Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

লক্ষ্মীপুরে চাঁদা না পেয়ে দু’শিশুকে নদীতে নিক্ষেপ

লক্ষ্মীপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৮ মে, ২০২০, ৫:৩৫ পিএম

লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট এলাকায় ভোলাগামী এক পরিবারের ১১ সদস্যকে জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ভাতিজা আল আমিন ছৈয়াল (২৫) ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় দুই শিশুকে নদীতে পেলে দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিশুসহ পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে। তবে আগেই পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। শুক্রবার (৮মে) সকালে সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়নের মজুচৌধুরীর হাট অদূরে আশ্রণ প্রকল্প এলাকায় এঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আল আমিন ছৈয়াল ওই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়ালের ভাতিজা। তার বাবার নাম আবু ছৈয়াল। অপরসঙ্গিরা একই এলাকার খোকন বেপারী (২৮) ও সাইজ উদ্দিন সহ ছয়জন বলে জানায় নৌ-পুলিশ।

নদী থেকে উদ্ধারকৃত শিশু দু’টি তিন বছর বয়সের শিশু কন্যা লামিয়া ও ১০ বছর বয়সী শিশু ছেলে নুর আলম। তারা সম্পর্কে মামা ভাগ্নি। জিম্মি থেকে উদ্ধারকৃতরা হলেন, শিশু লামিয়ার মা শাহনাজ (২৪), তিনি ঢাকাস্থ সিএনজি চালক মোখলেছ এর স্ত্রী। বোন সালমা (১৪), শাহনাজের চাচা রুহুল আমিন(৪৫), চাচাতো ভাই রাসেলসহ একই পরিবারের ১১ সদস্য। তারা সবাই ভোলা সদর উপজেলার কাছিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

অভিযুক্ত আল আমীন ছৈয়ালের বক্তব্য জানতে একাধিক বার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে নিজ ভাতিজা আল আমিন ছৈয়ালের বিরুদ্ধে যাত্রীদের জিম্মি করে চাঁদাবাজী ও দুই শিশুকে পানিতে নিক্ষেপের অভিযোগ মানতে না রাজ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ছৈয়াল। এনিয়ে নৌ-পুলিশের সাথেও বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তিনি উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, সে এলাকায় নেই, তার ভাতিজার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি নিজেই দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে বলেন, অভিযুক্ত যেই হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ব্যাপারে মৌজু চৌধুরীরহাট নৌ-পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) অচিন্ত কুমার দে জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌছে পরিবারের ১১ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, অভিযুক্তরা স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাতিজা। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ নেয়ার পর তাদের ভোলায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন