Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫, ১৪ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ভারতীয় সেই হাতিকে কলাগাছ খাওয়ালেন উদ্ধার কর্মীরা

প্রকাশের সময় : ২৩ জুলাই, ২০১৬, ১২:০০ এএম

জামালপুর জেলা সংবাদদাতা : ভারতীয় সেই বুনো হাতিটি যমুনার দুর্গম ছিন্নার চর ছাড়ছেনা। গত চারদিন ধরে ঘুরে ফিরে সিরাজগঞ্জ জেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের জনবসতিহীন ছিন্নার চরেই অবস্থান করছে। হাতিটি বন্যপ্রাণী হলেও তেমন হিং¯্র নয়। কাউকে ক্ষতি করে না। কেউ বিরক্ত করলে একটু ক্ষেপে গিয়ে সামান্য ধাওয়া করে মাত্র। এমনি বর্ণনা করলেন বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা অঞ্চল ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের ছিন্নার চরে আসা চার সদস্যের হাতি উদ্ধার কমিটির প্রধান বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক। ওই উদ্ধার  কমিটিতে দুইজন ভেটেরিনারী সার্জন ও একজন মাহুত রয়েছেন। তারা গত দুইদিন ধরে ছিন্নারচরে অবস্থান করে স্থানীয় পরিবেশ পরিস্থিতি এবং হাতিটির গতিবিধি ও স্বভাব চরিত্র পর্যবেক্ষণ করছেন।
বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক আরও জানান, সিরাজগঞ্জ জেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের পূর্ব ছিন্নারচর থেকে শুক্রবার সকালে নৌকা যোগে ২০টি কলাগাছ সংগ্রহ করে তিনি হাতিটিকে খেতে দিয়েছেন। ওই সময় হাতিটির চোখের দৃষ্টির সন্নিকটে কলাগাছ রেখে দুরে সরে গেলে কিছুক্ষনের মধ্যেই হাতিটি ধীর পায়ে সেখানে এসে কলাগাছ খেতে থাকে। তখন চারিদিক থেকে শতশত দর্শক খুব কাছ থেকে দেখলেও হাতিটি শান্তশিষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছে। তবে মাঝে মধ্যে এদিক সেদিক শান্ত পায়ে ঘুরেফেরা করেছে।
অসীম মল্লিক আরও বলেন, প্রায় ৮ মেট্রিক টন ওজনের বিশাল হাতিটি উদ্ধারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম  তাদের কাছে নেই। বন্যার সময় হাতিটিকে ছিন্নারচর থেকে উদ্ধার করা খুবই দুস্কর। তবে কেউ বিরক্ত না করলে হাতিটি জনবসতিহীন ছিন্নারচরে দীর্ঘদিন অবস্থান করতে পারে। সেক্ষেত্রে বন্যার পানি কমে গেলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করে হাতিটি উদ্ধার করা যেতে পারে। এছাড়াও তিনি বলেন, বন্য প্রানী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক অসিত রঞ্জন পাল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে ছিন্নারচরে অবস্থানকারী বুনো হাতির ব্যাপারে প্রতিনিয়ত জানানো হচ্ছে। তিনি হাতিটি উদ্ধারের জন্য ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করছেন বলেও জানান।

সন্ত্রাসীদের হামলা-মামলা-হয়রানী  থেকে বাঁচতে গ্রামবাসীর আকুতি!
ফটিকছড়ি উপজেলা সংবাদদাতা : ফটিকছড়িতে একদল গ্রামবাসী এক সংবাদ সম্মেলন করে ‘সন্ত্রাসীদের হামলা-মামলা-হয়রানী থেকে বাঁচতে প্রশাসনের কাছে আকুতি জানিয়েছে’। গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে স্থানীয় নাজিরহাট জারিয়া কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এ আকুতি জানানো হয়।  
গ্রামবাসীর পক্ষে নাজিরহাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া সওদাগর লিখিত বক্তব্যে বলেন, দৌলতপুরস্থ বাবুনগর গ্রামের মৃত সুলতান আহমদের পুত্র কুখ্যাত সন্ত্রাসী, জামাত-শিবিরের নামধারী ক্যাডার জাহেদ মাহমুদ ওরফে হাতকাটা জাহেদ সম্প্রতি  নিহত হবার পর তার ছোট ভাই সাহেদ মাহমুদ ও তাদের প্রধান সহযোগী আমানুল্লাহ, ভূট্টো এবং জাহাঙ্গীরগংদের অত্যাচার-অনাচার, প্রাণনাশের হামলা, বিভিন্ন ধরণের হয়রানী, মিথ্যা-বানোয়াট, নামে-বেনামে মামলার কারণে আমরা এলাকাবাসী অসহায় হয়ে পড়েছি। তারা ঠুনকো অভিযোগে বিরোধ বাঁধিয়ে প্রতিনিয়ত গ্রামবাসীর উপর নানা অত্যাচার-অনাচার চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত রমজান মাসে বহিরাগত সন্ত্রাসীবাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কয়েকজন গ্রামবাসীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলাকাবাসী এগিয়ে গিয়ে আহতদের প্রাণে রক্ষা করে এবং একজন সন্ত্রাসীকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
তিনি বলেন, উল্লেখিত ব্যক্তিদের পারিবারিক ঔদ্ধত্য এতই বেড়ে গেছে যে, সমাজ-আইন কিছুই তারা মানছে না। তাদের কথা মতো কেউ না চললে কিংবা তাদের বিপরীত হলে নানা ধরণের হয়রানী করছে; বিশেষত: নামে-বেনামে মিথ্যা-বানোয়াট মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে গণহয়রানী শুরু করেছে। তারা চট্টগ্রাম শহরে বসে ভূঁয়া বাদী বানিয়ে ইতোমধ্যে গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা-বানোয়াট মামলা রজ্জু করে অমানবিক হয়রানী করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, এজাহার মিয়া, সিরাজ উদ্দৌল্লাহ, মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, মাহবুল আলম, আব্দুল কুদ্দুস, রহিম উদ্দীন বাদশা, মোহাম্মদ পারভেজ, নিশাদ প্রমূখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ