Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭, ১৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

কাশ্মীরী তরুণদের ত্যাগ বৃথা যাবে না

প্রকাশের সময় : ২১ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

রাজু আহমেদ
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের তীব্র তা-ব যখন গণমাধ্যমের আলোচনার প্রধান নিয়ামক ঠিক সেই সময়টাতে গণামধ্যমের দৃষ্টি থেকে তীব্রভাবে আড়ালে থাকছে ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সম্মিলিত ঘৃণিত হত্যাকা-ের বিষয়টি। মুসলিম প্রধান বাংলাদেশের ডজন কয়েক প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মধ্যে মাত্র কয়েকটি ডানপন্থি মিডিয়া কাশ্মীরের খবর গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করছে। মধ্যপ্রাচ্যে আত্মঘাতি বোমা হামলায় মাত্র দু’জন মানুষ নিহত হলেও যারা সে খবরকে তাদের পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রকাশ করে ইসলামের বিরুদ্ধে ভিন্নমত গঠনের অপচেষ্টা চালায় তারাই ভারতের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মাত্র সপ্তাহের ব্যবধানে জম্মু-কাশ্মীরের অর্ধশতাধিক মুসলিম হত্যা এবং শত শত মুসলিমকে মারাত্মকভাবে আহত করার খবর প্রকাশ করতে যেন কুণ্ঠিত। সাংবাদিকতার এহেন ন্যাক্কারজনক মনোভাবের প্রতি তীব্র ঘৃণা-নিন্দা-ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দৈনিক ইনকিলাবসহ যারা জম্মু-কাশ্মীরে মুসলিম নর-নারীর প্রতি নিন্দনীয় অত্যাচারের সংবাদ প্রকাশ এবং এ হত্যাকা-ের প্রতিবাদ করছে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের লেখা শুরু করছি।
শুধু ভারত নয় বরং এশিয়া মহাদেশের মধ্যে মাত্র কয়েকটি নয়নাভিরাম জনপদের তালিকা করলে তার মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর অবশ্যই অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হবে। অথচ ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরবাসীর স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে যে জীবনহানি ও রক্তের ধারা প্রবাহিত হয়েছে তা কাশ্মীরবাসীকে তাদের লক্ষ্য পূরণের আকাক্সক্ষাকে দমিয়ে রাখতে না পারলেও ঘৃণা-লজ্জা ও বেঈমানীর তিলক একে দিয়েছে দিল্লীর কর্তাদের কপালে। সর্বশেষ ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে ৮ জুলাই হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ালি নিহত হওয়ার পর সমগ্র পশ্চিম ও উত্তর কাশ্মীর জুড়ে পুলিশ-জনতার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। এ অঞ্চলের প্রধান মসজিদগুলো বন্ধ এবং ১০ জেলায় কার্ফিউ জারি করেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়নি। বরং সময়ের বিবর্তনে পরিস্থিত জটিল থেকে আরও জটিলতর আকার ধারণ করছে। পরিস্থিতির বেহাল দশা উপলব্ধি করে আফ্রিকা সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন বটে কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতির উন্নতির বদলে দিনকে দিন অবনতি ঘটছে। জম্মু-কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী জনতা আগের চেয়ে অনেক বেশি রেডিক্যাল ও প্রত্যয়ী হয়েছে। শিক্ষিত তরুণরা আন্দোলনমুখী হচ্ছে ব্যাপকভাবে। তাদের একটাই দাবি-কাশ্মীরের আজাদী। বর্তমান উত্তপ্ত অবস্থার পূর্বে সর্বশেষ ২০১০ সালেও দীর্ঘ ৪ মাসের আন্দোলনে এ অঞ্চলে ১১০ জন তরুণ নিহত হয়েছিল। বর্তমান সময়ে যারা নিহত হয়েছে তাদের সিংহভাগ তরুণ এবং ১৯৮৯ সালের পর থেকে স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলনকারীরা ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছে। যে কারণে ভারতের কর্তৃপক্ষ গড়ে প্রতি ৭ জন কাশ্মীরীকে দমিয়ে রাখার জন্য একজন পাহারাদার নিযুক্ত করেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে নিয়োজিত ভারতের সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশবাহিনী গুপÍ হত্যা, প্রকাশ্য হত্যা, দমন-পীড়ন, ধর্ষণ করেও কাশ্মীরীদেরকে তাদের ন্যায্য দাবি থেকে বিরত কিংবা দমিয়ে রাখতে পারেনি। অন্যপক্ষে কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘ বিরোধ দু’দেশের মধ্যে একাধিকবার যুদ্ধ পর্যন্ত বাঁধিয়েছে। কাশ্মীরের মালিকানা দাবিতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৪৭, ১৯৬৫ এবং ১৯৯৯ সালে অন্তত তিনটি যুদ্ধ হয়েছে। এছাড়া ১৯৮৪ সালের পর থেকে সিয়াচেন হিমবাহ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেশ কয়েকটি খ-যুদ্ধ হয়েছে। যে কারণে কাশ্মীর সংক্রান্ত সমস্যা বর্তমানে ত্রি-মুখী দ্বন্দ্বে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তানের পক্ষে পাকিস্তান রেঞ্জার্স, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স তৎপরতা চালাচ্ছে। অবশ্য পাকিস্তানের উদ্দেশ্য সাধনে তারা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে চীনের সহায়তা পাচ্ছে। অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের নিয়ন্ত্রণের রাখতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশবাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবিতে জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট, হরকত উল-জিহাদ-আল ইসলামি, লস্কর-এ-তৈয়্যবা, জৈস-এ-মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিন এবং আল বদর বাহিনী প্রাণপণ চেষ্টা করছে। সম্প্রতি ক্রসফায়ারের নামে হিজবুল মুজাহিদিন কামান্ডারকে হত্যা করার পর আবার ফুঁসে উঠেছে সমগ্র জম্মু-কাশ্মীর। জম্মু-কাশ্মীরীদের দাবি, ক্রসফায়ারে নয় বরং তাদের কমান্ডারকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে; যা পরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক। তাই এর প্রভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের ১০টি জেলায় কার্ফিউ জারি করে লোকজনকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা সত্ত্বেও কাশ্মীরীরা আন্দোলন থেকে পিছপা হচ্ছে না।
কাশ্মীরের চলমান সমস্যার সমাধান বর্তমান সময়ের পেক্ষাপটে পাওয়া সম্ভব নয়। এ সমস্যার শিকড় নিহিত রয়েছে অনেক পেছনে। মূলত কাশ্মীর সমস্যার শিকড় নিহিত শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কাশ্মীরীর জাতীয়তাবাদ এবং জওয়াহেরলাল নেহেরুর ভারতীয় জাতীয়বাদের মধ্যে। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার পূর্বে সমগ্র কাশ্মীরের ভৌগোলিক দখল নিয়ে প্রাথমিক ধারণা নিতে হবে। ২০১০ হিসেব অনুযায়ী সমগ্র কাশ্মীরের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের বেশিরভাগ অংশ, কাশ্মীর উপত্যকা, লাডাখ ও সিয়াচেন হিমবাহের ৪৩ ভাগ ভারত অধিকৃত। অন্যদিকে আজাদ কাশ্মীর, গিনগিট ও বালিস্থান তথা সমগ্র কাশ্মীরের ৩৭ ভাগ পাকিস্তানের দখলে। এছাড়া শাকসাম উপত্যকা ও আকসাই তথা সমগ্র কাশ্মীরের ২০ ভাগ চীনের দখলে। এরমধ্যে পাকিস্তান এবং চীনের অংশ নিয়ে তাদের আভ্যন্তরীণ কোন দ্বন্দ্ব নেই, কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর ভারতের সাথে একীভূত থাকতে নারাজ। অবশ্য ১৯৪৭ এর ভারত উপমহাদেশ বিভক্তির পূর্বে কাশ্মীর ভারতের অংশ ছিল না। ১৯৪৬ সালের ১৯ এপ্রিল তৎকালীন কাশ্মীর রাজা কাশ্মীরের স্বাধীনতা চেয়ে ব্রিটিশ কেবিনেটে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ভারত সংবিধানের ৩৭০ নং অনুচ্ছেদের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের সাথে সংযুক্তিরকণের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়। তবে উল্লেখ থাকে যে, কাশ্মীরের স্বায়ত্ত্বশাসনের ক্ষমতা শক্তিশালী থাকবে এবং ভারতে সেখানে নগ্ন হস্তক্ষেপ করবে না। পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে, এতে ভারতের উদারনীতির প্রতিফলন ছিল না, বরং কাশ্মীরবাসীকে দমনের পরিকল্পিত হাতিয়ার ছিল মাত্র। জম্মু-কাশ্মীরীরা স্বাধীনতার জন্য যে আন্দোলন করছে সেখানে তাদের নৈতিক অধিকারও রয়েছে। কেননা জম্মু-কাশ্মীরের আদালত এ সংক্রান্ত মামলার রায়ে বলেছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অংশ নয় বরং সেটা পৃথক জনপদ। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র ২০১০ সালে ডেইলি টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাশ্মীর আদালতের রায়ের পুনরাবৃত্তি করেন। এছাড়া ভারতের বাস্তববাদী জনপ্রিয় লেখিকা অরুন্ধুতী রায় দিল্লীর এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘কাশ্মীর ইজ নট এ পার্ট অব ইন্ডিয়া’। কাজেই ভারত কর্তৃপক্ষ কাশ্মীরীদের যে দাবিকে গলাটিপে হত্যা করতে চাচ্ছে সেটা শুধু বাহু শক্তির জোরেই। সেখানে দিল্লী কেন্দ্রিক প্রশাসনের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।
ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারত এবং পাকিস্তান বিভক্তির সময় কাশ্মীরের পরিণতি কী হবে সেটা মুখ্য বিবেচ্য হয়েই দেখা দেয়। ভারত-পাকিস্তানের জন্মের সময় কাশ্মীরের সামনে ৩টি পথ উম্মুক্ত ছিল। প্রথমত, মুসলিম প্রধান জনাধিক্যে কাশ্মীর পাকিস্তানের সাথে একীভূত হতে পারে। দ্বিতীয়ত, কাশ্মীরের রাজা হিন্দু হওয়ায় তার ভারতের সাথে মিলিত হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। তৃতীয়ত, কাশ্মীর সম্পূর্ণ স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে। তৎকালীন কাশ্মীরের হিন্দু রাজা মহারাজ হরি সিং পাকিস্তানের সাথে মিলিত হওয়া এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অভ্যুদয়ের পথ তথা জনসমর্থনকে উপেক্ষা করে এককভাবে গোপনে দিল্লীতে ১৯৪৭ সালের ২৪ অক্টোর তার প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেন এবং পরবর্তীতে স্বায়ত্বশাসনের চুক্তিতে এ অঞ্চল ভারতের অধিভুক্ত হয়। এ সংবাদে কাশ্মীরের দক্ষিণাঞ্চল বিদ্রোহী হয়ে ওঠে এবং তারা আজাদ কাশ্মীর নাম ধারণ করে পাকিস্তানের সাথে যোগ দেয়। অন্যদিকে কাশ্মীরের ভারত অংশের নাম জম্মু-কাশ্মীর হয়ে যায়। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে মোট ২২ জেলার সমন্বয়ে জম্মু-কাশ্মীর গঠিত। এ অঞ্চলের শীতকালীন রাজধানী জম্মু এবং গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর।
১৯৫৩ সালের ৯ আগষ্ট ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওয়াহেরলাল নেহেরু তার এককালের বন্ধুপ্রতীম শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে কাশ্মীর প্রধান থেকে সরিয়ে তাকে জেলে পুরেন এবং তার বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং পাকিস্তানের পক্ষে সহায়তার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। পরে কাশ্মীর প্রধান হিসেবে মীর কাসিমকে নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু মীর কাসিম তারা আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ এন্ড টাইমস’ গ্রন্থে শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহের প্রতি নেহেরুর অবিচারের কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীকালে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর স্বপ্নকে বাস্তবায়নের মানসে আজকের জম্মু-কাশ্মীরের তরুণরা তাদের জীবন উৎসর্গ করতে উদ্যোগী হয়। সেই থেকে ভারতের সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশবাহিনী কাশ্মীরিদের প্রতি যে অবিচার করছে তার দাম ও ঋণ শোধ তাদের করতেই হবে।
জম্মু-কাশ্মীরীদের প্রতি ভারতের পাশবিক অত্যাচার বন্ধ করার জন্য আবেদন জানাই। প্রতিবাদ জানাই দিল্লীর এমন অমানবিক সিদ্ধান্তের। মানুষের জীবন-রক্ত জড়িয়ে কোনো ন্যায্য আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায় না; ইতিহাসে অন্তত এমন প্রমাণ নেই। জম্মু-কাশ্মীরীদের রক্তের ঋণ শোধ করতেই হবে। আজাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সন্ধিক্ষণ বোধহয় উপস্থিত। মরণকামড়ের সফলতা ভারত পাবে না; কিছু তরুণের তাজা খুন তারা ঝুলিতে ভরতে পারবে মাত্র। কিন্তু এজন্য ইতিহাস তাদের শতাব্দীর পর শতাব্দী ঘৃণা ভরেই স্মরণ করবে। কাজেই অবিলম্বে জম্মু-কাশ্মীরীদের প্রতি অন্যায়-অবিচার বন্ধ করে তাদের দাবি মেনে ভারতকে শান্তির পথে হাঁটতে হবে। সেটাই তাদের জন্য কল্যাণকর হবে বলে আশা করি। শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কাশ্মীরীর জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠায় কাশ্মীরের তরুণরা যে ত্যাগ করছে, তা বিফলে যাবে না। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বোধোদয় হোক এবং সুদিন ফিরুক জম্মু-কাশ্মীরীদেরÑএটাই প্রত্যাশা।
য় লেখক : কলামিস্ট
ৎধলঁ৬৯ধষরাব@মসধরষ.পড়স



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কাশ্মীরী তরুণদের ত্যাগ বৃথা যাবে না
আরও পড়ুন