Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

করোনার মধ্যেই চালু খুলনাঞ্চলের ৮ জুটমিল

আবু হেনা মুক্তি : | প্রকাশের সময় : ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০২ এএম

সরকারের খাদ্য বিভাগের বস্তা সরবরাহের জন্য এক মাস পর খুলনাঞ্চলের ৮টি জুটমিল আংশিকভাবে চালু হয়েছে। এদিকে ১৪ সপ্তাহের মজুরি না পাওয়ার হতাশা কাটাতে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরির ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রনালয়। করোনা আতঙ্ক আর ১৪ সপ্তাহের মজুরি না পাওয়া হতাশার নিয়ে গত রোববার সকাল ৬ টায় এক মাস পর কাজে যোগ দিয়েছে খুলনার ৮ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকলের শ্রমিকরা।

পাটকল শ্রমিকদের হতাশার কোন কারণ নেই বলে জানালেন বিজেএমসির চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ। তিনি জানান, ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে শ্রমিদের মজুরি দেয়ার জন্য ১২৫ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দের চিঠি পেয়েছি। চেষ্টা করছি অল্প সময়ের মধ্যে সে অর্থ ছাড় করিয়ে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি যত দ্রুত সম্ভব প্রদান করা হবে। খাদ্য বিভাগের অর্ডারের পন্য দ্রুত দিতে হবে বিধায় স্বল্প পরিসরে স্বাস্থ্য বিধিমেনে পাটকল চালাতে প্রকল্প প্রধানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থির কারণে মিলগুলো বন্ধ না হলে এতদিনে অর্ডারের পন্য সরবরাহ সম্পন্ন হয়ে যেত বলে জানান তিনি।

এদিকে খুলনার ৮ রাষ্ট্রায়ত্ত¡ পাটকলের মধ্যে কার্পেটিং মিল ছাড়া ক্রিসেন্ট, প্লাটিনাম, খালিশপুর, স্টার, দৌলতপুর, আলীম, ইস্টার্ন ও জেজেআই জুট মিলে ভোর ৬ টার আগেই শ্রমিকরা মিল গেটে প্রবেশ করেছে। অধিকাংশ শ্রমিকরা মাস্ক পরে মিলে প্রবেশ করেছে। মিল চালু হয়েছে জেনে তারা সবাই মিলে উপস্থিত হয়। কিন্তু মিলের ফিনিশিং বিভাগটাই বেশি কাজ চলেছে। তাঁত, স্পিনিং, ব্রেকার, স্বপনারসহ অন্যান্য বিভাগে আংশিকভাবে চলেছে। ফলে অনেক শ্রমিককে কাজ না থাকায় চলে যেতে হয়েছে বলে জানান প্লাটিনাম জুটমিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমিন।

অপরদিকে করোনার প্রভাবে খুলনা ও যশোরের রাষ্ট্রায়ত্ত¡ ৯ পাটকলের ৩০ হাজার শ্রমিক পরিবারে খাদ্য সংকটে চরম হতাশায় দিনযাপন করছেন। গত ১৪ সপ্তাহ কোন মজুরি না পেয়ে চরম মানবেতরভাবে দিনাতি পাত করছে বলে জানান ক্রিসেন্ট জুটমিল এর সাবেক সভাপতি মো. মুরাদ হোসেন।
ক্রিসেন্ট সিবিএর বর্তমান সভাপতি দ্বিন ইসলাম জানান, শ্রমিকদের মজুরি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দেয়ার কথা জানিয়েছিল কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিনের মজুরি বকেয়া থাকায় শ্রমিকরা অনেক হতাশ। তাদের মজুরি অবিলন্বে পরিশোধ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন