Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

বাধামুক্ত রাখতে হবে আমদানি-রফতানি

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০২০, ১২:০২ এএম

ভিডিও কনফারেন্সে বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়ীক অংশিদার। বিগত ১০ বছরে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ৫.১ বিলিয়ন থেকে ৮.৯ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ ভারত থেকে অনেক জরুরি প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে থাকে। এগুলোর সরবরাহ প্রক্রিয়া বাধামুক্ত থাকা একান্ত প্রয়োজন।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে এ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি অফ ইন্ডিয়া আয়োজিত ভিশন মেঘালয়, ভিশন নর্থইষ্ট ইন্ডিয়া বাংলাদেশ পার্টনারশিপ শীর্ষক ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে চলমান বিভিন্ন জটিলতা দূর করতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে। সমস্যা চিহ্যিত হলে, তা সমাধান সহজ হবে। এ ফোরামের মাধ্যমে ভারতের ব্যবসায়ীগণ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে বলে আমি আশা করি। চিহ্যিত সমস্যাগুলো সমাধান হলে উভয় দেশে লাভবান হবে এবং ব্যবসার গতিও বাড়বে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ এর কারনে যাতে জরুরি পণ্য সরবরাহ চেইনে কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য ভারতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসরকারি সেক্টরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে সরকারের পর্যায়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে এ সময়ে নর্থইষ্ট ইন্ডিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যে যাতে কোন প্রভাব না পরে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। উভয় দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে নট- টেরিফ বেরিয়ারগুলো দূর করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট অফ নর্থ-ইষ্ট রিজিওন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং, মেঘালয় রাজ্যের চিফ মিনিষ্টার শ্রী কনরদ কংকাল সাংমা, বাংরাদেশের বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজ সরিফা খান এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলী দাস ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আমদানি-রফতানি

১৬ এপ্রিল, ২০২১
১৯ মার্চ, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন

ব্যাংকগুলোর দ্রুত রফতানি আয় নগদায়নের নির্দেশ

খোলাবাজারে ডলারের দাম যখন সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় ঠেকেছে। তখন সংকটে লাগামহীন বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংক প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে বৈঠকে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে চলমান সংকট নিরসনে ব্যাংক প্রধানদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দিক নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভাশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় শিগগিরই ডলারের বাজারে স্বস্তি ফিরবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোকে রফতানি আয়ের দ্রুত নগদ আদায়ের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি দামে ডলার বেচাকেনা করছে, তার রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার কথা জানান ব্যাংকাররা।   এ দিকে রোববার (১৪ আগস্ট) খোলাবাজারে ডলারের দাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমানে কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকায়। মতিঝিলের কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে তারা ১১০ থেকে ১১১ টাকা দরে ডলার কিনছে এবং বিক্রি করছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকা দরে। তবে ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমায় বলা যাবে না বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। যতদিন না টাকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়ছে, বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ডলারের বাজার দোদুল্যমান থাকার শঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরা।  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ