Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৪ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

যে রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম

খালেদ সাঈফুল্লাহ সিদ্দিকী | প্রকাশের সময় : ২১ মে, ২০২০, ১২:০৩ এএম

নাজাত দশকের প্রথম দিবস ২১ রমজান। এই দশক রমজানের বিদায় দশক। আলবিদা মাহে রমজান আল বিদা, এই বলেই রমজান মাসকে বিদায় জানানো হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) মাহে রমজানের আগমন উপলক্ষে শাবান মাসের শেষ তারিখে যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দান করেন এর এক স্থানে উল্লেখ করেন, ‘ওয়া হুওয়া শহরুন, আউয়ালুহু রাহমাতুন, ওয়া আওসাতুহু মাগফিরাতন, ওয়া আখেরুহু ইতকুম মিনান্নারে।’ অর্থাৎ এটি এমন এক মাস যার প্রথমাংশে রয়েছে রহমত, মধ্যাংশে মাগফিরাত এবং শেষাংশে রয়েছে দোযখ হতে মুক্তি। এই শেষ ভাগ সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে যে, তিন প্রকারের লোকের মধ্যে এই শেষ শ্রেণির যেসব লোক অধিক গুণাহগার, তারা রমজানের অধিকাংশ ভাগ রোজা রাখার পর দোযখ হতে মুক্তি লাভ করবে। তাই এটি নাজাতের দশক হিসেবে পরিচিত।
মাহে রমজানের এই শেষ দশকে নাজাত লাভের অধিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, এই দশকের মধ্যে এমন একটি মহিমান্বিত রাত নিহিত রয়েছে, যাকে আল্লাহ তাআলা ‘খাইরুম মিন আলফে শাহরিন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম। অধিকাংশের মতে, এই রাত অর্থাৎ ‘লাইলাতুল কদর’ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক অনির্দিষ্ট বা গোপন রাখায় তা সহজে লাভ করার একটি উত্তম ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যা মাত্র এক দশকের সাধনায় অর্জন করা যায় এবং তা হচ্ছে, রমজানের শেষ দশক ‘এতেকাফ’ পালন করা। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পবিত্র অভ্যাস বা নিয়ম ছিল এই যে, তিনি যত দিন (রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর) জীবিত ছিলেন প্রতি বছরই রমজানে পূর্ণ মাস এতেকাফ পালন করেছেন এবং যে বছর তার ওফাত হয় সে বছর তিনি এক মাসের পরিবর্তে কুড়ি দিন এতেকাফ পালন করেছিলেন। তবে অধিকাংশ সময় রমজানের শেষ দশদিন এতেকাফ করাকে ‘সুন্নতে মোওয়াক্কাদা’ হিসেবে গণ্য করেন। এই এতেকাফের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, শব-ই-কদর অনুসন্ধান করা। আর এতেকাফই হচ্ছে এ জন্য বিশেষ উপযোগী।
এ সম্পর্কে ইবনে কাইয়েম বলেন, এতেকাফের উদ্দেশ্য এবং এর রূহ বা প্রাণ হচ্ছে অন্তরকে আল্লাহ তাআলার পবিত্র জাত-সত্তার সাথে সম্পৃক্ত করা, যাতে অন্তর সকল দিক থেকে বিরত হয়ে তারই সাথে যুক্ত হয়ে যায় এবং সমস্ত ব্যস্ততার পরিবর্তে সেই পবিত্র সত্তার সাথে নিয়োজিত হয়ে পড়ে। আর আল্লাহ তাআলার জাত-সত্তার অপরদিক থেকে অন্তর বিচ্ছিন্ন হয়ে এর সাথে এমনভাবে মিলে যাবে যাতে সমস্ত চিন্তা-ভাবনা এ মন-মানসিকতার স্থলে আল্লাহতাআলারই জিকির এবং তার ভালবাসা অন্তরে পরিবেষ্টিত হয়ে যায়। এমনকি মাখলুকের সাথে ভালবাসার স্থলে আল্লাহতাআলার সাথে ভালবাসার সৃষ্টি হয়। এই ভালবাসা কবরে ভীতিকর অবস্থায় সাহায্য করবে। কেননা সে দিন আল্লাহতাআলার জাত-সত্তা ব্যতীত কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু ও সান্ত্বনাদাতা থাকবে না। যদি অন্তর তাঁর সাথে পরিচিত হয়ে যায়, তাহলে অতি আনন্দের সাথেই সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে।
এতেকাফ অবস্থায় আল্লাহতাআলার এবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকার এক অপূর্ব সুযোগ। মানুষের নিদ্রা ও জাগ্রত থাকা এবাদতেরই অন্তর্ভুক্ত এবং এতে আল্লাহতাআলার নৈকট্য লাভ করা যায়। হাদীসে কুদসীতে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দু’হাত নিকটবর্তী হই। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে আস্তে আস্তে অগ্রসর হয় আমি তার দিকে দৌড়ে আসি।’ কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে, এতেকাফ শব-ই-কদর ও আল্লাহতাআলার নৈকট্য অর্জনের বড় মাধ্যম। রাসূলুল্লাহ (সা.) সারা রমজান মাসেই এবাদত-বন্দেগির প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করতেন, কিন্তু রমজানের শেষ দশকে এর কোন অন্ত থাকত না। তিনি রাতে খোদ জাগ্রত থাকতেন এবং ঘরের লোকজনকেও জাগানোর ব্যবস্থা করতেন। বোখারী ও মুসলিমের একটি বর্ণনা হতে জানা যায় যে, হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রমজানের শেষ দশকে রাসূলুল্লাহ (সা.) লুঙ্গী মজবুত করে বাঁধতেন, রাতগুলোতে জাগ্রত থাকতেন এবং ঘরের লোকদেরকেও জাগাতেন।’
হাদীসে কুদসীতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, আল্লাহতাআলা বলেন, ‘হে বনি আদম! আমি তোমাদের অভাবকে সচ্ছলতায় ভরে দেব, তোমাদের দারিদ্র্য দূর করে দেব। নতুবা তোমাদের হৃদয়কে নানাবিধ সংকট-সমস্যায় জড়িয়ে দেব, আর তোমাদের অভাবও মিটবে না।’
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যখন আল্লাহতাআলা কাউকে ভালোবাসেন তখন জিবরাইল (আ.)কে বলেন, ‘অমুক বান্দাকে আমি ভালোবাসি, তুমিও তাকে ভালোবাসবে।’ জিবরাইল (আ.) তাকে ভালোবসতে থাকেন ও আসমানে ঘোষণা করে দেন যে, ‘অমুক বান্দা আল্লাহর মাহবুব, কাজেই তোমরা সকলে তাকে ভালোবাসতে থাক।’ তখন আসমানের বাসিন্দারা সকলেই তাকে ভালোবাসতে থাকেন। অতঃপর দুনিয়াবাসীদের অন্তরে ভালোবাসা সঞ্চারিত করে দেয়া হয় এবং সাধারণ নিয়ম বহিভর্‚তভাবে নিকট ও দূরের সবাই এমনকি সমুদ্রের অধিবাসীরাও গহীন জঙ্গলের বাসিন্দারা পর্যন্ত তাকে ভালোবাসতে থাকে ও তার জন্য দোয়া করতে থাকে। এই হাদীসের আলোকে লাইলাতুল কদরে যে বান্দা আল্লাহতাআলার নৈকট্য লাভের জন্য সচেষ্ট হবে, সে আল্লাহতাআলার এবং আসমান ও জমিনের অধিবাসীদের ভালোবাসা অর্জন করতে পারে।
লাইলাতুল কদর আল্লাহতাআলা গোপন রেখেছেন, যাতে মুসলমানগণ এর সন্ধানে লিপ্ত থাকে। বিভিন্ন হাদীস হতে জানা যায় যে, রমজান মাসের শেষ দশকের মধ্যে এই রাত নিহিত রয়েছে। এ সম্বন্ধে হজরত আবু সাঈদ খোদরী (রা.) বর্ণনা করেন যে, ‘আমরা একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে রমজান মাসের মধ্যে এতেকাফ করি, তখন তিনি আমাদেরকে বলেন, ‘আমি লাইলাতুল কদর প্রত্যক্ষ করেছি কিন্তু এর সঠিক তারিখ আমার স্মরণ নেই, অবশ্য তা তোমরা রমজানের শেষ দশকের মধ্যে তালাশ কর।’ (ইবনে মাজা)
ইমামগণের মধ্যে এই রাত সম্বন্ধে যথেষ্ট মতভেদ দেখা যায়। ‘নাইলুল আওতার’ নামক গ্রন্থে ইমাম শওকানী ৪৫টি মত নকল করেছেন। অধিকাংশ সাহাবা ও ইমামদের মতে ‘লাইলাতুল কদর’ ২৭ রমজানের রাত হয়ে থাকে। ইমাম গাজ্জালী (রহ.) বলেন যে, বছরের মধ্যে ১৫টি রাত ফজিলতপূর্ণ, এসব রাত এবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকার রাত। রাতগুলো হচ্ছে মাহে রমজানের শেষ দশকের পাঁচটি বেজোড় রাত। অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজান। এসব রাতে কদর রজনী তালাশ করতে হয়। আরও একটি রাত হচ্ছে ১৭ রমজানের রাত, এই দিন বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। হজরত ইবনে জোবাইর (রা.) বলেন, ‘কদর রজনী এটাই।’ বাকি রাতগুলোর বর্ণনাও ইমাম গাজ্জালী (রহ.) দিয়েছেন। (এহিয়াউল উলুম)। মোটকথা, ‘লাইলাতুল কদর’ ২৭ রমজানের রাত হোক কিংবা ভিন্ন রাত, এই রাতের বিভিন্ন নিদর্শনের কথাও হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। এই রাতের শেষে যখন সূর্য উদিত হয় তখন এর কোন কিরণ থাকে না। হজরত ইবনে আবি লুবাবা (রা.) বলেন যে, ‘আমি ২৭তম রমজানের রাতে সমুদ্রের পানি মুখে নিয়ে দেখি যে, ঐ পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি ছিল।’ আইয়ুব ইবনে খালেদ (রা.) বলেন, ‘আমার গোসল করার প্রয়োজন দেখা দিলে আমি সমুদ্রের পানিতে গোসল করি এবং সমুদ্রের পানি মিষ্টি ছিল।’ এই ঘটনা ২৩ রমজানের রাতে ঘটে। মাশায়েখগণ উল্লেখ করেছেন যে, শব-ই-কদরে প্রত্যেক বস্তু সেজদা করে, এমনকি গাছপালা পর্যন্ত জমিনে পতিত হয়ে যায়, আবার স্থির হয়ে যায়। কিন্তু এসব বিষয় সকলের পক্ষে অনুভব করা সম্ভব নয়। হজরত সুফিয়ান সওরী (রা.) বলেন, ‘এই রাতে দোয়া-মোনাজাতে লিপ্ত হওয়া অন্যান্য ইবাদত হতে অধিক উত্তম।’ ইবনে রজব (রা.) বলেন যে, ‘কেবল দোয়া নয় বরং বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হওয়া উত্তম। যেমন, কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ, দোয়া, মোরাকাবা ইত্যাদি।’ কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) এসব আমল করেছেন বলে বর্ণিত হয়েছে।
উম্মুল মোমেনীন হজরত আয়েশা (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.) কে জিজ্ঞাসা করেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যদি শব-ই-কদরের সন্ধান পাই তাহলে কি দোয়া করব?’ রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি এই দোয়া করবে, আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাকারী এবং ক্ষমাকে পছন্দ কর। সুতরাং, আমাকে ক্ষমা কর। (মেশকাত)
হজরত শাহ ওয়ালি উল্লাহ মোহাদ্দেস দেহলবী (রহ.) ‘লাইলাতুল কদর’ সম্পর্কে ‘হজ্জাতুল্লাহিল বালেগা’ নামক বিখ্যাত গ্রন্থে উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, ‘কদরের রাত দু’টি। একটি রাত হচ্ছে, যাতে নির্দেশমূলক সমস্ত বিষয়ের বণ্টন করা হয় এবং সেই রাতে সমগ্র কোরআন শরীফ একেবারেই প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়। অতঃপর অল্প অল্প করে অবতীর্ণ হতে থাকে। আর এটি সারা বছরের মধ্যে একটি রাত। এটি প্রয়োজন নয় যে, তা রমজান মাসে হতে হবে। হ্যাঁ, রমজান মাসে তা পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর এটি সর্বসম্মত মত, যে বছর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে সে বছর এই রাত (শব-ই-কদর) রমজান মাসে সংঘটিত হয়েছিল। আর দ্বিতীয় শব-ই-কদর হচ্ছে, যাতে রুহানিয়াত বা আধ্যাত্মিকতার প্রসার ঘটে এবং নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতাগণ দুনিয়াতে আগমন করেন। অতএব, মুসলমানগণ এই রাতে বিভিন্ন এবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত হন এবং তাদের পরস্পরের নূরের ছায়া পরস্পরের মধ্যে পতিত হয়। আর ফেরেশতাগণ তাদের কাছে আগমন করেন এবং শয়তান তাদের থেকে দূরে সরে যায়। আর তাদের দোয়া ও ইবাদতসমূহ কবুল হয়। এই রাত প্রত্যেক রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে আগে পরে হয়ে থাকে কিন্তু শেষ দশকের বাইরে হয় না।’
অসীম মর্যাদা মাহাত্ম্যের রাত ‘লাইলাতুল কদর’, যেহেতু মাহে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে অর্থাৎ- ২১ থেকে ২৯তম রাত। কারো কারো মতে, ৩০ রমজান পর্যন্ত হতে পারে। সেহেতু কেবল ২৭ রমজান দিবাগত রাতের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল না হয়ে প্রত্যেক রোজাদার মুসলমানের উচিত, রমজান মাসের শেষ রাতগুলোতে শব-ই-কদরের প্রত্যাশায় ইবাদত বন্দেগিতে লিপ্ত হওয়া এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) হজরত আয়েশা (রা.) কে শব-ই-কদরের যে দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন তা পাঠ করা। শব-ই-কদরের বরকত সৌভাগ্য লাভ করার ক্ষুদ্র সুযোগও হাত ছাড়া করা উচিত নয়।
মাহে রমজানের আখেরী শেষ দশকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শব-ই-কদরের মতো একটি মহিমান্বিত রাতকে গোপন রাখা হয়েছে এবং ২১ থেকে ২৯ রমজান পর্যন্ত প্রত্যেক বেজোড় রাতে তা অনুসন্ধান করার ওপর পবিত্র হাদীসে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ২৭ রমজানের রাত শব-ই-কদর অনুসন্ধান করেছেন তারা সৌভাগ্যবান, নাজাতের দশকের এই রজনী যারা লাভ করেছেন, তারা নিশ্চিতরূপে বলতে পারবেন না যে, প্রকৃতপক্ষে সে রাতটি কদর রজনী ছিল কি না। তাদের জন্য শেষ প্রত্যাশা করার আরও একটি বেজোড় রাত হচ্ছে ২৯ রমজানের দিবাগত রাত, শব-ই-কদর হওয়ার শেষ আশা। কারো কারো মতে, ৩০ রমজানও শব-ই-কদর হতে পারে।
মাহে রমজানের রোজা রাখা এবং আল্লাহতাআলার নিকট সওয়াব লাভের আশা করার মধ্যে রোজাদারের গুণাহ্ মাফ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এটি রমজানের রোজার বৈশিষ্ট্য ও মাহাত্ম্যের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে হজরত আলী (রা.) বলেন, আল্লাহতাআলা যদি মোহাম্মদ (সা.) এর উম্মতের ওপর আজাব বা শাস্তি দিতে চাইতেন তাহলে তাদেরকে দু´টি জিনিস দান করতেন না, একটি রমজান মাসের রোজা এবং অপরটি সূরা ইখলাস অর্থাৎ ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’। মাহে রমজানের আগমনের প্রাক্কালে ফেরেশতাগণ বেহেশত সাজাতে থাকেন এবং রমজান মাসের প্রতি রাতে একজন ফেরেশতা আহবান করতে গিয়ে বলতে থাকেন যে, ‘রোজাদার মুসলমান আল্লাহর দরবারে যা চাইবে তাই পাবে।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রমজান
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ