Inqilab Logo

রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২২ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

প্রশ্ন : আমরা সবাই জানি যে, ২৬ রমজান দিবাগত রাত লাইলাতুল কদর। তবে শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোর যে কোনো একটি লাইলাতুল কদর হতে পারে বলে হাদিসে আছে। প্রশ্ন হলো, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলো আমাদের কীভাবে কাটানো উচিত?

আশরাফ আলী
ই-মেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৯ মে, ২০২০, ৫:৩৩ পিএম

উত্তর : আসলে হাদিসে যেমন আছে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা তেমনই। আপনি প্রতিটি বেজোড় রাতে সামান্য হলেও কিছু নফল নামাজ, তেলাওয়াত, দান-খয়রাত, তওবা-ইস্তেগফার, দোয়া-দুরুদ ও বিশেষ মোনাজাত করুন। বলা তো যায় না লাইলাতুল কদর কোন দিন। যে জন্য নবী করিম সা. রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদেই থাকতেন। এখনো লাখো মানুষ এ জন্যই ইতেকাফ করে। বেজোড় রাতগুলোতে বেশি এবাদত করতে না পারলেও জামাতে এশা ও ফজর পড়লে আল্লাহ তায়ালা তাকে লাইলাতুল কদর পাওয়া লোকদের অন্তর্ভুক্ত করবেন বলে হাদিসে আছে। ২৬ তারিখ দিবাগত রাত (২৭ রমজান) বেশি সম্ভাবনা থাকায় আমলে মগ্ন থাকা ভালো। লাইলাতুল কদরে বিশেষ কোনো আমলের কথা কোরআন হাদিসে নেই। একটি দোয়া মহানবী সা. বেশি বেশি করতে বলেছেন। যার বাংলা অর্থ ‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনার ভালো লাগে। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ই-মেইল ব্যবহার করুন।

[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • ফরিদা বিনতে ইসলাম। ১৯ মে, ২০২০, ৮:০৩ পিএম says : 1
    সবে কদর কি এক এক দেশে একদিন হবে? সৌদি আরবে যেদিন বিজোড় রাত সেদিন বাংলাদেশেে জোড় রাত। এখন সবে কদর পাওয়ার জন্য জোড় বিজোড় না দেখে শেষ দশকের সব রাতেই সবে কদরের আশায় ইবাদত করলে কি ভালো না?
    Total Reply(0) Reply
  • MOHAMMAD LOKMAN ২০ মে, ২০২০, ১১:১৫ এএম says : 0
    Right
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

২০ নভেম্বর, ২০২১
১২ নভেম্বর, ২০২১
৫ নভেম্বর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : এক ব্যক্তি আমার বেশ কিছু টাকা আত্মসাৎ করেছিল। প্রায় ১৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের মাধ্যমে সে টাকা আমি ফেরত পেয়েছি। উক্ত টাকা ছাড়াই আমার নিসাব পরিমান সম্পদ শুরু থেকেই ছিল এবং উক্ত টাকা বাদ দিয়ে আমি আমার সম্পদের যাকাত দিয়ে আসছি। এখন প্রশ্ন এই যে, আত্মসাৎকারীর টাকা ফেরত পাওয়ার এক বছর পর কী এই টাকার উপর যাকাত দিতে হবে নাকি বিগত সব বছরের জন্য যাকাত দিতে হবে। এ আইনি লড়াইয়ে আমার যে পরিমান টাকা ব্যয় হয়েছে তা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকার, নাকি ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার ওপর যাকাত দেব ?

উত্তর : ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার যাকাত দিতে হবে। ফেরত না পেলে যাকাত দিতে হতো না। ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও যাকাত দিতে হত না।

আমরা জানি যে, রাতের বেলা ঘুমানোর আগে ৪ বার সূরা ফাতিহা, ৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার দুরুদে ইব্রাহীম, ৪ বার কালেমা তামজিদ ও ১০ বার ইস্তেগফার পড়লে যথাক্রমে ৪০০০ দিনার দান, ১ বার কুরআন খতম করা, জান্নাতের মূল্য দেওয়া, ১ বার হজ্ব করা ও দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দেওয়ার নেকী পাওয়া যায়। এখন আমার প্রশ্ন হল, সোয়াবের আশায় বা পরকালে লাভবান হওয়ার জন্য কোন নফল ইবাদত বা এই আমলগুলো পরিমাণে বেশি করলে (যেমন ৩ বারের জায়গায় ৬ বার, ৪ বারের জায়গায় ৮ বার, ৩৩ বারের জায়গায় ৫০ বার পড়লে) বিদাআত হবে কি?

উত্তর : হাদীসে বর্ণিত নিয়ম পালন করাই ঘোষিত সওয়াব পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। সুন্নাত নিয়ম সুন্নাতের মতোই করা উচিত। এরপর আপনার ইচ্ছা হলে আরও বেশি নেকীর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ