Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার , ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

চিঠিপত্র : ফার্মের মুরগির ডিম ও ভোক্তা স্বার্থ

প্রকাশের সময় : ২১ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

গত মে মাস থেকে ফার্মের মুরগির ডিম ও মুরগির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ডিমের দাম খুচরা হালিপ্রতি ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা হয়। মুরগির দাম খুচরা কেজি প্রতি ১৩০ টাকা থেকে হয় ১৭৫ টাকা। সংবাদপত্রের খবর থেকে জানা যায়, বৃহৎ ও মাঝারি প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান ২৫-৩০ টাকা মূল্যের এক দিনের মুরগির বাচ্চা দাম গোপনে বাড়িয়ে দেয় এবং বর্তমানে ৭৫-৮০ টাকায় উঠিয়েছে। এতে মুরগির ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে। এ অবস্থায় ফার্মের মুরগির ডিম ও মুরগির ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একদিনের বাচ্চার মূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহকে আইনের আওতায় এনে জরিমানা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
মো. আশরাফ হোসেন,
১২০ সেন্ট্রাল বাসাবো, ঢাকা-১২১৪।

দুই রাস্তার মাঝখানে ব্যারিকেড দেওয়া প্রসঙ্গে
জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত চার লেন রাস্তায় জয়দেবপুর থেকে ভালুকা পর্যন্ত সম্পূর্ণটাই হলো শিল্প এলাকা। চার লেন রাস্তা হওযায় এই রাস্তায় বাস এবং ট্রাকসহ সব যান খুবই বেপরোয়াভাবে দ্রুতগতিতে চলাচল করে। সাধারণত গার্মেন্টগুলোর শুরুর এবং শেষের সময় রাস্তায় মানুষের চলাচল বেড়ে যায় কয়েকগুণ। দুই রাস্তার মাঝখানে কোনো উঁচু ব্যারিকেড না থাকায় যে কেউ রাস্তা পারাপার হয় যে কোনো দিক দিয়েই। এমনকি রিকশা, ভ্যানও পার করে এই বিপজ্জনক জায়গাগুলো দিয়েই। জেব্রা ক্রসিং থাকলেও সেখানে গাড়িগুলো তাদের গতি কমায় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। কারণ অনেক জায়গাই আইল্যান্ডগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সমান হয়ে গেছে। ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রায়ই। কিছু দিন আগেও গার্মেন্ট কর্মী দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় রাস্তা আটকিয়ে রাখা হয়েছিল অনেকক্ষণ। সামনে ঈদ। রাস্তায় গাড়ি চলাচল আরো বেড়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে দুর্ঘটনা বাড়তেই থাকবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব দুই রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ড অবশ্যই স্টিলের গ্রিলের ব্যারিকেড দিয়ে দিতে হবে এবং কিছু জায়গায় যেখানে শিল্প কারখানা বেশি সেখানে ওভারব্রিজ দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। কিছু কিছু জায়গায় ট্রাফিক পুলিশ ও সিগনালের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতেই হবে। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সাঈদ চৌধুরী,
শ্রীপুর, গাজীপুর।

পলিথিনের ব্যবহার বাড়ছে
২০০২ সালে আইন করে পলিথিন উৎপাদন বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। যদি কেউ নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, আমদানি কিংবা বাজারজাত করে তবে তার শাস্তি হবে ১০ বছর কারাদ- বা দশ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ-। পরিবেশের জন্য হুমকি পলিথিন ব্যবহার না করার জন্য আইনের এমন ধারা সত্যিই আশাজাগানিয়া। কিন্তু আশা হতাশায় রূপ নেয় যখন দেখা যায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বেড়েই চলেছে পলিথিনের দাপট। জ্যামিতিক হারে বাড়ছে এর ব্যবহার। আপনি আমি আমরাই পলিথিন ব্যবহার করে নিজেদের পরিবশকে করছি বাগাড়ে পরিণত। অথচ পরিবেশ বিনষ্ট না হওয়ার জন্য কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা লাগে না। মনমানসিকতার পরিবর্তনেই পরিবেশ নিরাপদ রাখতে পারি। তা না করে আমরা পলিথিন ব্যবহার করেই চলেছি। এটা জেনেশুনে পলিথিনে অভ্যস্ত হওয়া মানে ক্ষুধার্ত বাঘের খাঁচায় ঢোকার সমতুল্য। বাজারে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো দরকার। এতে পলিথিনের সহজলভ্যতা দূর হবে। মানুষের মাঝে আরো সচেতনতা বাড়বে।
সঞ্জয় দেবনাথ
ইদ্রিস কলোনি (আজম রোড),
নাজিরহাট, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন