Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ আশ্বিন ১৪২৭, ০৩ সফর ১৪৪২ হিজরী

নিয়ন্ত্রণে কঠোর ডিএমপি

ঢাকায় আসা-যাওয়া

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ মে, ২০২০, ১২:০১ এএম

করোনাভাইরাস মহামারীর বিস্তার বাড়তে থাকায় লকডাউনের মধ্যেও শিথিল হয়ে পড়া রাজধানীতে আসা ও বাইরে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে ফের কড়াকড়ি আরোপ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে প্রতিটি প্রবেশমুখে তল্লাশি ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে শুরুতে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল, এখন থেকে আবার সেই ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে সকাল ৮টা থেকে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যাতে কোনো ব্যক্তি একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকা শহরে প্রবেশ বা ঢাকা শহর থেকে বাইরে যেতে না পারেন সে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। জরুরি সেবা ও পণ্য সরবরাহ কাজে নিয়োজিত যানবাহনসমূহ এই নিয়ন্ত্রণের আওতামুক্ত থাকবে। তিনি আরো বলেন, উপযুক্ত কারণ ছাড়া কোন ব্যক্তি যানবাহন চালালে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কোতয়ালী থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সকাল থেকে নয়াবাজার সেতুর কাছে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি সেবা ও পণ্য সরবরাহ কাজে নিয়োজিত যানবাহন ছাড়া বাকিগুলোর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

উত্তরা বিভাগের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, ধউর সেতু ও আব্দুল্লাহপুরে ঢাকায় প্রবেশ পথে তল্লাশি চৌকি বাসানো হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও কেউ হেঁটে প্রবেশ বা বাহির হতে চাইলে তার কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে এবং যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখালে কাউকে প্রবেশ বা বের হতে দেয়া হচ্ছে না। যথোপযুক্ত কারণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি যানবাহন চালালে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ্য করেন। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে জনগণকে বাসায় থাকায় অনুরোধ জানায়। এই লকডাউনের মধ্যে কয়েকদফা বেড়ে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি রয়েছে।



 

Show all comments
  • Mukta Khatune ১৮ মে, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 0
    এ তো চলছেই, কিন্তু লোকজনের যাওয়া-আসা থামছে না। যার গ্রামে ভাল লাগছে না আর তারা ঢাকায় আসে। আর যাদের ঢাকায় ভাল লাগছে না তারা গ্রামে যাচ্ছে। শুধু বাসের বদলে মাইক্রোবাস/ প্রাইভেট কার ব্যবহার করছে। ১০০০ টাকার ভাড়া ২৫০০-৩০০০ কোন কোন ক্ষেত্রে আরো বেশি নিচ্ছে, এই যা পার্থক্য।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Younus Prodhan ১৮ মে, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 0
    খাবার আর বাসা ভাড়া দিলে আশা করি সকলে ঘরেই থাকবেন। নাহলে যত কঠিন করা হোকনা কেন মানুষ পেটের তাগিতে বের হবেই।
    Total Reply(0) Reply
  • Rafe Sohorab ১৮ মে, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 0
    শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ডিএমপি কে। দেশের ক্লান্তিকালে নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশের ও জনগনের কল্যানে কাজ করার জন্য আসুন আমরা সকলে সহযোগিতা করি।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Jahir ১৮ মে, ২০২০, ১:৪৭ এএম says : 1
    মিথ্যা বলে অনেক লোক আসবে যাবে। আবার অনেক লোক বিশেষ প্রয়োজনেও আসতে যেতে পারবেনা। আসা করি আপনারা সেদিকে খেয়াল রাখবেন আপনারাই আমাদের অভিভাবক
    Total Reply(0) Reply
  • Subir Xavier Nokrek ১৮ মে, ২০২০, ১:৪৮ এএম says : 0
    অনেকের কাজ নেই। এদিকে ঘরভাড়া ২/৩ মাসের বাকি। যারা ঢাকা থেকে বাসা ছাড়ছে তাদের জন্য কোনো শিথীলতা আছে কিনা এ ব্যাপারে?
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৮ মে, ২০২০, ৯:৫২ পিএম says : 0
    একটা কথা আমি বার বার বলছি সেটাকে ভালভাবে মনে রাখার জন্যে সেটা হচ্ছে, প্রবাদ আকারে আমরা শুনে থাকি এবং কার্যকর হতেও দেখে থাকি সেই প্রবাদটা হচ্ছে “প্রথম রাতেই বিড়াল মারা”। এই প্রবাদটা অতি পরিক্ষিত প্রবাদ এটা শুনতে যদিও খুবই খারাপ লাগে তারপরও এটাই সত্য সেটা আমরা দেখেছি। এই করোনা পরিস্থিতির উপর সরকার যখন কাজ শুরু করেন তখন সরকারের কর্মকর্তারা শাস্তির মাধ্যমে প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে চেয়ে যে বেকায়দায় পরেছিলেন সামাজিক মাধ্যমের কারনে এতে করে বিড়াল বেচে যায় আর সরকারের দফারফা শুরু হয়। এখনও একের পর এক কঠিন আইন করার পরও বিড়াল তাঁর বদজাতি কর্মকাণ্ড চালিয়েই যাচ্ছে। আমার মনে হয় এই করোনাভাইরাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারকে এভাবেই নাজেহাল হতে হবে এটাই পূর্ব-আভাশে বলে দিচ্ছে। আমি দেখেছি সরকার সেনা বাহিনী নামিয়েছিলেন কিন্তু তারপরও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি তাই নীরবে আবার তাদেরকে সেনাকুঞ্জে ফিরিয়ে নিয়েছেন। কাজেই সরকারপ্রধান যেভুল প্রথমেই করেছেন মানে বিড়াল মেরেও ছেড়ে দিয়েছেন সেটা আর সংশোধন হবার নয়। যদিও সরকার এখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যাবহার (প্রয়োগ) করছেন, নতুন করে কঠিন আইন করছেন তারপরও সকল বিষয়টা সরকারের লেজে গোবরে লেগে আছে। কাজেই আমাদেরকে মনে রাখতে হবে বিজ্ঞজনেরা যেসব উপদেশের বাণী আমাদের জন্যে প্রবাদ আকারে রেখেগেছেন সেটা আমাদেরকে সঠিক ভাবে জানতে হবে এবং সেইভাবে সাবধানতা অবলম্বন করে কাজে অগ্রসর হতে হবে। আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে আল্লাহ্‌র নির্দেশিত পথ চিনে সেইভাবে পথ চলার ক্ষমতা প্রদান করুন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডিএমপি

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন