Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ঘরে ঢুকে গুলি করে হত্যা

রোজা-করোনায়ও অপরাধের বিস্তার চট্টগ্রামে

রফিকুল ইসলাম সেলিম : | প্রকাশের সময় : ১৭ মে, ২০২০, ১২:০২ এএম

চট্টগ্রামে মাহে রমজান এবং করোনায়ও চলছে একের পর নৃশংস হত্যাকান্ড। খুনি, অস্ত্রবাজদের বেপরোয়া তান্ডব। বোয়ালখালীতে রাতের আঁধারে ঘরে ঢুকে গুলি করে এক যুবকে হত্যা করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন পিতা ও ভাই। বাঁশখালীতে বারো ঘণ্টায় নৃশংস তিন খুনের পর জোড়া খুনের আসামি গতকাল শনিবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছে। দুটি ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
অপরাধের বিস্তারে জনমনে উদ্বেগ-শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। গত এক মাসে চট্টগ্রামে অন্তত ৩০টি নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে। রাউজান ও হাটহাজারীতে প্রকাশ্যে দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধে ফটিকছড়ি ও সীতাকুন্ডে কুপিয়ে হত্যা করা হয় চার কিশোর যুবককে। এ ছাড়া মহানগর ও জেলার পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলীতে বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটে।
সর্বশেষ শুক্রবার মধ্যরাতে বোয়ালখালীর চরণদ্বীপে গুলি করে নাছির উদ্দিন (৩৫) নামে একজনকে হত্যা করা হয়। গুলিবিদ্ধ তার পিতা মোহাম্মদ আলী মদন (৭৭) ও ছোটভাই লোকমান হোসেনকে (২৬) চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওসি আব্দুল করিম বলেন, শওকত ও জসিমদের সাথে নিহত নাছিরের পরিবারের বিরোধে এ ঘটনা। জসিম ও শওকতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানায় জসিমরা যাকাত দিতে গেলে নাছিরের ভাই লোকমানের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষে গুলির ঘটনা ঘটে।
এদিকে বাঁশখালীর ইলশা গ্রামে দুই পক্ষের সংর্ঘষে দুই মাদরাসা ছাত্র খুনের আসামি কতিথ বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। নিহত নুরুল আনছার কালু (৪০) ওই জোড়া খুনের তিন নম্বর আসামি। মঙ্গলবার রাতে গুলি বর্ষণের ঘটনায় হাফেজ মোহাম্মদ খালেদ বিন ওয়ালিদ ও হাফেজ মো. ইব্রাহিম মারা যান। ওসি রেজাউল করিম বলেন, আসামিরা ব্রিক ফিল্ড এলাকায় আছে জেনে পুলিশ অভিযানে গেলে তারা গুলি ছুড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে ১২ মামলার আসামি কালু মারা যান। মঙ্গলবার বাঁশখালীতে এক ট্রাক চালককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রামে অস্ত্রবাজিও থেমে নেই। ১৪ মে র‌্যাবের অভিযানে রাঙ্গুনিয়া-পটিয়া সীমান্তবর্তি দূর্গম পাহাড়ে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান মিলে। সেখান থেকে চারটি অস্ত্র, গুলিসহ বিপুল অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব বলছে সেখানে তৈরী অস্ত্র জেলার বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করা হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোজা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ