প্রদান করা অতি জরুরী। তাই সরকারকে কাল বিলম্ব না করে এই মূহুর্ত থেকে সারা দেশে অন্তত ৪৫৭১টা কিট পাঠিয়ে দেয়া প্রয়োজন। সাথে সাথে এদের জন্যে ডাক্তারদের মতকরে জীবন বিমা যেটা জীবিত থাকলেও পাবে আবার করোনায় দূর্ঘটনা বশত মারা গেলে আরো বেশী পাবে এমন বীমার ব্যাবস্থা করা প্রয়োজন। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে সঠিক কাজের লোকদেরকে সাহায্য ও সহযোগিতা করার ক্ষমতা প্রদান করুন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ